লাশের স্তুপে প্রতিষ্ঠিত : ধর্ম সম্রাজ্যবাদ

প্রতিটি জাতিই তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি দূর্বল। সুযোগ পেলে সে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষনে ব্রতী হয়। অন্যের সাথে সে ইতিহাস ও ঐতিহ্য শেয়ার করতে কুন্ঠিত হয়না  অন্তত সক্রিয়ভাবে লুকাতে চায় না।হোক সেটা কোন ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় জাতি।
অনেক ইতিহাসের পাতার নায়ক খলনায়ক নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর কাছে।

ধর্মের হাত ধরেই সম্রাজ্যবাদের উখান ধর্মের নামে মানুষকে যেভাবে ক্ষেপিয়ে তোলা যায় তা আর কোন ভাবেই সম্ভব না ধর্মের অনুভূতিটা পৃথীবির সবচেয়ে সেনসিটিভ অনুভূতি ধর্মান্ধদের কাছে যার জন্যে তারা জীবন দিতেও পিছ পা হয়না জখন উঠের পিঠে চড়ে আরবরা ভারতবর্ষে আসে তখন বর্বরতা চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌছে ছিল ভারতবর্ষে তখন ভাবলেশহীন বর্ববেরা যেমন হত্যা করেছে অসংখ্য নারী পুরুষ যৌনদাস কৃতদাস করে আরবে নিয়ে গেছে বহু নারী পুরুষ শিশুদের তখন সৈনিকদের বেতন হিসেবে দেওয়া হতো বন্দি করে নিয়ে যাওয়া ভারতীয়দের আর লুট করা সম্পদ, সেটা ছিল ক্ষমতার সন্ত্রসবাদ দুস্যুতা,

ধাপে ধাপে তারা আক্রমন করে নিজেস্ব ভুমি বিস্তার করে শাসক হিসেবে নিজেদের সম্রাজ্য স্থাপন করে,ধর্মান্তরিত করে অসংখ্য হিন্দুদের যারা মুসলিম হতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে হাজার হাজার মন্দির ভেঙ্গে মসজিদে রুপান্তর করা হয়েছিল ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল হিন্দুদের,

হিন্দু শাষকেরা ছিলেন অপস্তুত ও দুর্বল বেশীরভাগ শাষকই চ্যালেঞ্জ না করে পলায়ন করেছে বা অনেকে অনুগত্য প্রকাশ করেছে ধর্মান্তরিত হয়ে। আরবদের আক্রমনে কয়েক লাখ মানুষ যেমন হত্যার শিকার হয় তেমনি দাস যৌনদাসী হিসেবেও নিয়ে যায় তারা ।
বর্তমানে সম্রাজ্যবাদী পশ্চিমা বিশ্ব তাদের সম্রাজ্য টিকিয়ে রাখার জন্যে পৃথীবির বুকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে পর্দার আড়ালে পুষছে সন্ত্রাসবাদ, এই সম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই লাশের স্তুপের উপর দিয়ে যার জলন্ত সাক্ষী এই জাপান,হিরোশিমা,নাগাসাকি এখনো বিকলাঙ্গ শিশু জন্মায়,
চলতি দশকে বিশ্বে সবচেয়ে বড় সমস্যা নিঃসন্দেহে আই এস আই এস তারা ইসলামি খেলাফত চায় যা একটা ধর্মীয় অনুশাসন। তাদের পৃষ্ঠপোষকতার চরম অভাযোগ আছে পশ্চিমা সম্রজ্যবাদের বিরুদ্ধে পৃথিবী অস্থীতিশীল থাকলে সম্রাজ্যবাদ যেমন টিকে থাকে তেমনি তারা আর্থিক ভাবে চাঙ্গা হতে থাকে এবং বিভিন্ন দেশে সেনাবাহিনী নিয়োগ করে প্রাকৃতিক সম্পদ করায়ত্ব করতে পারেন তারা। যা গত দুই দশকে ভুরি ভুরি প্রমান আছে।

যত গুলো প্রভাবশালী ইসলামী জঙ্গী সংঘটন আছে তাদের প্রথমিক ভাবে স্বাধীনতাকামী লেবাসে অস্ত্র সহযোগিতা করে আসছিল পশ্চিমা শক্তি পরে শক্তি বাড়ার সাথে সাথে যখন নিয়ন্ত্রন হারায় তখন তারা জঙ্গী হয়, তারা কখনো জঙ্গীবাদ নির্মুলে সদিচ্ছা দেখায়না তারা নিয়ন্ত্রনে রাখেন কারণ এই সন্ত্রাসের উচিলায় তারা যেকোন দেশে সহজে প্রবেশ করা যায়, পশ্চিমারা যেখানে প্রবেশ করেছে সেটা এখন ধ্বংসস্তুপ করে ফিরেছে তারা।

একটি প্রচারিক বাক্য—-
আমরিকার মতো বন্ধু থাকলে আর শত্রুর দরকার পড়েনা তার
জঙ্গিরা যেমন মানুষ হত্যা করছেন বেহেস্তের বাজে কিছু লোভে শহীদি মৃত্যু হুর, বোনাস নিজেদের ধর্ম প্রতিষ্ঠিত করে পৃথীবির ক্ষমতা করায়ত্ব করতে,
তেমনি সম্রাজ্যবাদীরাও নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্যে জিইয়ে রাখছে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *