প্রচলিত মিথ্যা কথা

‘ব্রেইন ওয়াশ’ বা প্ররোচিত করা হয়েছে, এসব কথা বললে খুনী জঙ্গীদের অপরাধ এক বিন্দু কমবেনা।বরং এসব কথা তাদের অপরাধকে একভাবে জায়েজ করা হচ্ছে।এমন হলে আল্লাহতালা দোজখ সৃষ্টি করতেন না। কেউ কোন অপরাধ করলে তাকে শয়তানে প্ররোচিত করেছে বলেই মাফ পেতো।

শুনতে খারাপ মনে হলেও,এসব জঙ্গীদের পরিবারকে ধরা উচিত। রক্তের বদলে রক্ত বা ‘কিসাস’ বলতে একটা বিষয় আছে।ভিক্টিমরা কারো না কারো মা বাবা ভাই বোন। এ হিসাবে এদের পরিবার কে ধরা হোক।দে হ্যাভ টু টেইক দা রেস্পন্সিবিলিটি অফ গিভিং বার্থ অফ সাচ বাস্টার্ডস।এমন এক্সাম্পল ক্রিয়েট করা হোক যাতে ভবিষ্যতে কোন তরুণ তার পরিবারের পরিণতির কথা ভেবেও এ পথে পা না বাড়ায়।

এ সম্পর্কে ধর্মগ্রন্থ থেকে ব্যাখ্যা দেয়া যায়-
সিফফিনের যুদ্ধে ইসলামের চতূর্থ খলিফা হযরত আলী (রা:) এর বিরোধী পক্ষ (মুয়াবিয়া) হেরে যাচ্ছে দেখে শেষ মুহুর্তে তাদের অনেকের বর্শার আগায় কোরআন গেথে দেয়।উদ্দেশ্য কোরআনের প্রতি আনুগত্য কে বর্ম হিসেবে ব্যবহার করা। এতে হজরত আলী (রাঃ) এর সেনারা অপ্রস্তুত হয়ে যায়।তাঁরা বুঝতে পারছিলনা কোরআন সম্বলিত অস্ত্রের বিরুদ্ধে তাঁরা অস্ত্র কিভাবে ব্যবহার করবেন।

অবস্থা দেখে হযরত আলী (রাঃ) বলেছিলেন,”তোমরা বিচলিত হবেনা। ওটা ‘মৃত কোরআন,আমিই সবাক কোরআন।অতএব আমাকে অনুসরণ কর।”
টু বি এক্স্যাক্ট – হাজ্বাল কোরআনু সামিতুন ওয়া আনা কোরআনু নাতিকুন ।
অর্থ :- এ হলো নির্বাক ( মৃত) কোরআন আর আমি হলাম জীবন্ত (জিন্দা) কোরআন ।

হযরত আলী (রাঃ) সেইদিনের সেই উক্তিটির স্পিরিচুয়াল এন্ড ফিলোসফিক্যাল মিনিং অনেক বেশী গাম্ভীর্যপূর্ণ এবং ওইদিনের ঘটনাটি আমাদের অনেক কিছুই শেখায়।ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে দূর্বল করার চেষ্টা এটা অনেক আগে থেকে ছিল। একটা কথা প্রচলিত আছে, Who cannot learn from history are doomed to repeat it.
হে জঙ্গীরা ও তাদের ঈপর ক্রাস খাওয়া কেপ্ট জেনানীগন, সেদিনের হজরত আলী (রাঃ) এর উদ্ধৃত ‘সবাক কোরআন আর মৃত কোরআন’এর মর্মার্থ বোঝার চেষ্টা কর।সব ক্লীয়ার হয়ে যাবে।

আইডিয়া-সাব্বীর আহমেদ

২ thoughts on “প্রচলিত মিথ্যা কথা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *