লেনিনের ব্রেন | সুমন্ত্র চট্টোপাধ্যায়



[জগতের বিখ্যাত মানুষদের মগজের শক্তি নিয়ে আগ্রহ আমাদের সবার কম বেশি আছে। পৃথিবীর বড় বড় দার্শনিকদের চিন্তার উৎস, চিন্তার ধরন, চিন্তার উৎকর্ষতা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা তাদের মৃত্যুর পরও থেমে থাকেনি। সক্রেটিস, প্লেটোর মত দার্শনিকদের মগজ নিয়ে যদি গবেষনা করা যেত তাহলে হয়ত চিন্তার শক্তি সম্পর্কে মানুষের ধারনা আরো শাণিত হত। কিন্তু প্রযুক্তির সহজলভ্যতার অভাবে ২০০০ বছর আগে এমন ভাবনা সম্ভবই ছিল না। এই ধরনের গবেষনায় প্রযুক্তি যখন মানুষের নাগালে চলে আসল, মানুষ লেগে গেল বিখ্যাতদের মগজ নিয়ে গবেষনায়। লেনিন একজন রাজনীতিবিদ, সমাজ সংস্কারক ও দার্শনিক। লেলিনের মৃত্যুর পর তার মগজ সংরক্ষন করা হয়েছিল গবেষনার জন্য। লেনিনের মগজ গবেষনা নিয়ে ছিল অনেক রাজনীতি। সেই সব বিষয় নিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকায় সুমন্ত্র চট্টোপাধ্যায় একটি প্রবন্ধ লিখেছেন। পাঠকদের জন্য ‘লেনিনের ব্রেন’ নামক প্রবন্ধটি ইস্টিশনে উপস্থাপন করা হল]

১৯২৪ সালের ২১ জানুয়ারি, মাত্র ৫৪ বছর বয়সে এক মারাত্মক স্ট্রোকে মারা গেলেন লেনিন। এটি ছিল চতুর্থ স্ট্রোক। বিপ্লবের পরে পরেই, ১৯১৮ সালের ৩০ অগস্ট, এক ফ্যাক্টরি থেকে বেরোবার সময় খুব অল্প দূরত্বে পর পর তিন বার তাঁকে গুলি করেন আটাশ বছর বয়সি ফ্যানি কাপলান। দুটি গুলিতে গুরুতর জখম হন লেনিন। একটি গুলি কোটের মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে যায়, গায়ে লাগেনি। কাপলানের বক্তব্য ছিল, ‘লেনিন হলেন প্রকৃত বিপ্লবের শত্রু।’ পুলিশ কাপলানের কাছ থেকে কোনও তথ্যই বার করতে পারল না। ক’দিন পরেই, ৩ সেপ্টেম্বর, তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়ে গেল। ডাক্তাররা কিন্তু লেনিনের শরীর থেকে বুলেট দুটি বের করতে পারলেন না।

১৯২১-এর শেষ দিকে, খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন লেনিন। শোনা যায়, এই সময় তিনি স্ত্রী ক্রুপস্কায়া এবং স্তালিনের কাছে পটাশিয়াম সায়ানাইড চেয়েছিলেন। কিছু ডাক্তারের মত ছিল, তাঁর শরীরে গেঁথে থাকা বুলেটগুলোই তাঁর অসুস্থতার কারণ। ১৯২২-এ আবার অপারেশন হল, গুলি বের করার জন্য। সে বছরই হল প্রথম স্ট্রোক, যার ফলে সাময়িক ভাবে কথা বলার শক্তি হারালেন তিনি। আর শরীরের ডান দিকে হল পক্ষাঘাত। এর পরেই ক্ষমতার পুরোপুরি দখল নিয়ে নিলেন স্তালিন। এ ব্যাপারে লেনিনের আপত্তি ছিল ষোলো আনা। লেনিন কথা বলার শক্তি ফিরে পাওয়ার পর, ১৯২৩-এ, তাঁর ডিক্টেশনে শ্রুতি-লিখিত হল ‘লেনিনের টেস্টামেন্ট’, যেখানে লেনিন স্তালিনের সমালোচনা করলেন ও তাঁকে পার্টির সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে ট্রটস্কিকে সেই পদে বসাবার কথা বললেন। কিন্তু মুশকিল হল, লেনিন যেমন স্তালিনের সমালোচনা করলেন, তেমনই স্তালিনবিরোধী অনেকের কুকর্মের নিন্দা করতেও ছাড়লেন না। আর তত দিনে নিজের ক্ষমতার আটঘাট খুব ভাল করে বেঁধে ফেলেছেন স্তালিন। কাজেই সেই টেস্টামেন্ট এক রকমের লুকিয়েই ফেলা হল।

লেনিনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলা হল, শিরা-উপশিরার কঠিন দুরারোগ্য অসুখ। শরীরের ময়না তদন্ত করা হল। যে ডাক্তাররা তা করছিলেন, তাঁদেরই কারও মাথায় আসে, ভবিষ্যতে গবেষণার জন্য লেনিনের ব্রেন সংরক্ষণ করা উচিত। লেনিনের সঙ্গে স্তালিনের সম্পর্ক কত তেতো হয়ে উঠেছিল, অথবা লেনিনের স্ত্রীর সঙ্গে স্তালিন যে চূড়ান্ত দুর্ব্যবহার করেছিলেন— সে খবর ছিল সাধারণ মানুষের অজানা। স্তালিন এও বুঝেছিলেন, লেনিনকে যদি সন্ত বানিয়ে দেওয়া যায়, আর নিজেকে তাঁর সবচেয়ে বড় ভক্ত প্রমাণ করা যায়, তবে সোভিয়েত ইউনিয়নে তাঁর নিজের গ্রহণযোগ্যতা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।

তাই সযত্নে সংরক্ষিত হল লেনিনের মৃতদেহ। রাতারাতি তৈরি হয়ে গেল ‘লেনিন ইনস্টিটিউট’, যেখানে রাখা হল লেনিনের সব লেখার পাণ্ডুলিপি, আর ফর্মাল ডিহাইড-এ চোবানো লেনিনের ব্রেন। সংস্থার ডিরেক্টর হলেন ইভান তোভস্টুকা, স্তালিনের প্রাইভেট সেক্রেটারি। তিনি, আর ওই সংস্থার ডেপুটি ডিরেক্টর সিমাসকো মিলে, লেনিনের ব্রেন নিয়ে গবেষণার ভার দিতে চাইলেন বার্লিনের প্রফেসর অস্কার ভহট-কে। তিনি কাইজার উইলহেল্‌ম ইনস্টিটিউটে কাজ করেন। সে সময় ব্রেন নিয়ে গবেষণায় তাঁর খ্যাতি বিশ্ব জোড়া।

ভহট বললেন, এই গবেষণা করতে হবে তাঁর ইনস্টিটিউটেই, আর তা করতে হবে তাড়াতাড়ি। কিন্তু লেনিনের ব্রেন দেশের বাইরে চলে যাবে? পলিটব্যুরো রাজি হল না। তাঁরা বললেন, ভহট গবেষণা করুন, আপত্তি নেই, কিন্তু তা করতে হবে মস্কোতে বসেই। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৫, এক মধ্যপন্থা আবিষ্কার করলেন সিমাসকো। তিনি জানালেন, ‘…গোটা মস্তিষ্ক নয়, এক খণ্ডাংশ পাঠানো হোক প্রফেসর ভহটের কাছে, তিনি যদি রিসার্চে কিছু দূর এগোতে পারেন, আরও অংশ পাঠানো হবে।’ এ প্রস্তাব পলিটব্যুরোতে সে দিনই পাশ হয়ে গেল। অবশ্য ভহট ওই একটি অংশই পেয়েছিলেন, আর কোনও দিন কোনও অংশ তাঁর কাছে পাঠানো হয়নি।

২২ মে ১৯২৫, ভহটের জন্য কনট্রাক্ট তৈরি হল। ভহট যখন কাজ করবেন, তাঁর সহকারী থাকবেন দুই রাশিয়ান ডাক্তার। বার্লিনে শুরু হল তাঁর গবেষণা। এ দিকে ভহটের নির্দেশে মস্কোতে বসে আর এক খণ্ডাংশ নিয়ে গবেষণা করছেন এক জার্মান বিজ্ঞানী। কাজেই একই মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা চলল বার্লিনে ও মস্কোয়!

একটা বিষয় নিয়ে স্তালিনের দুশ্চিন্তা ছিল। অনেকগুলো আন্তর্জাতিক মানের বৈজ্ঞানিক পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ লিখতেন ভহট। এগুলো তো স্তালিনের সেন্সরশিপ আইনের আওতার বাইরে। কোনও জার্নালে যদি ভহট অস্বস্তিকর কিছু লিখে বসেন, তা হলে মুশকিল। এ দিকে আবার এই গবেষণায় রাজি করানোর জন্য ভহটকে দিতে হয়েছে মস্কো ইনস্টিটিউটের অধিকর্তার পদ। ইতিমধ্যে প্রায় তিন বছর কেটে গিয়েছে। রাশিয়ার বিজ্ঞানী মহলে খুব ক্ষোভও জমেছে, নিজের দেশের বিজ্ঞানীদের উপেক্ষা করে এক বিদেশিকে এই কাজ দেওয়া হল! তার ওপর আবার ভহট এত দিনেও কোনও রিপোর্টই পেশ করেননি। এ দিকে লামকিন নামে এক মিলিটারি কমিসার একটি রিপোর্ট দিয়েছেন, যাতে স্পষ্টতই ভহটের কাজ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

স্তালিন কিন্তু ধৈর্য হারালেন না। লামকিনের রিপোর্ট ফাইলবন্দি করে রাখলেন। তবে খুব আস্তে আস্তে শুরু করলেন একটা প্রক্রিয়া। লেনিনের মস্তিষ্কের গবেষণার এই প্রকল্পে নিজের খুব কাছের মানুষদেরই নিয়ে এলেন। ১৯৩২ সালে মলোটভকে করলেন পলিটব্যুরোর তরফ থেকে এই প্রকল্পের পর্যবেক্ষক। ক্রেমলিনের সুরক্ষার ভার যাঁর ওপর, সেই ইনুকিদজেকে দেওয়া হল লেনিনের ব্রেনের রক্ষণাবেক্ষণের ভার। আর এই বার তথ্য ও সম্প্রচার দফতরের প্রধান স্টেটস্কি নতুন করে আক্রমণ শানালেন প্রফেসর ভহটের ওপর। বিশেষ বিশেষ জায়গা আন্ডারলাইন করে তিনি এক রিপোর্ট পাঠালেন স্তালিনের কাছে। তাতে অভিযোগ, বার্লিনে লেনিনের ব্রেন যেখানে রাখা হয়েছে, সেখানে বলতে গেলে কোনও নিরাপত্তা ব্যবস্থাই নেই। ১৯২৮ সালের পর ভহট আর মস্কোতে আসেননি, আর এখন তিনি এই নিয়ে কোনও কাজই করছেন না। স্টেটস্কির আসল এবং অনেক বেশি মারাত্মক অভিযোগ ছিল এর পরে। তাঁর নিজের ভাষাতেই বলা ভাল— ‘… ভহট লেনিনের মস্তিষ্কের তুলনা করছেন কিছু অপরাধী ও আরও নানা রকম লোকের মস্তিষ্কের সঙ্গে। ওঁর একটা থিয়োরি হল, জিনিয়াস লোকেরা বিশ্লেষণের জন্য অতিকায় কৌণিক এক রকম কোষ ব্যবহার করে থাকেন।’

লেনিনের মস্তিষ্কে এই ধরনের কোষ খুব বেশি পাওয়া গিয়েছিল। এ দিকে, জার্মানির বিখ্যাত অধ্যাপক-গবেষক স্পিলমার তাঁর ‘মনোরোগ অভিধান’-এ লিখেছেন, এ রকম কোষ যেমন জিনিয়াসদের মাথায় অতি মাত্রায় থাকে, তেমনই থাকতে পারে মনোরোগীদের মাথাতেও। স্টেটস্কি বললেন, ‘ধনতান্ত্রিক মাধ্যমে এই সব বলে লেনিনের সম্মানহানি করছেন প্রফেসর ভহট।’ স্টেটস্কি পরিষ্কার সুপারিশ করলেন, লেনিনের ব্রেনের যে অংশ বার্লিনে আছে, ফিরিয়ে নিয়ে আসা হোক। মস্কো ভহটের সঙ্গে সব যোগাযোগ ছিন্ন করুক। কিন্তু বিশ্ববিখ্যাত এক বৈজ্ঞানিকের সঙ্গে এ রকম ব্যবহার করলে নিন্দের ঝড় উঠবে। জার্মানির সঙ্গে সম্পর্কও খারাপ হতে পারে। এমনিতেই পশ্চিমি দুনিয়া সোভিয়েত রাষ্ট্রের ওপর খুব সদয় নয়। তার ওপর স্তালিনের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯২৮-৩২) মোটেই ভাল ফল দেয়নি। খাদ্যশস্য উৎপাদন নেমে গিয়েছে সাধারণ মাত্রার থেকে ৩২% নীচে। সব মিলে স্তালিন বেশ বেকায়দায়।

তাই স্তালিন ও পলিটব্যুরো এক মধ্যপন্থা নিলেন। ঠিক হল, লেনিনের ব্রেন নিয়ে সব গবেষণা হবে মস্কোতেই, তার জন্য তৈরি হবে এক ‘ব্রেন ইন্সটিটিউট’, আর ভহট-কে আমন্ত্রণ জানানো হবে সে ইন্সটিটিউটের ডিরেক্টর হিসেবে কাজ চালানোর জন্য। কিন্তু তার আগেই ‘ভাল খবর’ এল স্তালিনের কাছে। রাজ-রোষে পড়েছেন ভহট। তাঁর ফ্ল্যাট সার্চ করা হয়েছে। উইলহেল্‌ম ইন্সটিটিউটের চাকরি গিয়েছে। এবং তাঁকে অল্প সময়ের জন্য হলেও বাধ্যতামূলক ভাবে সেনাবাহিনীতে ভর্তি করা হয়েছে। ব্যস, ভহটকে এই প্রকল্প থেকে বাদ দিতে কোনও অসুবিধে থাকল না। আইন মোতাবেক ভহট মস্কোতে যেতেও পারবেন না। আর ভহট নিজেই এক রকম নিষ্কৃতি চাইলেন।

উনি বললেন, মস্কো ব্রেন ইন্সটিটিউট নিজেরাই স্বচ্ছন্দে কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। ইতিমধ্যেই তাদের সংগ্রহে এসে গিয়েছে লুনাচারস্কি, বগদানভ, মায়াকভস্কির মতো বড় বড় মানুষের ব্রেন। এঁদের মতো মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গেই লেনিনের মস্তিষ্কের তুলনা করা দরকার।

এর চার বছর পর, ২৭ মে ১৯৩৬, পলিটব্যুরোতে পেশ করা হল লেনিনের ব্রেন নিয়ে দশ পাতার রিপোর্ট। মূল গবেষণা শুরু হওয়ার ১১ বছর পর। মূল রিপোর্ট ১৫৩ পাতার, তার সঙ্গে ১৫টা অ্যালবাম। তাতে তিরিশ হাজারের বেশি স্লাইডের ছবি। লেনিনের ব্রেনকে তুলনা করা হয়েছে পাভলভ, মায়াকভস্কি, লুনাচারস্কি-র পাশাপাশি সাধারণ কিছু মানুষের ব্রেনের সঙ্গেও। নোবেল প্রাইজ প্রাপক পাভলভ মারা যান ১৯৩৬-এই, আর তাঁর ব্রেনের সঙ্গে তুলনাটাই শেষ পরীক্ষা।

রিপোর্টে বলা হল, লেনিনের ব্রেনে পাওয়া গিয়েছে অসাধারণ শৃঙ্খলা, যার ফলে তাঁর মধ্যে এসেছিল অতি উঁচু মানের যুক্তিবোধ ও দূরদর্শিতা। সেরিব্রাল করটেক্সে অতি মাত্রায় উপস্থিত অতিকায় কৌণিক কোষের কথাও বলা হল। আর বলা হল, গোটা ব্রেনের অনুপাতে টেম্পোরাল লোব অনেক বড়। এমনকী মায়াকভস্কি বা বগদানভকেও টেক্কা দিয়েছেন লেনিন। এই ব্রেন ইনস্টিটিউট কত সাধারণ অবস্থা থেকে এবং সাধারণ যন্ত্রপাতি নিয়ে এমন দুরূহ কাজ করেছে, সে কথাও লেখা হল। অবিলম্বে পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটি নির্দেশ দিল, সমস্ত বড় মাপের মানুষের ব্রেন সংরক্ষণ করতে হবে। বড় মাপের টাকাও মঞ্জুর হয়ে গেল।

কিন্তু এত কাণ্ড করে যে ফল পাওয়া গেল, তা কিন্তু রয়ে গেল সরকারি আর্কাইভেই। সাধারণ মানুষের সামনে আনা হল না। তাঁরা এ সব জানতে পারেন ইয়েলৎসিনের জমানায়। কিন্তু কেন? খেয়াল রাখতে হবে রিপোর্ট তৈরির বছরটা। ১৯৩৬-এই শুরু হল এক অন্ধকার সময়, যাকে ইতিহাসে বলে ‘গ্রেট পার্জ’। দু’বছর ধরে চলা এই ‘শুদ্ধিকরণ’ প্রক্রিয়ায় বলি হলেন ছ’লক্ষেরও বেশি মানুষ। তার মধ্যে সাধারণ কৃষকও যেমন ছিলেন, পার্টিকর্মীও ছিলেন। প্রাক্তন পার্টিনেতাদের তিনটি কুখ্যাত বিচার অনুষ্ঠিত হল ১৯৩৬-৩৮’এর মধ্যে। শেষটিতে মৃত্যুদণ্ড হল লেনিনের ঘনিষ্ঠ বুখারিনের। এমনও হতে পারে, ১৯৩৬-এ দাঁড়িয়ে, লেনিনের কথা বলে তাঁকে সাধারণ মানুষের মনে সরকারি ভাবে ফিরিয়ে আনতে চাননি স্তালিন। এই নরমেধ যজ্ঞে পাশে পাওয়ার জন্য স্তালিনের প্রচারমাধ্যম মানুষকে খেপিয়ে তুলছিল। লেনিনকে নতুন করে স্বীকার করে নিলে যদি সে প্রক্রিয়ায় ধাক্কা লাগে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *