সেক্স মার্কেটিং

জগতের সবচেয়ে নোংরা কাজগুলার মাঝে একটার বর্ণনা করছি….
সেক্স শব্দটা মার্কেটিং এর সবচেয়ে জনপ্রিয় শব্দ।
অনেকেই সেক্স এন্ড দা সিটি ফিল্মটা দেখেছেন নিশ্চয়ই। ফিল্ম নেইম টা যা মিন করেছে তার কোন কিছুইই ফিল্মে নেই।জনপ্রিয় হবার মত কিছুও না।শুধু নামটাই জনপ্রিয় হবার মূল কারণ ছিল…
যাই হোক সেক্স নিয়ে এত্ত ঘাটাঘাটি না করে মূল প্রসঙ্গে আসি।
কুড়ি কিশলায়ের স্কুল থেকে একটা বিষয় অবজারভ করে আসছি… সামান্য পিঠা উৎসব থেকে সবচেয়ে বড় বড় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে কয়েকজন বিশেষ অতিথি রাখা হয়।
কোর্ট টাই পড়ে ফুল নিয়ে চেয়ারে বসবেন তারা। ফুল দেয়ার দায়িত্বটা কাকে দেয়া হয়..? স্কুল কলেজের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েটাকে। বেছে বেছে স্যার ম্যাডামরা সেটা বের করবে সরি শুধুই স্যাররা কারন। একটা বইয়ে পড়েছিলাম মেয়েদের চোখে নিজেকে আর বড় পরদার অভিনেত্রী বাদে সজাতের কাউকেই সুন্দর লাগে না।
এরা সাধারনতই সাদা কালারের মেয়ে গুলাকে বেছে নেয় আমি আবার ফোকাস করছি “সাদা কালার”
বাকি কালো শ্যামলা মেয়েগুলি বসে হাততালী দেয়।
মাস দুয়েক আগে একটা কলেজের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক আলোচনা সভায় চার মুক্তিযোদ্ধাকে ক্রেস্ট দেয়া হল সেখানেও দেখলাম সেইম কাজটা চলছে।

রিসেন্ট ২০-২৫ দিনের মাঝের একটা ঘটনা আমায় নাড়া দিল সেটা ছিল প্রধানমন্ত্রীর সাথে চীন মৈত্রীতে ডিনারের সুযোগ। সেখানে প্রায় সব ক্যান্টঃমেন্ট কলেজ থেকে ৫ টা করে মেয়েকে নেয়া হয়েছিল। সেখানেও সেইম ঘটনা।
এগুলার দ্বারা স্কুল কলেজ গুলা কি বোঝাতে চায়।তাদের প্রতিষ্ঠানে সুন্দরীতে ভরপুর!!!!!!!
এটাও কি তাইলে সেক্স ওয়ার্ড মার্কেটিং..??

আপনার চেয়ে মেধাবী ছাত্র ছাত্রীকে মঞ্চে নিয়ে ক্রেস্ট দেয়া হচ্ছে, ছবি তোলা হচ্ছে এক্ষেত্রে আপনি নিজের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করে নিজেকে দমাতে পারেন। কিন্তু ঐশ্বরিক কোন অসাধারণতা কে মাথায় তুলে নিয়ে অতি সাধারনের ইগোতে আঘাত করাটা ধর্ষনের চাইতে কম কিছুতে নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *