আহা!!

মানুষের অনেক ইচ্ছে হাজার ইচ্ছের মাঝে একটি ইচ্ছে ‘আমি যদি পাখি হতাম উড়ে দিগন্ত পাড়ি দিতাম’।
উড়ে দিগন্ত পাড়ি দেয়া পাখির কাজ মানুষের না।

একটা পাখি উড়তে ভরসা করতে হয় ডানার উপর।
সৃষ্টিকর্তা মানুষের শারিরীক গঠনে ডানা দেননি।তারপর ও মানুষ উড়তে পারে নিজের বুদ্ধী আর ত্মবিশ্বাসের জোরে।
একরাশ আক্ষেপ নিয়ে বিধাতা কে দোষ দেয়ার কিছু নেই,শুকরিয়া এমন তীক্ষ্ন বুদ্ধী দিয়েছেন যা দিয়ে বিমান আবিস্কার করে উড়ে বেড়াচ্ছে মানুষ।সাত সাগর পাড়ি দিয়ে প্রিয় মুখ দেখছে।
প্রিয় মুখ গুলো হল আত্মার সাথে মিল খোঁজে পাওয়া মানুষ গুলোর মুখ। যাদের মুখ দেখলে জগতের সব কিছু ভুলে থাকা যায়। সব
সময় কষ্ট দেয়া যায় এমন মানুষ ই আত্মার মানুষ। এদের সঙ্গে সবসময় রাগ করা যায়।প্রচন্ড কষ্ট দিতে হয়,কষ্ট দিলে ও হাসি মুখে বলবে কেমন আছো? এই হাসিটা হয় উজ্জল এতোই উজ্জল যে তাদের আর কষ্ট দিতে ইচ্ছে হয় না।
তবে স্রষ্টার নিয়ম বড় অদ্ভুদ পৃথিবী উল্টে
গেলেও তাঁদের কষ্ট দিতে হয়,না দিয়ে থাকা যায় না।
আর এই সময়টুকু কিছু মানুষের ভাললাগে।
আত্মার কেউ ছাড়া কষ্ট দেয়া অসম্ভব,কষ্ট দেয়া সাধারণ নয় অনেক সাধনার পর কষ্ট দেয়া শিখতে হয়।
সাধনা বিষয় টা সামান্য নয়তো অনেক বড়।যে পুঁচকে ছেলেটা যোগ বিয়োগের সহজ হিসেব করতে পারতো না সে আজ দেশের নামকরা একটা ব্যাংকের সব হিসেব রাখে।যোগ,বিয়োগ, গুন নিয়ে তার সারা বেলা কাঁটে সাধনার লাভ সবার চোখেই পড়ে।
লাভ ক্ষতির হিসেব সব জায়গায় করতে নেই। লঞ্চ ডুবে মরতে বসা লোকটা আই ফোন ফাইভের ক্ষতির চিন্তা করে না বেঁচে থাকাই আসল।
বেঁচে থাকার জন্য কিছু ইচ্ছের পূরণ হতে নেই, সব ইচ্ছে পূরণ হলে বেঁচে থাকার ইচ্ছে মরে যায়।
আত্মার মানুষদের সাথে দু’মুটো ভাত খাওয়ার ইচ্ছে সবার হয়, তবে খুব কম লোকে ইচ্ছে পূরণ করতে পারে।।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *