কল্পনার মুহাম্মদ ও ইতিহাসের মুহাম্মদ, পর্ব-১ (মুহাম্মদ কি সত্যবাদী ছিল?)

ইসলামের নবী মুহাম্মদকে নিয়ে প্রতিটা মুসলমানের এক ধরনের কল্পনার চরিত্র আছে। সেটা হলো – মুহাম্মদ দয়ার সাগর , সত্যবাদী , নির্লোভ, সকল রকম দোষের উর্দ্ধে একজন কেউ।সেসবই আমাদেরকে শৈশব থেকে জানান হয়েছে। কিন্তু কোরান হাদিস থেকে মুহাম্মদের যে প্রকৃত চরিত্র দেখি তাতে দেখা যায়, মুহাম্মদ ছিল আসলে মিথ্যাবাদী, লোভী, উন্মাদ , পাগল, ক্ষমতালোভী একজন মানুষ। অর্থাৎ কল্পনার মুহাম্মদ আর বাস্তবের মুহাম্মদ সম্পূর্ন বিপরীত।

মক্কার লোকেরা মুহাম্মদকে মিথ্যাবাদী বলেই জানত , যেমন –

সুরা ইউনুস- ১০: ৪১: আর যদি তোমাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে বল, আমার জন্য আমার কর্ম, আর তোমাদের জন্য তোমাদের কর্ম। তোমাদের দায়-দায়িত্ব নেই আমার কর্মের উপর এবং আমারও দায়-দায়িত্ব নেই তোমরা যা কর সেজন্য। (মাক্কি)

সুরা ফাতির – ৩৫: ৪: তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে আপনার পূর্ববর্তী পয়গম্বরগণকেও তো মিথ্যাবাদী বলা হয়েছিল। আল্লাহর প্রতিই যাবতীয় বিষয় প্রত্যাবর্তিত হয়। (মাক্কি)

মুহাম্মদের মক্কায় নাজিল করা এই সুরাগুলোতে দেখা যাচ্ছে , মক্কাবাসীরা মুহাম্মদকে স্রেফ একটা মিথ্যাবাদী বলেই জানত।

মুহাম্মদকে মক্কাবাসীরা একটা পাগল বা উন্মাদ হিসাবে জানত—-

সুরা হিজর- ১৫: ৬: তারা বললঃ হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি কোরআন নাযিল হয়েছে, আপনি তো একজন উম্মাদ। (মাক্কি)

সুরা আদ দোখান-৪৪: ১৪: অতঃপর তারা তাকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে এবং বলে, সে তো উম্মাদ-শিখানো কথা বলে।(মাক্কি)

মক্কায় নাজিল করা এ সুরায়ও দেখা যাচ্ছে , মক্কাবাসীরা মুহাম্মদ স্রেফ একটা পাগল বা উন্মাদ হিসাবেই জানত।

মক্কাবাসীরা মুহাম্মদকে একটা ভুত পেত্নীর আছরকরা একটা মানুষ হিসাবে জানত , যেমন –

সুরা আল মুমিনুন- ২৩: ৭০: না তারা বলে যে, তিনি জ্বিনের আছর গ্রস্থ ? বরং তিনি তাদের কাছে সত্য নিয়ে আগমন করেছেন এবং তাদের অধিকাংশ সত্যকে অপছন্দ করে। (মাক্কি)

সুতরাং দেখা যাচ্ছে , মুহাম্মদ যে আল আমীন বা সত্যবাদী বলে যে ব্যাপক প্রচারনা আছে , তার কোন প্রমান কোরানে নেই। এমন কি হাদিসেও নেই। অথচ সেই ছোট বেলা থেকে আমাদেরকে শিখান হয়েছে , মুহাম্মদ নাকি আল আমীন , সবাই তাকে সত্যবাদী বলে জানত।

৫ thoughts on “কল্পনার মুহাম্মদ ও ইতিহাসের মুহাম্মদ, পর্ব-১ (মুহাম্মদ কি সত্যবাদী ছিল?)

  1. পাগলের মত কথা বলেন কেন?। খুজে
    পাগলের মত কথা বলেন কেন?। খুজে খুজে কুরআনের কয়েকটা আয়াত তুলে দিলেই প্রমান হয়ে গেল?? মুহাম্মদ সঃ নবুয়ত প্রাপ্তির পূর্ব পর্যান্ত পুরা মক্কাবাসীরর নিকট বিশ্বস্ত ছিল,এমন কি আলআমনি নামটি তাদের দেওয়া,নবুয়ত প্রাপ্তির পর যখন উনি ইসলামের দাওয়াত দিতে লাগল তখন তাদের কিছু নেতা নিজের ক্ষমতা হ্রাস পাবে বলে বিরধিতা করতে লাগল এবং যই ইচ্ছা তাই বলতে লাগল,,ক্রমে ক্রমে তারাও মুহাম্মদ সঃ এর প্রতি বিশ্বস এবং ইসলামের পাতাকা গ্রহণ কলল।।
    এ সব বিষয় কি আপনার নজরে আসেনি?? গবেষনা আরো গভীর ভাবে করুন তখনই নিজে বুঝতে পারবেন।। আর হ্যাঁ শুনুন যতই গবেষনা করুন না কেন ইসলামকে মিথ্যা প্রমানিত করার কোন সুযুকই পাবেননা, কারন সত্যকে কখনো পাল্টানো যায়না।আপনাে থেকেও অনেক বড় বড় গবেষক ব্যর্থ হয়ে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে,ইসলামই সত্য ও শান্তির ধর্ম। ইসরাইলের ইহুদিদের চিন্তা করুন…

  2. মুহাম্মদ সাঃ কে ততক্ষণ
    মুহাম্মদ সাঃ কে ততক্ষণ পর্যন্ত সমীহ করা হয়েছে যতক্ষণ তিনি নাস্তিক আর প্যাগানদের বিরুদ্ধে কিছু বলেন নি। কিন্তু যখনই তিনি মূর্তি পূজা ছেড়ে এক আল্লাহর এবাদত করতে বলেছেন ,তখনই কিন্তু তাকে পাগল ,কবি, উন্মাদ ইত্যাদি বলা হয়েছে। অবশ্য তাতে কোন লাভ হয় নি। ঠিকই ইসলাম পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এবং এখনও বিস্তার লাভ করছে দূর্দান্ত গতিতে।

    1. মক্কাবাসীরা ভালই উপলব্ধি
      মক্কাবাসীরা ভালই উপলব্ধি করেছিল যে মুহাম্মদ কোরানের নামে নিজের কথা প্রচার করছে , আর তার মৃগীরোগ ছিল , যখন সেটার প্রকোপ দেখা যেত , তখন সে জিব্রাইলকে দেখেছে বলে দাবী করত। তখনকার দিনে এটা খুব সাধারন ঘটনা ছিল। তাই মক্কাবাসীরা মুহাম্মদকে মিথ্যাবাদী বলত। অন্য কোন কারনে নয়। শৈশব থেকেই মক্কাবাসীরা মুহাম্মদকে চিনত , সুতরাং মুহাম্মদের ভুজুং ভাজুং বুঝতে তাদের বেশী সময় লাগে নাই।

      1. শৈশব থেকেই মক্কাবাসীরা

        শৈশব থেকেই মক্কাবাসীরা মুহাম্মদকে চিনত , সুতরাং মুহাম্মদের ভুজুং ভাজুং বুঝতে তাদের বেশী সময় লাগে নাই।

        হ্যা পৃথিবীর প্রায় দুই বিলিয়ন মানুষ সেই ভুজুং ভাজুং বিশ্বাস করেছে। এবং তা আরো বাড়ছে।

  3. এতোগুলো লোকের মাথা খাওয়া
    এতোগুলো লোকের মাথা খাওয়া মুখের কথা না..মোহাম্মদ এর এই মানসিক দক্ষতা ছোট করে দেখার মত নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *