আমাদের নবী মুহাম্মদ ছিলেন যৌনকাজে সুপারম্যান

ইহুদি, নাসারা, কাফির, নাস্তিকরা সারাক্ষন আমাদের নবী মুহাম্মদের গীবত করে। কারনটাও বোধগম্য। কারন তারা আমাদের নবীর প্রতি ঈর্ষান্বিত। আমাদের নবী ছিলেন আসলে একজন মহামানব ও সুপার ম্যান। বিশেষ করে যৌনকর্মে তার ছিল সীমাহীন ক্ষমতা, দক্ষতা ও রুচি। নাসারাদের যীশু ছিল আসলে নপুংশক, তাই তার কোন স্ত্রী ছিল না , পক্ষান্তরে আমাদের নবী মুহাম্মদের ছিল ডজনের ওপর স্ত্রী ছাড়াও দাসী, আর তাদের সকলের সাথে একরাতেই যৌন সঙ্গম করতেন। আরও ছিল বৃদ্ধা স্ত্রী থেকে শুরু করে ৬ বছরের স্ত্রী। যা তার রুচির পরিচায়ক।

আমাদের নবী যৌন কাজে সুপারম্যান হওয়ায় , আল্লাহ তার প্রতি বিশেষ দয়া দেখায় , আর নিচের আয়াত পাঠিয়ে দেয় , নবীর যৌন কাজে সুবিধার জন্যে –

সুরা আহযাব- ৩৩: ৫০:———- কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

অর্থাৎ মুহাম্মদ যত ইচ্ছা তত বিয়ে করতে পারবেন। যেহেতু একের পর এক বিয়ে করাতে মদিনার ইহুদি নাসারা তো বটেই এমন কি পৌত্তলিকরাও বলাবলি করছিল – এ আবার কেমন তরো নবী যে নারী লিপ্সু আর একের পর এক বিয়ে করে ? ঠিক তখনই তাদের মুখ বন্দ করার জন্যে মুহাম্মদ উক্ত আয়াত নাজিল করেন। আর আল্লাহও মুহাম্মদের এই যৌন প্রীতির কথা জেনে মুহাম্মদের প্রতি বিশেষ করুনা বর্ষন করে। আর মুহাম্মদের যৌন ক্ষমতার কথা জানা যায় নিচের হাদিসে –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ৫ :: হাদিস ২৬৮:
মুহাম্মদ ইব্ন বাশ্‌শার (র) ………. আনাস ইব্ন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) তাঁর স্ত্রীগণের কাছে দিনের বা রাতের কোন এক সময় পর্যায়ক্রমে মিলিত হতেন। তাঁরা ছিলেন এগারজন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আনাস (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি কি এত শক্তি রাখতেন? তিনি বললেন, আমরা পরস্পর বলাবলি করতাম যে, তাঁকে ত্রিশজনের শক্তি দেওয়া হয়েছে।

উক্ত হাদিসে বলছে , দিন রাতে মুহাম্মদ মোট এগার জন স্ত্রীর সাথে যৌনকাজ করতেন। সারা দুনিয়ায় এত যৌন ক্ষমতা তার আগে কারও ছিল না , ভবিষ্যতেও হবে না। পর পর ১১ জন স্ত্রীর সাথে যৌনকাজ করা তাও আবার নিয়মিতভাবে , এটা এক অতি মানবীয় কাজ। অবশ্য তিনি আরও বেশী স্ত্রীর সাথেও করতে পারতেন , কারন তার ক্ষমতা ছিল পর পর ত্রিশ নারীর সাথে যৌন সঙ্গমের। তিনি সব সময়ই যৌনভাবে উত্তেজিত থাকতেন আর তাই রাস্তা ঘাটে কোন নারী দেখলেই তিনি আসলে উত্তেজিত হয়ে কোন এক স্ত্রীর কাছে দৌড়ে গিয়ে যৌনকাজ করতেন। সেটা বলা আছে নিচের হাদিসে –

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩২৪০
আমর ইবন আলী (র)……জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত । রাসুলুল্লাহ (সা) এক মহিলাকে দেখলেন । তখন তিনি তার স্ত্রী যায়নাব (রাঃ)-এর নিকট আসলেন । তিনি তখন তার একটি চাড়মা পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রাসুলুল্লাহ (সা) তার সাথে যৌন সঙ্গম করলেন। তারপর বের হয়ে সাহাবীদের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়তানের বেশে এবং ফিরে যায় শয়তানের বেশে । অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে । কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয় ।

এ ছাড়া আমাদের প্রিয় নবীর ক্ষমতা ছিল শিশু মেয়েদের সাথে যৌনকাজ করার। তিনি ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করেন। তারপর তার যখন বয়স ৫৪ আর আয়েশার ৯ বছর , তখন তার সাথে অতি দক্ষতার সাথে যৌনকাজ করেন। যৌনকাজে অতিমানবীয় দক্ষতা ছাড়া একজন প্রৌড় বয়েসের লোকের পক্ষে একটা শিশুর সাথে যৌনকাজ করা সম্ভব নয়। কারন ৯ বছর বয়েসের কোন শিশু মেয়ে দৈহিক বা মানসিক কোনভাবেই যৌনকাজের উপযুক্ত নয়। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের নবী মুহাম্মদ সেটাও করতে সক্ষম ছিলেন , সেটা দেখা যায় নিচের হাদিসে-

সুনান আবু দাউদ :: বিবাহ অধ্যায় ১২, হাদিস ২১২১
সুলায়মান ইবন হারব –আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ( আমার পিতা) আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) – এর সাথে যখন বিবাহ দেন, তখন আমি মাত্র সাত বছর বয়সের কন্যা ছিলাম। রাবী সুলায়মান বলেন, অথবা ছয় বছর বয়সের কন্যা ছিলাম। আর তিনি আমার সাথে সহবাস করেন, আমার নয় বছর বয়সের সময়ে।

দুনিয়ায় এমন কোন প্রৌড় লোক আছে যে মাত্র ৯ বছরের একটা শিশুর সাথে এভাবে যৌন সংগম করতে পারে ? যদি করেও তাহলে সেটা হবে ধর্ষন। স্বাভাবিক যৌন সঙ্গম হবে না কিছুতেই ।

মূলত: এইসব অতি মানবিয় গুনাবলির জন্যেই ইহুদি নাসারা কাফের নাস্তিক এরা সবাই আমাদের মহামানব নবী মুহাম্মদকে নিয়ে ঈর্ষা করে আর তার সম্পর্কে নানা রকম আজে বাজে মন্তব্য করে।

১ thought on “আমাদের নবী মুহাম্মদ ছিলেন যৌনকাজে সুপারম্যান

  1. তিনি ছিলেন মহানবী। নি:সন্দেহে
    তিনি ছিলেন মহানবী। নি:সন্দেহে তিনি মহাশিশ্নের অধিকারী ছিলেন, আলহামদুলিল্যাহ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *