আয়াতের প্রেক্ষাপট নয়,বিষয় বস্তু জানুন

কোরানের কোনো বিতর্কিত আয়াতে আলোকপাত করে তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেই মমিনরা একসুরে বলেন
“আগে উক্ত আয়াতের প্রেক্ষাপট জানা লাগবে”
স্বাভাবিক চিন্তাভাবনায় মুমিনদের এই উক্তি যেমন ভিত্তিহীন তেমনই হাস্যকর।কারন ১৪০০ বছরের বেশি পুরোনো কিছু লোকোকাহিনী গোদা বাংলায় গালগল্প আজকের একবিংশ শতাব্দির প্রেক্ষাপটে বিচার করাটাই ভিত্তিহীনতা ও একই সাথে মুর্খামি।ঠিক না ভুলের সিদ্ধান্তে এসে এইসব গালগল্পকে নিজের ধর্ম এবং মাঝে মাঝে চাপাতি AK-47 হাতে নিয়ে কর্মে পরিনত করাটাকে ছাগলামি ছারা আর কি বলা যায়।
মুমিনরা একদিকে বলে কোরান জীবনযাপনের চাবিকাটি,প্রত্যেক মানুষেরই উচিত কোরানের আলোকে নিজের জীবন ও চরিত্র গঠন করা।
অর্থাৎ জীবনের সর্বত্র কোরান ও নবীকে অনুসরন করা।
কিন্তু যখন কোনো আয়াতের গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে তখন তারা ভোল পাল্টিয়ে বলে
“এই আয়াত নাজিল হয় হেনো সালে তেনো যুদ্ধে ফলনা গোত্রের ষড়যন্ত্র থেকে পেয়ারের নবীকে উদ্ধারের জন্যে।”
যদি তাই হয় তাহলে প্রশ্ন উঠে কোরান মানব জাতির স্বার্থে রচিত নাকি মহাম্মদ ও তার দস্যুবাহিনীর স্বার্থে রচিত??কারন ইসলামের ইতিহাসে যুদ্ধ হানাহানি গনিমতের মাল আর যৌনদাসি ছারা তো আর কিছুই নাই।নবী ও তার গনিমতের মাল লোভি কীটদের ভোগের খাতিরেই কোরানের ৯৯% নাজিল হয়েছে। উদাহরন স্বরুপ নবী কর্তৃক নিজ পুত্রবধু যয়নবকে বিবাহ নামক অযাচারকে হালাল করার জন্য এল্লাহ কর্তৃক সওগাত স্বরুপ আয়াত প্রেরন কারই বা অজানা।

কোরানের একটা আয়াত লক্ষ করুন
সুরা আন নিসা-৮৯
তারা যে চায়, তারা যেমন কাফের তোমাও তেমনি কাফের হয়ে যাও,যাতে তোমরা ও তারা সমান সমান হয়ে যাও।অতএব তাদের কাওকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করো না,যতক্ষন না তারা হিজরত করে আল্লাহর পথে চলে আসে ।অতপর তারা যদি বিমুখ হয়,তাহলে তাদের পাকরও কর এবং হত্যা কর যেখানে পাও সেখানে ।তাদের মধ্যে কাওকে বন্ধুরুপে গ্রহন করো না ,সাহায্যকারি বানিও না।

আপনি এই আয়াতের আগের দশটা আয়াত বা পরের দশটা আয়াত অথবা ইচ্ছা থাকলে পুরো কোরানটাই সাথে হাদিস নিয়ে পড়ে দেখতে পারেন “কোথাও পাবেননা যে নবীর মৃত্যুর পর এইসব কাফের মুশরিক মারার উস্কানি আর ফর্মুলা প্রয়োগ করে তাদের হত্যা করা যাবেনা। অর্থাৎ নবীর মৃত্যুর পরও সম্ভবত আখেররাত অবদি হত্যাকান্ড চালিয়ে যাওয়াকে গ্রিন সিগনাল দেওয়া হল।
কিন্তু তবুও ইসলাম শান্তির ধর্ম।আমাদের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী সাহেবা এই শান্তির ধর্মের প্রচারক মানসিক বিকারে ভোগা যৌন উন্মাদের আদর্শেই দেশ চালাতে চান।
তা বেশ দেশটাতো আপনার বাপের সম্পত্তি তাই যেমন খুশি তেমন চালান।
তবে বলিকি ম্যডাম এই শান্তি সেই শান্তি না এই শান্তি শ্বসানের শান্তি……

২ thoughts on “আয়াতের প্রেক্ষাপট নয়,বিষয় বস্তু জানুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *