সংশোধনাগার নাকি সন্ত্রাসের অাড়ৎ ঘর??

দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে একথা বলাই যায় বর্তমানে স্থিতিশীল হয়েও দেশ অস্থিতিশীল।খুন,ধর্ষন,ছিনতাই এগুলো এখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার।দেশে কোন অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হলেই শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক কাঁদা ছোড়াছুড়ি।কখনও কি বিবেচনা করা হয় এত শাস্তির ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেন মানুষ ক্রাইমকেই বেছে নিচ্ছে?কোথায় এই সন্ত্রাসের আতুরনিবাস। বিভিন্ন সময় খবরের কাগজে চোখ বুলিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন দেশ তাদের প্রিজন(জেল)গুলো বন্ধ করে দিচ্ছে অপরাধীর অভাবে,পুলিশ থেকে লোক ছাটাই করা হচ্ছে অপরাধীর অভাবে।আর আমাদের পুলিশ বাহিনী বেড়েই চলেছে দিনকে দিন।কোন দেশের পুলিশ বাহিনী দ্বারা সে দেশের শক্তি সম্বন্ধে যতটা না অনুমান করা যায় তার থেকে বেশি অনুমান করা যায় সে দেশের ক্রাইমের পরিমান।এখন আসি সাজাপ্রাপ্তির পরও কেন মানুষ ক্রাইমকেই বেছে নিচ্ছে?কারাগার আরও একটু শুদ্ধ করে বলা হয় সংশোধনাগার।কিন্তু প্রশ্ন উঠছে সংশোধনাগার কি আসলেই সংশোধন করছে?এক প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে বাংলাদেশের কারাগারেই নাকি সব থেকে বেশি দুর্নীতি হয়ে থাকে।চার দেয়ালের মধ্যে কোন মানুষকে ভরে রাখলেই কি কারও সংশোধন সম্ভব?একজন অপরাধীর সর্বোপরি বিবেচনা করে তার মানসিক, আর্থিক,ও সামাজিক সমর্থন দানের মাধ্যমেই তাকে সুপথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব কিন্তু দেশের জেলখানা গুলোতে একটু দেখার চেষ্টা করলেই বোঝা যায় সেটা কতটা সম্ভব এখানে।একই কক্ষে রাখা হয় একাধিক অপরাধী।যেখানে কোন শ্রেনীভাগ নেই।চোর,ডাকাত, ধর্ষক সব একই কক্ষে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।এখানে চোর হয়ে যে ঢোকে সে খুনি হওয়ার যোগ্যতা নিয়েই বের হয় অন্যদের গল্প দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।তাছাড়া সমাজও তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে সে স্বাভাবিক সমাজ থেকে আলাদা।জেলগুলো যেখানে হয়ে উঠতে পারত তাদের কর্মের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সভ্য শিক্ষা কেন্দ্র, শোধনাগার তা না হয়ে,হয়ে ওঠে সন্ত্রাসের আতুরঘর।
এই আতুরঘরেই তারা আরও ভাল ভাবে শিখতে থাকে কিভাবে ছোট থেকে হয়ে ওঠা যায় বড় মাপের সন্ত্রাসী।

২ thoughts on “সংশোধনাগার নাকি সন্ত্রাসের অাড়ৎ ঘর??

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *