স্বনির্ভর অর্থনীতির জন্য জরুরী বিনিয়োগ সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা

একটি দেশ ও জাতি হিসেবে স্বপ্ন না দেখলে এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে সামনে অগ্রসর হতে পারে না কখনই। আর তাই একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশেরও স্বপ্ন দেখা বাঞ্ছনীয় ও যুক্তিসঙ্গত। এবারের বাজেটে আয় ও ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে যথাক্রমে ২ লাখ ৪৮ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা ও ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা। বাজেটে ঘোষিত সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে এবার আয় করতে হবে ২ লাখ ৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা। বর্তমান অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এ হার হবে ৩৫ দশমিক ৪ শতাংশ। বাজেট কাটছাঁট, কর ও মূসক আদায়ের হ্রাস-বৃদ্ধি নিয়ে কারও পক্ষে-বিপক্ষে বলা উদ্দেশ্য নয়। একটি দেশের আয়-উন্নয়নসহ সরকারকে তো শেষ পর্যন্ত নির্ভর করতে হয় জনসাধারণের টাকা, তথা কর, মূসক ইত্যাদির ওপর। পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র, মেট্রো রেল, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটসহ অন্তত ১০টি উচ্চাভিলাষী অথচ সময়োপযোগী প্রকল্প সরকার হাতে নিয়েছে। সরকারকে তো এসব ব্যয় মেটাতে হবে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব আহরণ করেই। সে জন্য কর দেয়ার মানসিকতা ও সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে সর্বস্তরে। সরকার আগামী দু’বছর পর থেকে কৃষক ও কৃষি খাত থেকেও কর আদায়ে আগ্রহী। জাতীয় প্রবৃদ্ধি ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করতে হলে করের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগ সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে অবশ্যই।

১ thought on “স্বনির্ভর অর্থনীতির জন্য জরুরী বিনিয়োগ সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *