রাজশাহীতে ‘পীরকে’ গলা কেটে হত্যা-মানবজমিন

রাজশাহী তানোরের জুমারপাড়া থেকে শহিদুল্লাহ (৫৫) নামে এক ব্যক্তির জবাই করা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল নিহতের পুত্র রাসেল আহম্মেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে তানোর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণ, পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পবা উপজেলার নওহাটা পৌর এলাকার মহানন্দখালী গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের পুত্র শহিদুল্লাহ রাজবাড়ী জেলার গয়ালন্দ উপজেলার পীর ইমাম মেহেদী ওয়াকাফ স্টেট তরিকার (নুরু ফকির) মুরিদ ছিলেন। এছাড়া তারও অনেক ভক্ত রয়েছে। গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাড়ি থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর এলাকার গোলাবাড়ি গ্রামে ভক্তদের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হন। এরপর সন্ধ্যায় উপজেলার জুমাপাড়া আমবাগানে এলাকাবাসী তার জবাই করা লাশ পড়ে থাকতে দেখে। খবর পেয়ে পুলিশ ১০টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে তানোর থানায় নিয়ে আসে। লাশের পার্শ্ব থেকে পুলিশ একটি ট্রাভেল ব্যাগ ও ব্যাগের মধ্যে লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি, একটি চিঠি সাদা কাগজে মোড়ানো ২টি পান ও নোট বুক উদ্ধার করে। তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। হত্যার কারণ ও হত্যাকারীদের শনাক্ত করে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরো বলেন, গলার পেছনে কোপ ও সামনে থেকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় সময় তাদের বাড়িতে বিভিন্ন এলাকা থেকে তার ভক্তরা আসতেন এবং তিনিও মাঝেমধ্যে ভক্তদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। মামলার বিবরণে আরো বলা হয়েছে, পবা উপজেলার নওহাটা এলাকার মৃত আব্দুল মালেকের পুত্র শাজাহান ও পিয়ার আলীর সঙ্গে গত ১০ বছর ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।

মতি ভাই বলতে চাচ্ছেন পারিবারিক কাবনেই এই হত্যা এর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই । যেন আমাদের প্রিয় নবী পীর দেরকে সমর্থন করে গেছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *