আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে

কদম ফুলের সঙ্গে আষাঢ়ের খুব ভাব। যদিও কদম ফুল আষাঢ়ের অপেক্ষায় ছিল না। বহু আগেই ফুটিয়েছে ফুল। তবুও যেনো কদমের হাত ধরেই বর্ষা এলো। বর্ষা এলো জারুল ফুলের মন মাতানো রঙে। কবি গুরুর ভাষায়- নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে। ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।আষাঢ় নিয়ে প্রীতি ছিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামেরও। আর তাইতো তিনি লিখেছিলেন, ‘আষাঢ়ে বাদল নামে নদী ভরভর/মাতিয়া ছুটিয়া চলে ধারা খরখর/দুই কুলে বনে বনে পড়ে যায় সাড়া/বর্ষার উৎসবে জেগে ওঠে পাড়া।এদিকে আষাঢ়ের প্রথম দিন সকালেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামে। যদিও বৃষ্টির দেখা মিলছে গত কয়েকদিন ধরেই। ফলে সহ্যের সীমায় আছে তাপমাত্রাও। তবে নগরের ব্যস্ত জীবনে আষাঢ় যেনো বেরসিক। কেননা, ঝম করে বৃষ্টি নামলেই পথচারীরা ইতিউতি করে খুঁড়ে বেড়ান ছাউনি। পথে ঘাটে দেখা যায় জলাবদ্ধতা। এছাড়াও যানবাহন সংকট তো আছেই।ষড়ঋতুর অন্যতম এই বর্ষা ঋতু যা বাংলাদেশের আবহাওয়া, পরিবেশ আর মনোজগতকে একেবারে বদলে দেয়। অধোর ধারায় বৃষ্টিস্নাত হয়ে সবুজ গাছগাছালিতে সুন্দর হয়ে ওঠে ধরিত্রী। তাই এই বর্ষা ঋতু নিয়ে কবি-সাহিত্যিকদের বন্দনা-বর্ণনার শেষ নেই যেন।আমরা আশা করব আষাঢ়ের স্নিগ্ধ বারি ধারায় আমাদের সকলের হৃদয় স্নাত হবে পুতপবিত্রতায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *