দিনকাল (এক)

ঠিক শীত শীত লাগছে কিনা বুঝতে পারছিনা। শুনেছি শীতের প্রভাব বেশ। অসহনীয় ছিলো তা এক যুগ আগে তো হবেই। ইচ্ছে করেই অসহনীয় বানানো যাকে বলে।

বেলী ফুল দিয়ে পুকুরের অর্ধেক টা ভর্তি..সখ করে পুকুরের ধারে লাগিয়েছিলো গাছটা। ঝাপসা ভাবে ওকে আসতে দেখা যায়। পরনে হলুদ শাড়ী। হাসছে। কি জন্যে হাসছে কে জানে! অবশ্য ওর হাসির কারণ লাগেনা।আমি থাকলেই হাসে।

– কি দেখছো ওভাবে?
: দেখেছো? তুমি যেমন টা চেয়েছো সেভাবেই বেলী ফুল গুলো পানির উপরে ভাসছে।

-আমি যেভাবে চেয়েছিলাম,সেভাবে হয়নি। :তোমায় হলুদ শাড়ীতে মানিয়েছে বেশ!

– জানো? বাগানে লাগ গোলাপ গুলো ফোটেনি!
: ছাদের বাসব ফুল গুলোকে দেখেছো? কি রঙ লেগেছে!

– হুম। একদম কমলা। আ্যই তোমার চশমা কই?
: ভেঙে ফেলেছি আজ। ভাল্লাগেনা।

-আমারো ঐদিক টায় একা ঘুমোতে ভাল্লাগেনা..
: জানো? আজ না,আমার পাঞ্জাবীটায় তরকারির ঝোল ফেলেছি!

-কি যে করোনা তুমি! দাও আমি ধুয়ে দি! খোলো।

হাতে করে পাঞ্জাবীটা নিয়ে মেয়েটা পুকুরে নেমে গেলো। সে-ই বসে আছি কতোক্ষণ। ফেরার নাম নেই! ও কি বোঝেনা? এখন না শীত! আমার কি ঠান্ডা লাগেনা!

১ thought on “দিনকাল (এক)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *