কবিদের মশার জ্বালা….

রবি ঠাকুরের নোবেল চুরির আনন্দে
পল্লী কবি জসিমউদ্দীন বিখ্যাত সব
কবিদের একদিন দাওয়াত দেয় তার
পল্লী গৃহে,সবাইকে এক পেট খাওয়াতে
আর জম্পেশ আড্ডা দিতে।অনেকদিন পর
সবাই পিউর শাক,বেগুন ভর্তা,মলা
মাছের চচ্চড়ি, পায়েস সহ ইত্যাদি
খেয়ে ক্লান্ত হয়ে যায়।এমন সময়
কিশোর সুকান্ত শরীর বাকা করে পল্লী
কবিকে ফিসফিসিয়ে বলে টয়লেট
কোন দিকে।উত্তরে পল্লী কবি বলে,
,
ঐখানে মোর টয়লেটখানা বাশ
বাগানের ঝাড়ে
ভিতরে পানি না থাকলে শৌচকাজ,
করবি পুকুর পাড়ে!”
,
বেগ বেশি থাকায় সুকান্ত দৌড়ে
সেদিকে যায়।কাজ শেষ করে বিরক্ত
মুখে এসে তিনি পল্লী কবি কে বলে,
,
“মশার রাজ্যে শরীর রক্তাক্ত
তোমার টয়লেট যেন এক ঝলসানো
মৃত্যুফাঁদ!”
,
পাশেই যুবক নজরুল ছিলো। বৈদ্যুতিক
র্যাকেট নিয়ে তড়িৎ গতিতে বজ্র
কন্ঠে বলে উঠে,
,
“আমি সেইদিন হবো ক্ষান্ত
যবে মশাদের চৌদ্দ-গোষ্ঠী মেরে
টয়লেট করিব শান্ত!”
,
সুকান্তের সাথে তাল মিলিয়ে
চেয়ারে বসা জীবনানন্দ বিজ্ঞের মত
বলে উঠে,
,
“বিধ্বংসী মশাদের আমি দেখিয়াছি
তাই দেখিতে চাই না আর টয়লেটের
রুপ।”
,
হঠাৎ এমন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সবার মন
খারাপ হয়ে যায়।আড্ডা আর জমে না।
যাওয়ার জন্যে তাড়া দেয় সবাই।
যাওয়ার আগে বৃদ্ধ নির্মলেন্দু এসে
পল্লী কবিকে উপদেশের ভঙ্গিতে
বলে,
,
“আমি বলছি না আমাকে একটি
এসিওয়ালা টয়লেটই দিতে হবে
আমি চাই,কেও আমাকে মশামুক্ত একটি
টয়লেটের ব্যবস্থা করে দিক।”
,
সবার এমন মন্তব্যে পল্লী কবি
লজ্জিত,হতাশ।
শুনা যায় এহেন কর্মকান্ডের বিশদ
বিবরণ দিয়ে পূর্নেন্দু পত্রী নাকি তার
নন্দিনী কে একটা চিঠি লিখেছিলো
যার শেষ দিকের কথাগুলি ছিলো এমন,
“একটু আগে একটা জংলী মশা আমার
গালে কামড় দিলো যার অবস্থান
ছিলো পঁচা নর্দমায়।নন্দিনী, পারবে
কি তুমি সেই গালে একটা চুমু দিতে???”
,
পুরাটাই কল্পিত।

www.facebook.com/venus.vasper

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *