হযবরল

মেঘ থাকে, হঠাৎ বৃষ্টি হয়। কাক গুলো ভিজে, পালক গুলো চুপসে যায়। আকাশ নীল থেকে কালো হয়, মেঘের মাঝেও রাজকুমারী তৈরী হয়। রোদের তাপে গরম হওয়া জালানার গ্রীল গুলোও ঠান্ডা হয়ে যায়। মেঝেতে নেইলপলিশ পড়ে গড়িয়ে থাকে। চূড়ির বাক্স থেকে চূড়ি পড়ে ঝনঝন শব্দে ভেঙে যায়। হাতের শিরায় গিয়ে লাগে ভাঙা চূড়ির কাঁচ। লাল নীল চূড়ি হাতে গেঁথে লাল রক্তে সাদা ফ্লোর লাল সাদা নকশায় ভরে যায়। টিপের পাতা, সিঁদুর এর কৌটা গড়িয়ে পড়ে থাকে পেটের কাছে। কৃষ্ণচূড়া গাছটায় পাতা শুকিয়ে নতুন পাতা গজায়। প্লেট গ্লাস টুংটাং শব্দ তুলে বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাসের চুলায় গ্যাসের দপ করে শব্দ হওয়াটাও থেমে যায়। কেউ কাঁদে। নিঃশব্দে।
কেউ শোনেনা.. কেউ একজন বুক চাপড়ে চাপা আর্তোনাদে ঘর ভরিয়ে রাখে। মেঝেতে চুল ছড়িয়ে থাকে। পড়নের সাদা শিফনের শাড়ির আচল টা আস্তে আস্তে লাল হয়ে আসে। কেউ নিজের শেষ নিঃশ্বাস আরেকজনের নাম নিয়ে ছেড়ে দ্যায়। কেউ মরে যায়। আর…
বৃষ্টি হতেই থাকে 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *