কিছু তেতো কথার প্রলাপ-বিপর্যস্ত মগজের শেষ সম্বল

তেতো কথা।শুনতেই কেমন কিম্ভুত কিমাকার লাগে।জানিনা কি বলতে কি বলে বসবে!উগ্র নাস্তিকতার ছাপও তো ফেলে দিতে পারে এই পুঁচকে বেয়াদব।তো তাতে আপনার আমার কি এসে যায়!

ব্লগিংটা শুরু করেছিলা খেয়াল বশে।অত কিছু মাথা নিয়ে মাথা ঘামানোর ফুরসত কই!সব বাঘা বাঘা ব্লগার কমেন্ট করে পুরা নায়কত্বটাকেই ভেস্তে দিতেন।এতে কাজ হোতো।পরের লেখাগুলো বুঝে শুনে লিখতাম।অবশ্যই তাদের প্রতি শ্রদ্ধা তবে নতুন লেখকদের অর্থ্যাত পাঠক থেকে লেখক হওয়ার এক্সপেরিমেন্ট করছে তাকে যদি প্রথমেই নাকচ করে দ্যান তবে তার যে ছোট বয়সের ইয়া বড় ইগো।তাহাতে তা বিরাট মাপের ধাক্কা খায়।কেউ সামলে উঠে অবিকৃত মস্তিষ্ক নিয়ে লেখা শুরু করে নয়ত এক একটা আস্ত বোকাপাঁঠা তৈরী হয়।যাদের জন্য ব্লগেও দেখি খুব একটা কারো ইন্টারেস্ত নাই।কেন নাই তার ম্যালা কারণ আছে সব একেবারে বলতে গেলে হয়তো খেই হারিয়ে অন্য দিকে চলে যাবো।তখন কমেন্ট করবেন আপনি আমার লেখা পড়ে হাতিভম্ব/জাতিভম্ব হয়ে গেছেন।তাতো তো এই পাকনা করতে দেবেনা।

ইস্টিশনের দুই নম্বর পিন পোস্টটা আমি দেখেছি।আমি যদিও পোস্টটা প্রথম সুষুপ্ত পাঠকের স্ট্যাটাসে পরে সিলেট টুডেতে দেখি।দেখে কোনোভাবেই মনে হয়না সেখানে উপরের যে কথা গুলো বা দাবিগুলো নিয়ে মাথা ঘামচ্ছেন।তারা তাদের ব্র্যান্ডিং নিয়ে ঠিকঠাক।যেমন নিচে কিছু ব্লগারের নাম দেখলাম।সবার নাম আইডি পারলে যতগুলো ফেইক আছে সেগুলোও দিয়ে দ্যান।ব্লগে আমরাও লেখি কিছু মানুষ।যারা ওই কাতুকুতু দেওয়া পশট লিখি না অনেককাল।সেগুলো ফেইবুকি লেখা হয়।আবার সেখানেও সমস্যা লেখার সাইজ বড় হলেই তাদের চাঁদিতে উঠে যায় ওইসব।তা কি আর করা ব্লগেই লেখা আবার।

কিন্তু লিখেই বা কি হবে।ব্লগারের নামে মুক্তচেতনা ধারীর নামে যা ভন্ডামি শুরু হয়েছে।এত্ত ব্লগ আর লিস্ট ওইটুকু!!সন্দেহ হয়! সন্দেহ হয়!

আচ্ছা সে কথা থাক,কে কি তা প্রমান করার জন্যই তো ভুলভাল পোস্ট বা প্রতিষ্ঠিত অর্থ্যাত বিদেশে পলায়ঙ্কারী বা দেশ সুখে সাচ্ছন্দে লেপের তলায় বিপ্লবকারীরা সব জায়গা দখল করে নিয়েছে।নেবেই এটাই নিয়ম।ছারপোকা গুলোকেও তো বাঁচতে হবে।ওরাও তো মানুষ নাকি?

কিভাবে কিভাবে জানি দেশে খুন খারাপির তান্ডব চলছে।ইস্যু আসছে।কয়দিন মাতছে তারপর যেই কি সেই।যাই ই হোক দিন শেষে তামিল ইকবাল চার।তবে ওসব বাদ দিয়ে শুধু একটা কথাই বলবো,গণ জাগরণ মঞ্চ=ইমরান এইচ সরকার এই ক্যালকুলেশন করে দেশের সকল নামি দামই পত্রিকা সেটাকে কভার দিচ্ছে?কি ব্যাপার?এখন নিউজ হলে ইমরানের স্পিচ থাকে।সেটা এখন আর সক্লের কথা নেই।ইমরান এখন হ্যাডম!কিন্তু এক সময় তার অনলাইন এক্টিভিটি নিয়ে ভালো রকম তর্কাতর্কি চলেছি।তো যা ই হোক তিনি আজকের নায়ক।ভবিতব্যের প্রপবাদ পুরুষ!

অনেক বাতেলা হোলো এবার আসল কথায় আসি,সম্মানীত সুধীগণ,আমাদের ব্যাবাক নাস্তিকগণ দেশে দিন দিন যে পরিমাণ ফাতরামি চলছে তা বাদ দিয়ে লাইক কমেন্টের পপুলারিটির আশায় আজ যারা শুধুই মাইথোলজিক্যাল বুল শিট নিয়ে লিখে চলেন একটার পর একটা তখন বুঝি।ধর্মটাকে আর কারা পুঁজি বানিয়েছে।কিভাবে সেই প্রক্রিয়ায়ই তো দেশকে মুসল্মানিত্ব দেওয়া হইলো।কেউ রাজপথে নামিলোনা।আর বিদ্যাসাগর বিবাহ প্রথা চালু করে নিজের ছেলেকেই প্রথম বলি দিলেন!ইহাও ইতিহাস।

আচ্ছা যাউক গা।টেনশন নাই।আমার মত লোকজন ছাপছাড়া তলোয়ার তো।সবেতেই নিশানা করে।এসব মাইন্ডে নেওয়ার দরকার নাই।ভাবারও দরকার নাই।দালালি,চাটাচাটি,ফটকাবাজি সবই চলতে থাকুক।নইলে এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে কারা?
তোমরা যারা জাফর ইকবাল করো?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *