ঈশ্বরের ইন্টারভ্যু (পর্ব-১)

ঈশ্বর আমাকে বলিলেন, হে বকুলবাবু এ কি কাল আসিলো গো আমার বেল দিনদিন যে ফুরাইয়া যাইতেছে।ফলোয়ার কমিয়া যাইতেছে।কোনো বুদ্ধি বাতলায়া কি আমাকে এই সঙ্কট থেকে উদ্ধার করা যায় না?

আমি ঈশ্বরের দিকে একবার হাস্যমুখে চাহিলাম তারপর সিগারেটে একটা লম্বা টান দিয়া বলিলাম ওহে বাপু ওত থিঙ্কিত হওনের কি আছে হে?তুমি না থাকিয়াও বহু বছর বিরাজ করিয়াছ এই ধরার শ্রেষ্ঠ প্রাণের মস্তিষ্কে আরো কিছু বছর আরাম আয়েসে থাকো তারপর না হয় ফলোয়ার নিয়া চিন্তা কইরো।তাছাড়া দিনদিন মনুষ্যকুল তাদের বুর্বাক প্রজাতির সংখ্যা বাড়াইয়া যাইতেছে তাই ফলোয়ার নিয়া চিন্তা কইরো না।কারণ বিজ্ঞানের থেকে এনারা বুজরুকিতেই বেশি আস্থা পোষন করে।

ঈশ্বর বোধ হয় একটু স্বস্তি পাইলেন এবং আমার হাতের দিকে তাকাইলেন আমি সিগারেটটা তার দিকে দিতে তিনি তা আয়েশে টানতে আরম্ভ করিলেন ঠিক তখন আমি বলিলাম, আচ্ছা ঈশ্বরবাবু তুমি না থাকিয়াও কেমনে এ ধরার আনাচে কানাচে বিরাজ করো আমার খুবই ঈর্ষা হয়।আর মনে মনে ভাবি যদি তুমি সত্যিই থাকতে তাইলে কি হইতো?

ঈশ্বর বলিলেন ,বাল হইত।বহুপূর্বেই আমি এই ভোদাইগো জইন্য পটল আলু ঝিঙা তুলিয়া ফুটুশ হয়া যাইতাম।
কথাগুলো বিষন্ন শোনালো মনে হইলো তার একটু শান্তনা দেই কিন্তু সেখানেও সমস্যা কারন…

ঈশ্বর বলে কিছু নেই সব মায়া।

৩ thoughts on “ঈশ্বরের ইন্টারভ্যু (পর্ব-১)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *