মাইন্ড দ্যা গ্যাপ… লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ড ও কিছু টুকিটাকি…


মাইন্ড দ্যা গ্যাপ……..
বহুল পরিচিত একটি কথা। ‘মাইন্ড দ্যা গ্যাপ’ ফ্রেজটি ১৯৬৮ সালে পিটার লজ নামের একজন ‘বে-সোয়েটার’ কোম্পানীর পক্ষ থেকে প্রথম ব্যাবহার করেন। পিটার লজের কন্ঠই এখনও পর্যন্ত শোনানো হয় লন্ডনের ট্রেনগুলোতে। তবে, কিছু লাইনে ম্যানচেস্টার এর ভয়েস আর্টিস্ট এমা ক্লার্ক এর ভয়েস ইউজ করা হয়। সবচে উল্লেখযোগ্য হলো পিকাডেলি লাইন। বিখ্যাত তীরন্দাজ টিম বেন্টিক কন্ঠ দিয়েছেন। আশা করা দোষের কিছু হবে না, কোন লাইনে আপনার পছন্দের তারকার কন্ঠ শুনতে পাবেন হঠাৎ।

প্রথম টিউব দুর্ঘটনা ঘটে ওয়াটারলু এবং চেরিংক্রস এর মাঝামাঝি সিগন্যালে দুটি লাইনের দুটি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষের মাধ্যমে আহত হন ১২ জন যাত্রী।
লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডে বেশ কয়েকটি বাচ্চা প্রসবের ঘটনার মধ্যে এ পর্যন্ত সবচে শেষ ২০০৯ সালে একটি ছেলের জন্ম দেন একজন ইওরোপিয়ান।
এ পর্যন্ত ৫০ জন আত্মহত্যা করেছে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে।
‘আফটার দ্যা টিউব’ নামে এক ধরনের মশা আছে লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডে। এই মশার কারনে টিউব যাত্রীদের প্রায়ই ঘুম পায়। প্রায় হাফ এ মিলিয়ন ইঁদুর বসবাস ও জীবনধারন করে লন্ডন আন্ডারগ্রাঊন্ডে।
জুবিলি লাইন মূলত প্রতিটি লাইনের সাথে সংযোগ স্থাপনকারী একমাত্র লাইন।
প্রতিঘন্টায় £৫০০ (+ভ্যাট) দরে আপনি শুটিং করতে পারবেন লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডে। খুব বেশীমনে হচ্ছে? প্রতি মাসে প্রায় দু’শ শ্যুটিং রিকোয়েস্ট আসে এখানে তারপরেও।
ভ্রমণে ভিন্ন মাত্রা আনার জন্য ২০০১ এ কিছুদিনের জন্য ‘ম্যাডিলিন’ নামের একটা ফ্র্যাগ্রান্স বা সুগন্ধি ছিটানো হয়েছিলো ‘ইউস্টন’, ‘সেন্ট জেমস পার্ক’ ও ‘পিকাডেলি’ স্টেশনে। কিন্তু যাত্রীদের অনেকেই অসুস্থ্য অনুভব করেন বলে অভিযোগের পর তা বন্ধ করে দেয়া হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ড সবচে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর একটি ছিলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *