কেন মুহাম্মদকে নেতিবাচক বিশেষনে( লম্পট, ডাকাত, শিশুকামী ইত্যাদি) ডাকা উচিত ?

ধর্মপ্রান মুমিন মাত্রেই বিশ্বাস করে মুহাম্মদ হলো সত্যবাদী, ন্যায় পরায়ন ও দয়ার সাগর। এটা তারা জানে শৈশব থেকে তাদেরকে এভাবেই জানান হয়েছে। কখনও কোরান হাদিস পড়ে দেখে নি যে মুহাম্মদ আসলেই এরকম কি না। পক্ষান্তরে , তারা এও বিশ্বাস করে যে , মুহাম্মদকে নেতিবাচক বিশেষনে ডাকলে অর্থাৎ- লম্পট , কামুক , ডাকাত ইত্যাদি নামে ডাকলে, যে লোক এভাবে ডাকছে তার সীমাহীন ক্ষতি হয়ে যাবে এই দুনিয়াতেই। এই প্রচন্ড ভয়ই মূলত: মুহাম্মদকে আজও মহা প্রতাপে বাঁচিয়ে রেখেছে।মানুষের এই ভয় ভাঙ্গানোর জন্যেই মুহাম্মদকে তার আসল বিশেষনে ডাকা উচিত।

মুহাম্মদ কি লম্পট ও কামুক ছিলেন ?

আমরা জানি কোন লোক যদি একটার পর একটা বিয়ে করে , তাহলে তাকে সমাজে লম্পট হিসাবেই অভিহিত করা হয়। তবে কি না অতীতে সমাজে এই লাম্পট্যকেই বিশেষ গুন হিসাবে বিবেচনা করা হতো। অর্থাৎ কারও যদি বহু স্ত্রী থাকত , তাকে মনে করা হতো সম্মানীয় ব্যাক্তি। আমাদের নবীর কম পক্ষে ১৩ টা স্ত্রী ছিল। সুতরাং ৭ম শতাব্দির আরবের প্রেক্ষিতে তিনি এ জন্যে সম্মানীয় ব্যাক্তি হিসাবে বিবেচিত হলেও বর্তমান সমাজের প্রেক্ষিতে তিনি একজন লম্পট ছাড়া আর কিছু ? নিচের হাদিসগুলো দেখা যাক –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ৫ :: হাদিস ২৬৮
মুহাম্মদ ইব্ন বাশ্‌শার (র) ………. আনাস ইব্ন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) তাঁর স্ত্রীগণের কাছে দিনের বা রাতের কোন এক সময় পর্যায়ক্রমে মিলিত হতেন। তাঁরা ছিলেন এগারজন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আনাস (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি কি এত শক্তি রাখতেন? তিনি বললেন, আমরা পরস্পর বলাবলি করতাম যে, তাঁকে ত্রিশজনের শক্তি দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও আমরা জানি মুহম্মদের অনেক দাসী ছিল যাদের সাথে তিনি নিয়মিত যৌন সঙ্গম করতেন। আর মুহাম্মদ যে কতটা কামুক ছিলেন তার প্রমান নিচের হাদিস –

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩২৪০
আমর ইবন আলী (র)……জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত । রাসুলুল্লাহ (সা) এক মহিলাকে দেখলেন ও উত্তেজিত হয়ে পড়লেন । তখন তিনি তার স্ত্রী যায়নাব (রাঃ)-এর নিকট আসলেন । তিনি তখন তার একটি চাড়মা পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রাসুলুল্লাহ (সা) তার সাথে যৌন সংগম করে শান্ত হলেন । তারপর বের হয়ে সাহাবীদের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়তানের বেশে এবং ফিরে যায় শয়তানের বেশে । অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে । কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয় ।

মনে হচ্ছে মুহাম্মদ সব সময় উত্তেজিত থাকতেন। কারন রাস্তায় নারী দেখা মাত্র যাকে স্ত্রীর কাছে যেতে হয় যৌন সঙ্গমের জন্যে , তাও আবার তার সাথীদেরকে রাস্তায় দাড় করিয়ে , সেই লোক কতটা কামুক ছিলেন , তা বুঝতে বিরাট মনোবিজ্ঞানী হওয়ার দরকার নেই।

এ ছাড়া তিনি প্রতিটা মুমিনকে লম্পট হওয়ার বিধান দিয়ে গেছেন। অর্থাৎ যেমন ওস্তাদ , তেমন তার সাগরেদ হতে হবে। কোরানে বলা হয়েছে – একজন লোকের সামর্থ থাকলে সে চারটা বিয়ে করতে পারে ( সুরা নিসা -৪: ৩)। তার মানে প্রতিটা মুসলমানকে আদর্শ লম্পট হতে হবে। এই বিবেচনায় , বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হোসেইন মুহাম্মদ এরশাদ হলো সব চাইতে খাটি মুমিন , কারন সে অনেক গুলো বিয়ে করে মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরন করেছে।

অনেক মুমিনে বলতে চায়, অসহায় বিধবা নারীদেরকে বিয়ে করে মুহাম্মদ তাদেরকে মর্যাদা দিয়েছেন। সেই আরবের চারপাশে মুহাম্মদ ও তার বাহিনী যত্রতত্র হঠাৎ করে আক্রমন করতেন। মানুষ হত্যা করে তাদের স্ত্রীদেরকে বন্দি করতেন। আর তারপর যদি তিনি সেইসব স্ত্রীদেরকে বিয়ে করে আশ্রয় দিয়ে থাকেন , তাহলে তো দেখা যাচ্ছে – তিনি গরু মেরে জুতা দান করছেন। যেমন তিনি খায়বার আক্রমন করে ইহুদিদের সর্দার কিনানাকে নির্মমভাবে হত্যঅ করে তার স্ত্রী সাফিয়াকে বিয়ে করেন। যদি এই ধরনের বিয়ে তার মানবতার প্রতীক হয়, তাহলে বরং বলতে হবে , আরবের যত মানুষকে তিনি হত্যা করেছিলেন , তাদের সকলের স্ত্রীকে বিয়ে না করে বরং মহা অন্যায় করেছেন।

মুহাম্মদ কি ডাকাত ছিলেন ?

মুহাম্মদ ও তার দলবল মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছেন। সেখানে দরিদ্র মদিনাবাসীরা বেশীদিন মুহাম্মদ ও তার দলবলকে খাদ্য ও আশ্রয় দিতে পারছিল না। তখন মুহাম্মদ শুরু করেন মদিনার পাশ দিয়ে চলে যাওয়া বানিজ্য পথে বানিজ্য কাফেলায় আক্রমন , বনিক হত্যা ও তাদের মালামাল লুটপাট। এটা কি ডাকাতি নয় ? তাই যদি হয়, মুহাম্মদকে কেন ডাকাত বলা হবে না ?

একবার মুহাম্মদ তার ৮ জন সাহাবীকে মক্কা ও তায়েফের মাঝখানে নখলা নামক স্থানে বানিজ্য কাফেলা আক্রমন করে লুটপাট করে নিয়ে আসতে বলেন। তারা সেইমত একটা বানিজ্য কাফেলা আক্রমন করে , দুইজনকে হত্যা ও দুইজন বনিককে বন্দি করে আর তাদের মালামাল লুট করে মুহাম্মদের কাছে নিয়ে যায়। ঘটনাচক্রে সেই ডাকাতিটা ঘটেছিল তখনকার প্রচলিত নিষিদ্ধ মাসে। আর তখনই সেই ডাকাতিকে বৈধ করার জন্যে মুহাম্মদ নিচের আয়াত নাজিল করেন –

সুরা বাকারা -২: ২১৭: সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।

এই ডাকাতির ঘটনা বর্নিত আছে তাফসির ইবনে কাসিরে www.qtafsir.com
বাংলা তাফসির : http://www.quraneralo.com/tafsir/

এই যদি হয় অবস্থা , তাহলে মুহাম্মদকে কেন ডাকাত বলা যাবে না ?

মুহাম্মদ কি শিশুগামী ছিলেন ?

একথা আজকে সবাই জানে যে, ৫১ বছর বয়সী মুহাম্মদ ৬ বছর বয়সী আয়শাকে বিয়ে করেন , আর তার বয়স যখন ৫৪ আর আয়শার মাত্রই ৯ তখন সেই শিশু আয়শার সাথে মুহাম্মদ যৌন সঙ্গম করেন। আজকের সকল সভ্য দেশ তো বটেই এমন কি অনেক মুসলিম দেশের আইনের বিধান অনুযায়ী , মুহাম্মদ যদি আজকের দিনে এই কাজ করতেন , তাহলে তার উম্মতরাই তার কঠিন বিচার করে সারা জীবন জেলের ভাত খাওয়াত।

আজকেও কেন মুহাম্মদের এই শিশুগামিতার বিচার করা উচিত ?

কারন , উম্মতরা বিশ্বাস করে , মুহাম্মদ হলেন সকল যুগের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ আর তার আদর্শ অনুসরন করা হলো সকল মুমিনের জন্যে আবশ্যক। এখন মুহাম্মদ শিশুর সাথে যৌন সঙ্গম করেছেন , যদিও বিয়ে করেই , তার মানে প্রতিটা মুমিনের উচিত একটা করে শিশু বিয়ে করে , তার সাথে যৌন সঙ্গম তথা তাকে ধর্ষন করা। অথচ সেই মুমিনেরাই কিন্তু অধিকাংশ মুসলমান দেশে এই শিশু বিয়ে ও শিশুর সাথে যৌন সঙ্গম উভয়কেই কঠিন অপরাধ বলে বিবেচনা করে।
তো তাই যদি হয় , তাহলে কেন তারা মুহাম্মদের বিচার করে না ? কেন তারা মুহাম্মদকে শিশুগামীতার অপরাধে তার বিচার না করে , বরং তার নামে মুর্ছা যায় ?

সুতরাং , মুহাম্মদ সম্পর্কে আমাদেরকে যা জানান হয় , মুহাম্মদ আসলে সেরকম লোক ছিলেন না , কোরান হাদিসে মুহাম্মদ সম্পর্কে যা বলা হয়েছে মুহাম্মদ ছিলেন আসলে সেরকমই। আর তাতে দেখা যাচ্ছে মুহাম্মদ আসলে একটা লম্পট , ডাকাত ও শিশুগামী ছিলেন। এই মত অবস্থায় মুহাম্মদকে যদি আমরা লম্পট , ডাকাত বা শিশুগামী বলি , তাহলে আমাদের কিছুই হবে না। বরং সত্য জেনে আমরা প্রকৃত আলোর পথে এগিয়ে যাব।

১ thought on “কেন মুহাম্মদকে নেতিবাচক বিশেষনে( লম্পট, ডাকাত, শিশুকামী ইত্যাদি) ডাকা উচিত ?

  1. আপনার লেখাগুলি ভালই কিন্তু
    আপনার লেখাগুলি ভালই কিন্তু মনে হয় সম্পূর্ণ না। একটা অভিযোগ শুনলাম আপনার নামেঃ আপনার লেখাগুলি অনেকটাই আকাশ মালিক আর আবুল কাশেম সাহেবের লেখা থেকে কপি করা। এই অভিযোগ কি সত্যি? ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *