ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িকতা আর কতদিন?

এটা এমন একটি দেশে পরিনত হচ্ছে যেখানে আপনি ধর্মের নামে সবকিছু করতে পারেন।সব কিছুর বৈধতা আপনি পেয়ে যাবেন ধর্ম ব্যাবহার করে।মনে আছে নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কথা,তো দেখা গেল একটা মাদ্রাসা সেই পাড় দখল করে গড়ে উঠেছে।তো নিয়ম মোতাবেগ সেটা ভাঙ্গতে গেল ম্যাজিষ্ট্রেট তো আর যায় কই।নাস্তিক সরকার ইসলামের উপর আঘাত এনেছে বলে কাশেমী নামক হেফাজতি ছাগলের কি আস্ফালন।তারপর এলো কুরবানী ঈদ তো সরকার ময়লা থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন স্পট ফিক্সড করে দিতে চাইল আবারও সেই কাশেমী কোরবানীর ঐতিহ্য নষ্ট করছে সরকার তাই বলে ম্যা ম্যা করলো।চিন্তা করা যায়,রাস্তায় রক্ত গোবর পঁচে দূর্গন্ধ হওয়াটা ঐতিহ্য।একদিন এমন সময় আসবে যেদিন ধর্মের নামে সংখ্যালঘুদের সব দখল করে নেয়া হবে।ওহে কি মজা ভাই আমরা তো ০% চাই।

‪#‎গত‬ শুক্রবার গেন্ডারিয়াতে একটি হিন্দু মন্দিরের পাশের জায়গা দখল করে তাতে মসজিদ নির্মান করা হয়। সেটা নিয়ে আদালতে গেলে আদালত সেখানে মসজিদ নির্মাণের স্থগিতাদেশ দেয়। জেনেশুনে ঝামেলা বাধানোর উদ্দেশ্যে তারপরও সেখানে নামাজ পড়তে যায় একদল মুসল্লি।
আর তাতে বাধা দেয় পুলিশ।
আর সেটাই খবর হয়- ” মসজিদে নামাজ পড়তে পুলিশের বাধা”
ছাগলের দল, এই কাজ এই সরকারের পুলিশ কখনোই করবেনা। করার কোন কারন আছে কি? যারা এইসব করছে তারা আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই এসব ছড়াচ্ছে। মুজাহেরুল হক নামে একজন ডাক্তার দেখলাম তারানা হালিমের ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে। শিক্ষা এদের মানসিকতাকে উন্নত করতে পারেনি।
প্রকৃত কাহিনী উল্লেখ না করে বিভ্রান্তিকর খবর ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিক্ষিত অশিক্ষিত কেউ এই ধরনের মিথ্যা প্রচারনার বাইরে না।যেই সরকার হাটহাজারীতে খামাড় করে ব্লাক বেঙ্গল ও যমুনাপাড়ি পালে তারা নামাজ পড়তে বাধা দিবে এ হাস্যকর কথা শুনলেও অবাক লাগে।
জিজ্ঞাই, কোন ইসলামিক আইনের বলে আপনি মন্দিরের জায়গা দখল করে মসজিদ তুলেন?

ফ্যাক্ট ইজ-
মন্দির ছিল, বা নাই, এ প্রসংগ নাহয় বাদই দিলাম। লিজ বা ভাড়া দেয়া যাগায় বেআইনি ভাবে স্থায়ী কাঠামো করা! এটা কোন ধরনের নৈতিকতা?
মসজিদের মত পবিত্র জিনিষ অবৈধ স্থানে করার মত নাফরমানি কাজে যারা আন্দোলন করছে এরা কোন ধরনের মুসলিম?

৪ thoughts on “ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িকতা আর কতদিন?

  1. ইসলামের নামে সব অপকর্মই জায়েজ
    ইসলামের নামে সব অপকর্মই জায়েজ। কারন কোরান ও হাদিস হলো দুনিয়ার সব অপকর্মের মূল।

  2. ধর্মকে জনকল্যানে ব্যাবহার না
    ধর্মকে জনকল্যানে ব্যাবহার না করে অপকর্মে ব্যাবহার করাই মূল সমস্যা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *