তুমি আমার আদর্শ মহাপুরুষ।

হে প্রিয়, তোমাকে ধূর্ত বললে শব্দটি মহিমান্বিত হয়ে ওঠে,
রাতের অন্ধকারে অতর্কিত আক্রমনকে মনে হয় রণকৌশল,
তুমি আমার আদর্শ মহাপুরুষ।

শেয়ালোর এত উন্নত মেধা নেই, মুখে নেই ভাষা,
কোথায় পাবে সে এমন শৃঙ্খল ডাকাতের দল?
শব্দের ভুল প্রয়োগ সঠিক বিশেষ্যকে বিশেষায়িত করে না,
যেমন তোমাকে চরম লিবিডো তাড়িত দেখে,
ভক্তবৃন্দ সর্বাঙ্গে ধারণ করে যৌনাঙ্গ এবং তারা সুখও পায়।
এখানে সুখ না পেয়ে চলে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই,
বিরহের গীত বলতে হিংসা ও বিদ্বেষ বোঝায়,

হে প্রিয় ঝড়ের রাতে বুঝি ভেবেছিলো সাম্রাজ্যবাদের কথা!
সাইমুমে তোমার মনে হতো না মহাসিন্ধুর ওপার থেকে ভেসে আসা ডেজার্ট সং?
তখন মনেহয় মনে পড়ত শিশুগমন, মুখে আবরণ দেয়া কেনান যুবতী।

হত্যা নৃশংসতার কবি তুমি,
মাত্রায়, ছন্দে, যতিচিহ্নে মেখে দিয়েছো রক্ত।
মেয়েটির পিতাকে শুলে বিদ্ধকরে, স্বামীর বুকে ঢেলে দিলে গরম কয়লা,
তীব্র চিৎকার আর কান্নার রোলের আড়ালে তাকে নিয়ে গেলে বিছানায়,
সাথে নিয়ে তিরিশ পুরুষের সমান শক্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *