বিজ্ঞানের অল্প জ্ঞান আপনাকে কাফের বানাবে, আর বিজ্ঞানের গভীর জ্ঞান আপনাকে ধার্মিক বানাবে

একজন মুসলিম ও একজন নাস্তিকের মধ্যে কথোপকথন:

মুসলিম: চাদের আলো কী?

নাস্তিক: আমরা কিছুদিন আগে জেনেছে চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। এখন জানা গেছে চাদের আলো প্রতিফলিত আলো…

মুসলিম: সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে। কে বলতে পারবে এটা?

নাস্তিক: সত্যি নাকি (হা হা হা)

মুসলিম: সূর্য আর চাদ কি স্থির?

নাস্তিক: এই তো দুশো বছর আগে জেনেছে চন্দ্র এবং সূর্য কক্ষ পথে ভেসে চলে… কেন কি হয়েছে?

মুসলিম: সূরা আম্বিয়া ৩৩ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে। কিভাবে এটা জানলো?

নাস্তিক: ওইতো কিছু কিছু জিনিস মিলে যায়, এ আবার তেমন কী?

মুসলিম: আমরা আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে কবে থেকে অপরাধী শনাক্ত সহ অনেক কাজ করে আসছি?

নাস্তিক: (কী না কী বলবে ভেবে ঘাবরে গেল)

মুসলিম: কোরআন এই মূল্যবান তথ্যটি সূরা কিয়ামাহ’র ৩ ও ৪ নং আয়াতে ১৪০০ বছর আগেই জানানো হয়েছে; মানুষের আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে মানুষকে আলাদা ভাবে সনাক্ত করা সম্ভব। যা আজ প্রমাণিত।

নাস্তিক: হতে পারে আপনাদের নবীজি খুব চালাক ছিলেন…

মুসলিম: পৃথিবী সৃষ্টি হয় কিভাবে?

নাস্তিক: বর্তমান সায়েন্স বলে যে, প্রথমে আকাশ আর জমিন এক ছিল, তার পর আলাদা হয়ে গেল। এটাকে বিগ ব্যাং বলা হয়।

মুসলিম: ‘ বিগ ব্যাং’ থিওরি আবিষ্কার হয় মাত্র চল্লিশ বছর আগে। সূরা আম্বিয়া ৩০ নং আয়াত এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

নাস্তিক: আপনি কি বানিয়ে বানিয়ে বলছেন?

মুসলিম: দরকার হলে চেক করতে পারেন!!!

নাস্তিক: ওকে, দাড়ান…

মুসলিম: পানি চক্রের কথা বিজ্ঞান জেনেছে বেশি দিন হয় নি… সূরা যুমার ২১ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

নাস্তিক: (এইবার অবাক)

মুসলিম: বিজ্ঞান এই সেদিন জেনেছে লবণাক্ত পানি ও মিষ্টি পানি একসাথে মিশ্রিত হয় না। সূরা ফুরকানের ২৫ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।

নাস্তিক: (মাথা চুলকাচ্ছে)

মুসলিম: ইসলাম আমাদেরকে ডান দিকে ফিরে ঘুমাতে উৎসাহিত করেছে; বিজ্ঞান এখন বলছে ডান দিকে ফিরে ঘুমালে হার্ট সব থেকে ভাল থাকে।

নাস্তিক: (চুপ)

মুসলিম: বিজ্ঞান এখন আমাদের জানাচ্ছে পিপীলিকা মৃত দেহ কবর দেয়, এদের বাজার পদ্ধতি আছে। কুরআনের সূরা নামল এর ১৭ ও ১৮ নং আয়াতে এই বিষয়ে ধারণা দেয়।

নাস্তিক: (চুপ)

মুসলিম: ইসলাম মদ পানকে হারাম করেছে , চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মদ পান লিভারের জন্য ক্ষতিকর।

নাস্তিক: (চুপ)

মুসলিম: ইসলাম শুকরের মাংসকে হারাম করেছে। বিজ্ঞান আজ বলছে শুকরের মাংস লিভার, হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

নাস্তিক: (চিন্তায় পড়ে গেল)

মুসলিম: রক্ত পরিসঞ্চালন এবং দুগ্ধ উৎপাদন এর ব্যাপারে আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞান জেনেছে মাত্র কয়েক বছর আগে। সূরা মুমিনূনের ২১ নং আয়াতে কুরআন এই বিষয়ে বর্ণনা করে গেছে।

নাস্তিক: (চিন্তায় পড়ে গেছে)

মুসলিম: মানুষের জন্ম তত্ব ভ্রুন তত্ব সম্পর্কে বিজ্ঞান জেনেছে এই কদিন আগে। সূরা আলাকে কুরআন এই বিষয়ে জানিয়ে গেছে ১৪০০ বছর আগে।

নাস্তিক: (গভীর চিন্তায়)

মুসলিম: ভ্রন তত্ব নিয়ে বিজ্ঞান আজ জেনেছে পুরুষই ( শিশু ছেলে হবে কিনা মেয়ে হবে) তা নির্ধারণ করে। কুরআন এই কথা জানিয়েছে ১৪০০ বছর আগে। ( সূরা নজমের ৪৫, ৪৬ নং আয়াত, সূরা কিয়ামাহ’র ৩৭- ৩৯ নং আয়াত)

নাস্তিক: (ধাক্কা খেল)

মুসলিম: একটি শিশু যখন গর্ভে থাকে তখন সে আগে কানে শোনার যোগ্যতা পায় তারপর পায় চোখে দেখার। ভাবা যায়? ১৪০০ বছর আগের এক পৃথিবী ভ্রুনের বেড়ে ওঠার স্তর গুলো নিয়ে কুরআন বিস্তর আলোচনা করে। যা আজ প্রমাণিত ! ( সূরা সাজদাহ আয়াত নং ৯ , ৭৬ এবং সূরা ইনসান আয়াত নং ২ )

নাস্তিক: (বোবা হয়ে গেছে)

মুসলিম: পৃথিবী দেখতে কেমন? এক সময় মানুষ মনে করত পৃথিবী লম্বাটে, কেউ ভাবত পৃথিবী চ্যাপ্টা , সমান্তরাল… কোরআন ১৪০০ বছর আগে জানিয়ে গেছে পৃথিবী দেখতে অনেকটা উট পাখির ডিমের মত গোলাকার।

নাস্তিক: (চোখ খুলে হয়ে গেল)

মুসলিম: পৃথিবীতে রাত এবং দিন বাড়া এবং কমার রহস্য মানুষ জেনেছে দুশ বছর আগে। সূরা লুকমানের ২৯ নং আয়াতে কুরআন এই কথা জানিয়ে গেছে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে !! কে বলতে পারবে এসব? কে?

নাস্তিক: (এবার ফেসে গেল একং স্বীকার করতে বাধ্য হলো) স্রষ্টা। যিনি কোরআন নাজিল করেছেন। যিনি আমাদের রব।

সব শেষে
ফ্রান্সিস ব্যাকেন বলেছেন, “বিজ্ঞানের অল্প জ্ঞান আপনাকে কাফের বানাবে, আর বিজ্ঞানের গভীর জ্ঞান আপনাকে ধার্মিক বানাবে”

৫ thoughts on “বিজ্ঞানের অল্প জ্ঞান আপনাকে কাফের বানাবে, আর বিজ্ঞানের গভীর জ্ঞান আপনাকে ধার্মিক বানাবে

  1. সুরা ফুরকান-২৫:৬১: কল্যাণময়
    সুরা ফুরকান-২৫:৬১: কল্যাণময় তিনি, যিনি নভোমন্ডলে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে রেখেছেন সূর্য ও দীপ্তিময় চন্দ্র।

    রাতের বেলায় চাঁদ দেখতে কি দিপ্তীময় নয় ? এই সাদামাটা বক্তব্য থেকে এত বিশাল আবিস্কার , ভাবা যায় ?

    সূরা আম্বিয়া- ২১: ৩৩: তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।

    দিনের বেলায় দেখি সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়, সন্ধ্যার আগে পশ্চিম দিকে অস্ত যায়, তার মানে সূর্য তার অক্ষপথে চলাচল করে। রাতের চাঁদের ক্ষেত্রেও আমরা তার উদয় ও অস্ত দেখি , তার মানে চাঁদও তার কক্ষপথে চলাচল করে। হুম , মুহাম্মদই সর্বপ্রথম সূর্য ও চাঁদের এই উদয় অস্ত দেখেছিলেন , তাই আজকে আমরা এত কিছু জানতে পারছি। না হলে আমাদের যে কি হতো !

    কিয়ামাহ- ৭৫: ৩-৪: মানুষ কি মনে করে যে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করব না?পরন্ত আমি তার অংগুলিগুলো পর্যন্ত সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে সক্ষম।

    এর থেকে ফিংগার প্রিন্ট ? হুম আসলেই মুহাম্মদ সর্বশ্রেষ্ট মহাবিজ্ঞানী ছিলেন।

    সুরা আম্বিয়া- ২১: ৩০: কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?

    তার মানে মহাবিশ্ব সৃষ্টির সাথে সাথেই পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছিল বাকী সাত আসমানের সাথেই। কিন্তু বিজ্ঞানীরা যে বলে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছিল ৪৫০ কোটি বছর আগে আর মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছিল ১৫০০ কোটি বছর আগে ? এই ইহুদি নাসারা বিজ্ঞানীরা এতদিন আমাদেরকে ভুল শিক্ষা দিয়েছে। এই শালারা কাফের , আমাদের ইমান নষ্ট করতে চায় !

    ফ্রান্সিস ব্যাকেন বলেছেন, “বিজ্ঞানের অল্প জ্ঞান আপনাকে কাফের বানাবে, আর বিজ্ঞানের গভীর জ্ঞান আপনাকে ধার্মিক বানাবে”

    এই বেটা ফ্রান্সিস বেকনের জন্ম মধ্যযুগে ( https://en.wikipedia.org/wiki/Francis_Bacon),আর তখন আজকের বিজ্ঞানের প্রায় তেমন কিছুই আবিস্কৃত হয় নি। কিন্তু তাতে কি , এই বেকন তখনই ভবিষ্যতের সব বিজ্ঞান মনে মনে জেনে বসে এমন মন্তব্য যখন করেছে , তখন সেটা সত্যি না হয়ে উপায় আছে ?

  2. ভাইজান কি মস্করা করলেন? লেখা
    ভাইজান কি মস্করা করলেন? লেখা পইরা মনে হইতেছে, কোরান ঠিকমতো পড়েন নাই। বিজ্ঞান তো পড়েন নাই ই নাই। এমনকি যার কথা কোট করছেন, তারেও পড়েন নাই। বিজ্ঞান কিছুটা পড়ছেন, খাবলায়া খাবলায়া। যুক্তি তে প্রচুর পোলাপাইন্যা ভুল। নতুন নতুন মুসলমানি করাইলে, এইরকম প্রচুর বিজ্ঞান কোরানে পাওয়া যায়। আপনার জন্য পরামর্শ, মরিস বুকাইলি বাদ দিয়া, আসলেই কোরান পড়েন, কিছুটা বিজ্ঞান নিজে মন দিয়া পড়েন। আর অবশ্যই ইন্টার লেভেলের একটা যুক্তিবিদ্যার বই পড়বেন। কাজে দেবে। আপনার জন্য শুভ কামনা।

    ধন্যবাদ।

  3. আবু যর বর্ণিত- তিনি বলেন একদা
    আবু যর বর্ণিত- তিনি বলেন একদা সূর্য অস্তমিত হইলে হুযুর আমাকে বলিলেন, তুমি কি জান সূর্য কোথায় গমন করে ? আমি বলিলাম, আল্লাহ আর রসুলই ভাল জানেন। তিনি বলিলেন- উহা যাইতে যাইতে আরশের নীচে পৌছিয়া আল্লাকে সিজদা করতে থাকে, তারপর পূনরায় উদিত হইবার অনুমতি চায় এবং তাহাকে অনুমতি দেওয়া হয়। অচিরেই এক দিন আসিবে যখন সে সিজদা করিবে কিন্তু তাহা গৃহীত হইবে না, সে যথারীতি উদিত হইবার অনুমতি চাহিবে কিন্তু তাহাকে অনুমতি দেওয়া হইবে না। তাহাকে বলা হইবে যে পথে আসিয়াছ সেই পথেই ফিরিয়া যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হইতেই উদিত হইবে। ইহাই হইল আল্লাহতায়ালার এই বানীর মর্ম এবং সূর্য তাহার নির্ধারিত কক্ষ পথে পরিভ্রমন করে, উহাই সর্ব শক্তিমান মহাজ্ঞানী আল্লাহর নির্ধারিত বিধাণ কোরান,৩৬:৩৮)। সহি বুখারি, বই-৫৪, হাদিস-৪২১

    আমি পৃথিবীতে ভারী বোঝা (পাহাড়-পর্বত)রেখে দিয়েছি যাতে তাদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে এবং তাতে প্রশস্ত পথ রেখেছি, যাতে তারা পথ প্রাপ্ত হয়। কোরান, ২১:৩১

    একটা সমতল আধার যদি শূন্য স্থানে থাকে তাহলে তা কাত চিৎ হয়ে যেতে পারে , এর ফলে আধারের উপরে যে সব জিনিস পত্র আছে তা সব পড়ে যাবে। পৃথিবী যেহেতু সেরকমই একটি সমতল আধার আর আমরা মানুষরা সমতলের উপরে থাকি তাই পৃথিবী নামক এ সমতল আধারটি কাত চিত হলে আমরা গড়িয়ে পড়ে যেতে পারি, তাই পৃথিবীর ওপর আল্লাহ দয়া করে পাহাড় পর্বত রেখে পৃথিবীকে চাপা দিয়ে রেখেছে যাতে তা এদিক ওদিক ঝুকে ( কাত ) হয়ে না পড়ে আর এর ফলে আমরা গড়িয়ে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাচ্ছি। বিষয়টাকে আরও পরিষ্কার করার জন্য আল্লাহ বলছে-

    আমি কি করিনি ভূমিকে বিছানা , এবং পর্বতমালাকে পেরেক? কোরান, ৭৮:৬-৭
    আমি ভূমিকে বিছিয়েছি। আমি কত সুন্দরভাবেই না বিছাতে সক্ষম।কোরান, ৫১:৪৮

  4. ভাই, খুব সুন্দর আর্টিকেল। বেশ
    ভাই, খুব সুন্দর আর্টিকেল। বেশ একটা জোশ চলে আসে। মন প্রফুল্ল করে দেয় একদম; ‘কুরআনেই আছে বিজ্ঞ্যান’, এই সত্য প্রতিষ্ঠা করে দেয় বরাবরের মতন। কিন্তু ছোট একটা খটকা আছে ভাইজান, তা হলঃ

    এই যে এত কুরআন এ ১৪০০ বছর আগে বলা হয়েছিল, সেগুলো তো খুঁজে পাওয়া যায় বিজ্ঞান কোন কিছু আবিষ্কার করার পরে, তাই না? মানে বিজ্ঞানকে আগে প্রমান করে বার করতে হবে, তারপর ‘কুরানিক বৈজ্ঞানিক’ গন কুরআন খুঁজে বের করবেন যে কোথায় কোথায় মিল পাওয়া যায়, কোন আয়াত এ সূত্র আছে, এইসব … ঠিক না ভাইজান?

    একটা উদাহরন যদি দেখাতে পারতেন ভাইজান যেখানে কুরআন কে অনুসরন করে বিজ্ঞ্রনীরা কিছু বের করে ফেলতে পারছেন, তাহলে বেশ ভালো হত। তাহলে অন্যান্য বিজ্ঞ্রানীরাও এই পথ অনুসরন করতে পারতেন !! ইহুদী নাসারাদের মুখ বন্ধ করে দেওয়া যেত তাহলে। এটা কিন্তু খুবই সম্ভব, তাই না?

    ———————————–

    একটা অফ টপিকঃ এক কাফির কবি ছিল, নাম শুনেছেন কিনা জানিনা … তার নাম হইল ‘রবীন্দ্রনাথ’। দাড়ি-টাড়ি রাখত আরকি, বুঝলেন? সে আবার ‘গীতাঞ্জলী’ নামে এক গ্রন্থ রচনা করছিল। তা তারে আমার বেশ ভালই লাগে। এমন হেন বিষয় দুনিয়াতে নাই, যেইটা নিয়া সে লিখে নাই। মুটামুটি বস্তুজগতে যা কিছু আছে, সব কিছুই আমি তার লেখায় খুঁজে পাই। সোজা কথায়, তারে আমি খুব ভালো পাই।

    তা যা বলছিলামঃ ফেসবুক তো ব্যবহার করেন নিশচয় (আজকের ইহুদি নাসারাদের আবিস্কার), অথচ এই ফেসবুক এর কথা কিন্তু তিনি ‘গীতাঞ্জলী’ তে উল্লেখ করে গিয়েছেন আজ থেকে ১৪০০… থুক্কু… ১০০ বছর আগেই। ওইজে ওই লাইনটা ‘মনে পড়ে তব মুখখানি… ‘

  5. সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে
    সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে সিরাজা ওয়া ক্বামারাম মুনিরা বলতে কি বুঝানো হয়েছে বলি। সিরাজা মানে হচ্ছে জ্বলন্ত বা যা আলো দেয় এমন। এ আয়াতে সরাসরি সূর্য বা আশ শামছ এর কথা বলা হয় নি। সূর্যকে আলো প্রদানকারী হিসাবে সবাই জানে, সম্ভবত পশুপাখিও জানে।

    এবার আসেন চাঁদ এর ব্যাপারে। এখানে বলা হয়েছে দীপ্তিময় চন্দ্র। মুনির মানে হচ্ছে প্রদীপ। তো ক্বামারাম মুনিরা মানে হচ্ছে চন্দ্র যা আলো ছড়ায় প্রদীপের মত। এখানে বরং চাঁদের নিজস্ব আলো থাকার কথা বলা হচ্ছে। কারণ প্রদীপের নিজের আলো আছে। ব্যাপারটি পরিষ্কার?

    সূরা আম্বিয়া এর ৩৩ নং আয়াতে কুরআনে ইঙ্গিত করা হচ্ছে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চন্দ্র আর সূর্য ঘোরে। এটা তখনকার মানুষ মনে করত। এ নিয়ে ত্যানা প্যাচানোর মানে কী?

    সূরা আম্বিয়া ৩০ নং আয়াত। big bang এর প্রায় এক হাজার বছর পরে পৃথিবীর উৎপত্তি। অথচ মহাজ্ঞানী আল্লাপাক বলছেন পৃথিবী আর আকাশ এক সাথে ছিল তিনি আলাদা কইরা ফালাইছেন আর মুমিনরা মনে করে এটাই বিগ ব্যাং, হায়রে কপাল!

    কোরান গোবর্জনা স্বর্বস্ব একটা গ্রন্থ। আকাশ আর পৃথিবী এক সাথে মিশে ছিল! কী পাগলামি, ছাগলামি, বলদামি কথাবার্তা।

    বাকিগুলা দেয়ার রুচি হল না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *