আনন্দ, কোথায় তুমি?

আমাদের আনন্দ এতই ঠুনকো যে
প্রস্রাব করতে বসলে দিক পাল্টে
ঢুকে পরে মাটি ও গর্তের ফুটোয়-

খুঁজতে বেড় হয়ে দেখি বৃহস্পতিবার
ছ’বছর আগের রিজেন লেটারটা তখনো টাকার পাশে
সুতরাং সেই অফিসের হিসেব দিতে হবে;

তাতে কি? আনন্দ খুঁজতে থাকি মাটির গর্তে
হাত দেই-কনডম
হাত দেই-সিরিঞ্চ
হাত দেই-কঙ্কাল
আনন্দ পরে গেলে কি তিনটি জিনিস হয়?

২।
বলেছিলেন আনন্দ দেখতে সিঁড়ি চাই।
আমি ৫০০ বছরের সিঁড়ির সন্ধান জানি
ক্ষয়
জং
আঘাত
এখন তাকে পরিত্যাক্ত লোহা করেছে
সে জানে না, কত বেদনায় বিকেল নামে?
জেব্রা-ক্রসিংয়ে দাড়িয়ে খদ্দের ডাকলেও বিক্রি হয় না গরিবের শরীর

অতএব অনন্দ খুঁজতে চলুন
৫০০ বছরের সিঁড়িটার কথাই বলুন…
জীবদ্দশায় ৯১২৫০০০০ লোক শরীর বেয়ে উঠিয়েছে
কারণ
সিঁড়ি এবং নারী অপরকে উপরে তুলতে জানে
নিজে উঠতে পারে না!

৩।
হতাশ হয়ে চলুন ঘরে ফিরি….
ছোট ছোট খাদে আঙুল ঢুকাই
কারা যেন আঙুল কেটে নেয় গর্ত
আমাদের ধন-পণ-মানে শর্ত
পৃথিবীর কোন ছিদ্র বাকি থাকে না
আপনি এসে ধমক দিয়ে বলেন,
‘বোকাচোদা’
‘জ্বি দাদা’
‘নাম কি?’
‘রমজান’
‘পায়ুপথে হাত ঢুকান’
‘ক্যানো, ক্যানো?’
‘সিঁড়ি বেয়ে আনন্দ উপরে উঠেছে
৫০০ বছরে হলো; নামেনি এখনো।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *