সাভার ট্র্যাজেডি। কয়েক হাজার মাদরাসা ছাত্রের রক্তদান।

ঢাকার অদূরে সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে রানা প্লাজা নামের একটি বহুতল ভবন আজ বুধবার সকালে ধসে পড়ে। নিমতলীর ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, আশুলিয়ায় তাজরিন গার্মেন্টসে আগুন, চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটের ফ্লাইওভার ধ্বস, সর্বশেষ সাভারে বিল্ডিং ধ্বসে শতাধিক মানুষের মৃত্যু…
দূর্ঘটনা একের পর এক ঘটেই চলেছে। পঙ্গপালের মত মানুষ মরছে। বাংলাদেশে দুর্ঘটনা ঘটলে সাধারণত খেঁটে খাওয়া গরীব মানুষেরাই মারা যায়। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ভবনটিতে কর্মরত পোশাক শ্রমিকরাই হতাহত হন। কতোজন মানুষ সেখানে ছিলেন এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঢাকার অদূরে সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে রানা প্লাজা নামের একটি বহুতল ভবন আজ বুধবার সকালে ধসে পড়ে। নিমতলীর ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, আশুলিয়ায় তাজরিন গার্মেন্টসে আগুন, চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটের ফ্লাইওভার ধ্বস, সর্বশেষ সাভারে বিল্ডিং ধ্বসে শতাধিক মানুষের মৃত্যু…
দূর্ঘটনা একের পর এক ঘটেই চলেছে। পঙ্গপালের মত মানুষ মরছে। বাংলাদেশে দুর্ঘটনা ঘটলে সাধারণত খেঁটে খাওয়া গরীব মানুষেরাই মারা যায়। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ভবনটিতে কর্মরত পোশাক শ্রমিকরাই হতাহত হন। কতোজন মানুষ সেখানে ছিলেন এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রতিটি দুর্ঘটনার পর আমরা কদিন ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেই। ব্লগে ২/১ টা জ্বালাময়ী লেখা দেই। কেউ টকশোতে গিয়ে গলা নষ্ট করে আসেন। আমাদের দায়িত্ব এটুকুই।
তবে পরিবর্তন আসছে। পরিবর্তনগুলো দেখে বিশ্বাস জাগে, ধীর গতিতে হলেও বদলে যাবে বাংলাদেশ।
আজ আহত শ্রমিকদের জন্য প্রচুর পরিমাণ রক্তের প্রয়োজন ছিলো। বিভিন্ন সংগঠন এমনকি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেকেই রক্ত দিয়েছেন।
পারস্পরিক দ্বন্ধ থাকলেও গণজাগরণ মঞ্চ এবং হেফাজতে ইসলাম রক্ত সংগ্রহ করেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায় হেফাজতে ইসলাম কয়েক হাজার ব্যাগ রক্ত এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দিয়েছে।
গার্মেন্টস কর্মীদের বাঁচাতে এবং তাদেরকে রক্ত এবং অর্থ দিয়ে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে গেন্ডা বাস স্ট্যান্ডে ক্যাম্প করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। ঢাকা থেকে যেতে সাভার স্ট্যান্ডের আগের স্ট্যান্ডের নাম থানা রোড। সেখানে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। তার আগের স্ট্যান্ড হলো গেন্ডা।
বিভিন্ন মাদরাসা থেকে কয়েক হাজার ছাত্র সেখানে স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে উপস্থিত হয়েছিলো। http://postimg.org/image/z1zvm6frt/

অবস্থা তদারকি করতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের নাইবে আমীর আল্লামা নূর হোসাইন ক্বাসেমি। কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফি। মাওলানা মোস্তফা আজাদ।
এছাড়া ঘটনাস্থলের কাছেই অবস্থিত সাভার ব্যাংক কলোনি মাদ্রাসা। উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হবার পরপরই সেখানকার প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল্লাহ সাহেবের উদ্যোগে তাঁর মাদরাসার অসংখ্য ছাত্র রক্ত দেয়। পরবর্তীতে যেসব মাদরাসা ছাত্র/শিক্ষক সাভারে গেছেন, আব্দুল্লাহ সাহেবের মাধ্যমে তাঁরা এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রক্ত প্রদান করে এসেছেন।

হেফাজতের নেতারা মানবতা বোধ থেকে এগিয়ে এসেছিলেন। ফলে তাঁরা প্রচার প্রসারে যাননি। কিন্তু অনেকেই ফেসবুক স্ট্যাটাসে হেফাজতের নামে কুৎসিত সমালোচনা করছে। তাই সঠিক সংবাদ আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

৩৩ thoughts on “সাভার ট্র্যাজেডি। কয়েক হাজার মাদরাসা ছাত্রের রক্তদান।

  1. বাহ! মাদ্রাসার হুজুররা তাহলে
    বাহ! মাদ্রাসার হুজুররা তাহলে মুক্তমনা হয়ে উঠছে। এটা অনলাইনের অবদান। আপনার নির্ভরযোগ্য সুত্র থেকে কি একখান ফটু দেওয়া যায় না এখানে। আবার ফটোশপ কইরেন না। আল্লাহ গুনা দিব।

    1. ছবি একটা আগেই দিছি। আপ্নের
      ছবি একটা আগেই দিছি। আপ্নের চোখে পড়েনি এই আর কি। দেখেন। উল্টা পাল্টা কিছু কইবেন না প্লিজ। এখানে সবাই মানবতার সেবায় এগিয়ে আসছে।
      http://postimg.org/image/5hvi0ma8p/
      http://postimg.org/image/synczdvtl/
      http://postimg.org/image/z1zvm6frt/

      http://islambarta.com/2013/04/6336/ এটা খুঁজে পেলাম।

  2. ভালো লাগল জনাব। তবে আজকে
    ভালো লাগল জনাব। তবে আজকে সন্ধায়ই লক্ষ্মীপুর ছাত্রশিবিরের ফেসবুক পেজ থেকে দেখলাম বলা হচ্ছে, যুবলীগ নেতা রানার ভবন নাকি হেফাজতি হুজুর আল্লামা শফির বদ দোয়ায় ধ্বসে পড়েছে। সত্য মিথ্যা জানিনা। এখন চেক করে দেখি পোস্ট গায়েব। আপনাদেরই ভাই বেরাদররা কইছে। আমি শুধু জানাইলাম।

    1. এইরকম সময়ে এই ধরনের কথা
      এইরকম সময়ে এই ধরনের কথা বার্তা কেউ যে বলতে পারে সেটাই বিশ্বাস হচ্ছে না, তবে মানুষ যে কতো নিচে নামতে পারে সেটা আরেকবার বুঝা যাচ্ছে !

    2. জটিল কথা বলেছেন আতিক ভাই।।
      জটিল কথা বলেছেন আতিক ভাই।। তারা পড়ে আর কত কিছু যে বলবে।। তা আর বলার উপেক্ষা রাখে না।। :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

  3. শিবির এসব ভুয়া নিউজ দিবে না
    শিবির এসব ভুয়া নিউজ দিবে না তো হেফাজত দিবে নাকি! যারা সাইদিরে চান্দে দিতে পারে শফি সাহেবরে দিয়া মার্কেট ভাঙতে তো তাদের কষ্ট হওয়ার কথা না। এসব বিশ্বাস করার মতো কিছু না ভাই। মন্তব্যের অর্থ নিজ দায়িত্বে বুঝে নিয়েন।
    আর শিবির কখনোই আমাদের ভাই বেরাদর না। কখনো হতেও পারবে না। জোর করে ভাই বানাতে চাইলেও না। হোপ বুঝেছেন। এবার যাই।

    1. হেফাজতি ভাইসাব, শিবিরের নিউজ
      হেফাজতি ভাইসাব, শিবিরের নিউজ ভুয়া বলে উড়ায়ে দিলেন। এখন তো দেখি আপনাদের রুহী সাহেবও একই কথা কয়

      সাভার ট্র্যাজেডি আল্লাহর গজব: মাঈনুদ্দীন রুহী
      সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
      Thu, 25 Apr, 2013 03:23 PM

      চট্টগ্রাম: সাভার ট্র্যাজিডিকে সরকারের উপর আল্লাহর গজব বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মাঈনুদ্দীন রুহী। তিনি বলেন, ‘সরকার আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তারই পরিণামে এ গজব’।

      সাভারের ঘটনার জন্য শুক্রবারের রেসালাত সম্মেলন স্থগিত করা হবে না বলে জানান তিনি।

      মাইনুদ্দীন বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক দল নই। আমরা আল্লাহ ও তার রসুলের বাহিনী। সরকার নাস্তিকদের পক্ষ হয়ে আল্লাহর এ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এর ফলে সরকারের উপর একের পর এক গজব নাযিল হচ্ছে। অবিলম্বে সরকার তওবা করে আহমদ শফীর ‘মুরিদ’ না হলে ‘ফটিকছড়ি’ ও ‘সাভার’র চেয়ে ভয়াবহ গজব নাযিল হবে।’

      তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘রানা প্লাজার ৫ম তলায় বুধবার হেফাজত বিরোধী ২৭ এপ্রিল নারী সম্মেলন এবং আমাদের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচী বানচাল করতে ভবনের মালিক, যুবলীগ নেতা সোহেল রানা ‘বাছাইকৃত’ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে মিটিং করছিল। এর কিছুক্ষণ পরে ‘আল্লাহর গজবে’ ভবনটি ধসে পড়ে’।

      সরকার ভবন মালিককে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

      আওয়ামী লীগ হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে মুনাফেকি করছে উল্লেখ করে মাঈনুদ্দীন রুহী বলেন, ‘আওয়ামীলীগের বড় বড় নেতারা আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। আবার দিদারকে (যুবলীগ নেতা) দিয়ে আমাদের উপর হামলা করছে। নমরুদ ও ফেরাউনরাও আল্লাহর বিরুদ্ধে টিকতে পারেনি। বর্তমান নাস্তিকদের দালালেরাও টিকতে পারবে না।’

      তিনি বলেন, ‘ফটিকছড়িতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ ক্যাডাররা চাইনিজ রাইফেলসহ অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে নিরস্ত্র মানুষের উপর হামলে পড়েছিল। কিন্তু আল্লাহর সাহায্যে গ্রামবাসী নিমিষেই তাদেরকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। সুতরাং এখানেও বেশী ‘বাড়াবাড়ি’ করলে সে ফটিকছড়ির ঘটনা ঘটবে।’

      হতাহতদের প্রতি আল্লামা আহমদ শফী ও নিজের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করেন মাঈনুদ্দীন রুহী। তিনি জানান, তাদের কর্মীরা আহতদের জন্য ১০০ ব্যাগ রক্ত দান করেছেন।

      সাভার ট্র্যাজেডির জন্য শুক্রবারের রেসালাত সম্মেলন স্থগিত করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মাঈনুদ্দীন রুহী। তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানে নিহতদের জন্য মাগফেরাত ও আহতদের আরোগ্য লাভের জন্য দোয়া কররো।’

      বাংলামেইল২৪ডটকম/এএএন/এএফএ/জেবি/১৫২১ঘণ্টা, ২৫ এপ্রিল ২০১৩

      1. রুহি বেফাঁস মন্তব্যের জন্য
        রুহি বেফাঁস মন্তব্যের জন্য সর্বমহলে পরিচিত। টকশোতে নিশ্চয় দেখে থাকবেন অন্যান্য আলেমদের মতো ব্যাটা গুছিয়ে কথা বলতে পারে না। যতোটুকু জানি, উল্টাপাল্টা মন্তব্যের জন্য অনেক হেফাজত কর্মীও থাকে দেখতে পারে না।
        আসলে কুরআন বলে যেকোনো বিপদই আল্লাহর পক্ষ থেকে আযাব। যেমন > সুরা রুমের ৪১ নাম্বার আয়াতে এসেছে।
        ظَهَرَ الْفَسَادُ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِي النَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ الَّذِي عَمِلُوا لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ ﴿٤١﴾
        স্থলে ও জলে মানুষের কৃতকর্মের দরুন বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান, যাতে তারা ফিরে আসে।(৪১)
        Corruptness hath appeared on land and sea because of that which men’s hands have earned, so that he may make them taste a part of that which they have worked, in order that haply they may turn.
        সুরা শুয়ারার ৩০ নাম্বার আয়াতে এসেছে।
        وَمَا أَصَابَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَن كَثِيرٍ ﴿٣٠﴾
        আর বিপদ-আপদের যা তোমাদের আঘাত করে তা তো তোমার হাত যা অর্জন করেছে সে-জন্য, আর তিনি অনেকটা ক্ষমা করে দেন। (৩০)
        Whatever misfortune befalls you is a consequence of your deeds; yet He forgives much.(30)
        কিন্তু ঠিক কোন পাপের কারনে বিপদ এসেছে এটা বলার অধিকার রুহি কেন কারো নেই। রুহি সাহেব এভাবে বললে পারতেন। “যখন সমাজে অপরাধ প্রবণতা ও আল্লাহর নাফরমারি ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়, তখন বান্দাকে সতর্ক করার জন্য কখনো কখনো ভূমিধস, ভূমিকম্প, সুনামি, ঘূর্ণিঝড় ও দুর্ভিক্ষের মতো বিপদ নেমে আসে।” কিন্তু আগেই তো বললাম, ব্যাটা বেফাঁস মন্তব্য করে অভ্যস্থ।
        তবে এটাকে পুরো হেফাজত কর্মীদের ধারণা মনে করার কারন নেই। কেননা, তাঁরা গতকালও রক্ত দান করেছেন। বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। অনলাইনে এক্টিভ কওমি পড়ুয়াদের দ্বারা বিভিন্ন ইভেন্টও খোলা হয়েছে।
        আশা করি বিষয়টা সহজভাবেই বুঝতে পেরেছেন।

        1. ও, এখন রুহী সাহেব আপনাদের
          ও, এখন রুহী সাহেব আপনাদের কাছে ব্রাত্য হইয়া গেলো? ভালো। দারুন যুক্তি। তা রুহী সাহেব যখন এতো বেফাঁস কথা বলে অভ্যস্ত তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয় না কেন?
          সবচেয়ে বড় কথা, আপনাদের দল তো এখন হাঁটছে সেই শাহবাগি নাস্তিকদের দেখানো তরীকাতেই। ভণ্ডামি ছেঁড়ে লাইনে আসেন।

  4. মাদ্রাসার ছাত্রদের উপর এভাবে
    মাদ্রাসার ছাত্রদের উপর এভাবে অপবাদ দিবেন না। এই আদর্শ আমাদের পূর্ব থেকেই শেখানো হয় ভাইজান। এই আদর্শ তো তিনি শিখিয়েছেন মহানবী সা. ।
    যার ব্যাপারে আজ তথাকথিত কিছু মুক্ত মনারা কালিমা লেপনের চেস্টা করে।
    আর মুক্ত মনা কারে কয় দয়া করে এইখানে পড়ে আসতে পারেন।
    http://ahlesunnahjamat.blogspot.com/2013/03/mukto-mona-VS-atheism.html

  5. শফি ভাই তো রাজনীতি শিখে
    শফি ভাই তো রাজনীতি শিখে ফেলেছে দেখি!!!!! না বহুদূরে যাইব একদিন।
    যুক্তিবাদী ভাই, মানবতার দোহাই কিভাবে দেন যেখানে কয়েকদিন আগে হরতাল বিরোধী মিছিলে কিভাবে আক্রমণ করেছিল হেফাজতিরা ,তা এত সহজে ভুলি কিভাবে। আজ গার্মেন্টস শ্রমিকদের দরকার বিশেষ করে নারী সমর্থন হেফাজতের লক্ষ পূরনের প্রধান প্রতিবন্ধকতা আর এ তো ভাল মউকা পেয়ে গেছে দেখি আল্লার রহমতে। দিগন্ত তে দেখলাম হাজার হাজার বি এন পি নেতা নাকি রক্ত দিতাছে, রক্তদান কেন্দ্রে যে দিকেই ক্যামেরা ঘুরাই অইদিকেই বি এন পি কই মাদ্রাসার ছাত্রর কথা তো বুরকাওলী সাংবাদিক আফা কইলনা। আচ্ছা বাদ দেন,
    কই গতকাল যে মেয়েটি হরতালে ককটেল বিষ্ফোরনে আহত তাকে কি একবার ফোনেও খবর নিয়েছেন শফি সাহেব।মনে রাখবেন,উনাদের মানবতা আপ্নার আমার থেকে কম!!!!!!!

    1. ভাই, রাজনীতি তো এসব কাজের
      ভাই, রাজনীতি তো এসব কাজের নাম। http://s20.postimg.org/hbclqjy3h/eta_kora_thik.jpg http://s20.postimg.org/5nijw08yl/eta_kora_thik_2.jpg
      একদিকে গরীব মারা যায়, অন্যদিকে মন্ত্রীদের হাসিমুখে পোজ দেয়া দেখতে হয়।
      রাজনীতি তো এসব কর্মকাণ্ড কে বলে, যেখানে একব্যাগ রক্তের সাথে তিনজন ক্যামেরা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। (মন্তব্যগুলো পড়ে দেখেন মাথা ঠিক থাকে কিনা।) https://www.facebook.com/mdkhalid.rahman/posts/368333599950298?comment_id=1784005&offset=0&total_comments=67&notif_t=feed_comment_reply
      এটাও দেখেন, প্রচার কাকে বলে, https://www.facebook.com/shaheed.rumi.squad/posts/484303374972842
      আর ইমরান সাহেব তো আছেনই। https://www.facebook.com/dr.imran.bd
      https://bn-in.facebook.com/thelightofchange
      আর কোথায় হরতাল বিরোধী মিছিলে হেফাজত আক্রমণ করেছিলো একটু খুলে বলুন তো?
      মানবিক দায়বোধ থেকে যেখানে হাজার হাজার মাদরাসা ছাত্র রক্ত দিলো, সেটাকেও আপনার অসুস্থ মস্তিষ্ক রাজনীতি বানিয়ে দিলো। অবাক হবার মতো কিছু নেই। মানবতার চাইতে হেফাজত বিরোধিতা যাদের কাছে মুখ্য, তাদের এমন আচরণে অবাক হওয়াটাই অস্বাভাবিক।

  6. পক্ষ বিপক্ষের কথা বাদ দিচ্ছি,
    পক্ষ বিপক্ষের কথা বাদ দিচ্ছি, এখন সবারই উচিত আগে মানুষগুলোর সাহায্যে এগিয়ে আসা !

  7. দেখে খুব ভালোই লাগছে যে
    দেখে খুব ভালোই লাগছে যে রাজনীতি বিদদের মত হেফাজতীরাও ব্যানার সর্বস্ব রাজনীতি শুরু করছে। আর মুখে বলছে রাজনীতি করিনা। এটা মোনাফেকের লক্ষণ।

    গতকাল আগা-গোরা দেখতে চেষ্টা করেছিলাম যে হেফাজতী বা আমাদের আল্লামা মাওলানাদের কতজন উদ্ধার কাজে আসছেন।

    কিন্তু অধমের পোড়া কপাল একজনরেও দেখিনাই। কিন্তু আজ একজন ফটো দেখাইয়া ব্যানার সর্বস্ব রাজনীতি করতে মরিয়া হয়ে উঠছে।

    কারন একটাই নাস্তিকরা রক্ত দিতেছে !!

    1. শাহবাগে রক্তদান কর্মসূচী শুরু
      শাহবাগে রক্তদান কর্মসূচী শুরু হবার পূর্বেই অনেক হেফাজত কর্মী এনাম হাঁসপাতালে রক্ত দিয়েছে। সো শাহবাগকে দেখে রক্ত দিয়েছে ভাবার মতো পাগলামো না করলেই পারেন।
      আর আপনি দেখেননি, কিন্তু আরো অনেকেই দেখেছেন। http://s20.postimg.org/wzieb3331/er_A_tobe_kara.jpg একটু দেখুন তো দূরে পাঞ্জাবি পরা, টুপি ওয়ালা কাঁদের দেখা যায়!
      আর হেফাজত লোক দেখানোর জন্য রক্ত দেয়নি, কাজ করেনি। ফলে তাঁরা প্রচার প্রসারে যায়নি। যেমনটা শাহবাগ থেকে করা হয়েছে। কিন্তু আপনাদের বিশাল মাথা তা অনুধাবন করবে না। https://www.facebook.com/mdkhalid.rahman/posts/368333599950298?comment_id=1784005&offset=0&total_comments=67&notif_t=feed_comment_reply
      এটাও দেখেন, প্রচার কাকে বলে, https://www.facebook.com/shaheed.rumi.squad/posts/484303374972842
      আর ইমরান সাহেব তো আছেনই। https://www.facebook.com/dr.imran.bd
      https://bn-in.facebook.com/thelightofchange
      আমার ধারণা আছে, আজ যদি হেফাজতে ইসলাম আর্ত মানবতার সেবায় এগিয়ে না আসতো, এই ছেলের মতো (https://www.facebook.com/refat.che.hasan) আপনিও বলতেন, হেফাজত কি গর্তে লুকিয়ে পড়লো। কেউ আবার এক কদম বেড়ে বলতো, আমার নাস্তিক ভাই আর বেশ্যা বোনের রক্তে মানুষ বাচে, আর হেফাজতের পবিত্র রক্ত কাজে লাগে না ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন তাঁরা যখন মানব সেবায় এগিয়ে আসলো, তখন আপনার মনে হলো, রক্ত দেয়া তো রাজনীতি। এতো অসুস্থ ভাবনা এই দুর্দিনে আসে কিভাবে ভাই?
      হেফাজত প্রচার মানুষ দেখানোর জন্য রক্ত দেয়নি। উদ্ধার কাজে অংশ নেয়নি। তবুও আপনাদের মুখ বন্ধ রাখতে দায়বোধ থেকে এই লেখাটা লিখেছি। ইচ্ছেমত চেঁচাতে পারেন। সময় মতো আমি উত্তর দিয়ে যাবো।

    1. হ্যাঁ, একদিন ভুল ভাঙবে। সেটা
      হ্যাঁ, একদিন ভুল ভাঙবে। সেটা আপনারও হতে পারে। ইমরান সরকারের ও হতে পারে। ইনশাল্লাহ ভুল ভাঙবে।

  8. অসহায় মানুষ গুলারে বাচানোর
    অসহায় মানুষ গুলারে বাচানোর নামে দয়া করে পাবলিসিটি কইরেননা আপনারা। মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে কিভাবে পারেন আপনারা নিজেদের দলিয় পাবলিসিটি করতে!!! ‘যুক্তিবাদি’ ভাই আপনাকে বলছি।

    1. ভাই, পাবলিসিটি তো এসব। হেফাজত
      ভাই, পাবলিসিটি তো এসব। হেফাজত লোক দেখানোর জন্য রক্ত দেয়নি, কাজ করেনি। ফলে তাঁরা প্রচার প্রসারে যায়নি। যেমনটা শাহবাগ থেকে করা হয়েছে। লেখার সাথে সাথে একটু মন্তব্যগুলো পড়েন। https://www.facebook.com/mdkhalid.rahman/posts/368333599950298?comment_id=1784005&offset=0&total_comments=67&notif_t=feed_comment_reply
      এটাও দেখেন, প্রচার কাকে বলে, https://www.facebook.com/shaheed.rumi.squad/posts/484303374972842
      আর ইমরান সাহেব তো আছেনই। https://www.facebook.com/dr.imran.bd
      https://bn-in.facebook.com/thelightofchange
      এছাড়া গুগল মামা তো আছেই। দেখেন কি রকম প্রচার চলছে। দৈনিক পত্রিকাগুলোতেও ব্যাপকভাবে শাহবাগে রক্তদানের কথা আসছে। অথচ হেফাজতের কয়েক হাজার কর্মী রক্ত দিতে গিয়েছিলো। কিন্তু তাঁরা প্রচারে যায়নি। মানবিকতা আর প্রচার প্রসার কখনোই একত্রিত হতে পারে না।
      আমার লেখাটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে লিখা। নিজস্ব দায়বোধ থেকে লেখেছি। এজন্য হেফাজতকে দায়ী করার প্রশ্নই আসে না। হেফাজতের কেউ হয়তো জানেই না , এখানে তাদের নামে একটা লেখা আছে।

  9. আমি যতটুকু জানি ইসলাম বলে,
    আমি যতটুকু জানি ইসলাম বলে, ডান হাতে দান কর, যেন বাম হাত না জানে। মানুষ দেখানো দান ক্ষয়রাতে কোন উপকার হয়না। তবে ইসলামের হেফাজতীরা রক্ত দিয়ে থাকলে তা এত প্রচারের কি আছে? কে কি করছেন, তা তো স্বয়ং মাহন আল্লাহ তায়ালা দেখতেছেন। সওয়াবের কাজ কেউ তো কাউকে দেখানোর জন্য করে না! তাহলে এত প্রচারের উদ্দেশ্য কি? এটা কি রাজনীতির লক্ষণ নয়? কথা বলেন ইসলামের আর কাজ করেন, নাস্তিকদের ফর্মুলায় ! যেমন নাস্তিক মাওসেতুং এর আবিস্কার লংমার্চ কে তূলনা করেন মহানবী (দঃ) এর পবিত্র হিজরতের সাথে ! দাবী আদায়ের জন্য নাস্তিকদের তৈরী করা হরতাল পদ্ধতির ব্যবহার করেন বিনা দিধায় ! পরিশেষে বলতে চাই, ইসলামের কাজ করতে চাইলে ইসলামের দেখানো পথেই তা করুন। নাস্তিকদের তৈরী করা পদ্ধতিতে ইসলামের নামে অইসলামিক কাজ করলে মহান আল্লাহ তায়ালা অখুশি হবে…..

    1. ভাই, হেফাজত তো প্রচারে যাচ্ছে
      ভাই, হেফাজত তো প্রচারে যাচ্ছে না। কিন্তু আমার অনেক শাহবাগি ভাই যে, অপপ্রচারে যাচ্ছে, সেটা একটু খেয়াল করবেন কি?
      আজ যদি হেফাজতে ইসলাম আর্ত মানবতার সেবায় এগিয়ে না আসতো, এই ছেলের মতো (https://www.facebook.com/refat.che.hasan) আপনিও হয়তো বলতেন, হেফাজত কি গর্তে লুকিয়ে পড়লো। কেউ আবার এক কদম বেড়ে বলতো, আমার নাস্তিক ভাই আর বেশ্যা বোনের রক্তে মানুষ বাচে, আর হেফাজতের পবিত্র রক্ত কাজে লাগে না ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন তাঁরা যখন মানব সেবায় এগিয়ে আসলো, তখন আপনার মনে হলো, রক্ত দেয়া তো রাজনীতির লক্ষন।
      হেফাজত প্রচার প্রসার কিংবা লোক দেখানোর জন্য রক্ত দেয়নি। উদ্ধার কাজে অংশ নেয়নি। তবুও আপনাদের মুখ বন্ধ রাখতে দায়বোধ থেকে এই লেখাটা লিখেছি। এরপরও না বুঝলে কি করা।

  10. হেফাজত কয় ব্লগার’রা নাস্তিক
    হেফাজত কয় ব্লগার’রা নাস্তিক আর ইন্টারনেটে একমাত্র নাফরমানি কাজ হচ্ছে ব্লগ। অহন দেখি হেফাজতিরাও ব্লগে নিক লইয়া হেফাজতের প্রচারণা কার্য সম্পাদন করিতেছে … হেহেহে ..খ্রাপ না, ভালু ভালু

    1. হা হা হা। মচৎকার বলিয়াছেন। তা
      হা হা হা। মচৎকার বলিয়াছেন। তা আপনি কয় বছর ধরে ব্লগিং করেন?
      আর আমি হেফাজতের কোনো কর্মী না। তবে আমি এমন কিছু কওমি পড়ুয়া মানুষকে জানি, যারা অন্তত ৪/৫ বছর ধরে ব্লগিং করছে। তাদের সাথে কথা বললে ঠ্যালা বুঝতেন।

      1. ব্লগ দিয়া ইন্টারনেট চালাইতে
        ব্লগ দিয়া ইন্টারনেট চালাইতে কেমন লাগতাছে ? ম্যাতকার ধ্বনি শুইনা তো মনে লয় শীত্কার …ভালই লাগতাছে মনে লয় ? :মানেকি:

        1. জানোয়ারের সাথে আমি কথা বলি
          জানোয়ারের সাথে আমি কথা বলি না। এদের খোঁয়াড়ে বেঁধে রাখার মাঝেই উপকার। খোঁয়াড় থেকে চেঁচামেচি করলো।

  11. অতীতে রাজদরবার নাম এক ছাগুর
    অতীতে রাজদরবার নাম এক ছাগুর জন্যে নাগু তে শাস্তি বিধান করছিলাম …. এই হেফাজতির জন্য একই চিকিত্সা … এক খান মটোরোলা সি ১১৫ মোবাইল সেটে পিচ্ছিলকারক মাখিয়ে রিংটোন ভাইব্রেশনে সেট করে হেফাজতি মানসিক রোগীটার পায়ু পথে প্রবিষ্ট করে ঘন ঘন মিস কল দেয়া যেতে পারে …
    গরমকালে পাগলামি টা চার দেয় … ধাওয়ামু নাকি ? :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:
    এইটা কি সোনা ব্লগ থেকে হিজরত কইরা বা লং মার্চ কইরা এখানে আইল নাকি ?

    1. ওরে পাগলা ভাইরে —
      ওরে পাগলা ভাইরে — জুক্তিবাতি’রে এমুন ট্রিটমেন্টের প্রেসক্রিপশন লিখা দিলেন :থাম্বসআপ:
      আমি তো :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  12. রক্তদান সম্পর্কে কোরান-হাদিস
    রক্তদান সম্পর্কে কোরান-হাদিস কি বলেছে? এটা যদি একটু বলতেন তাহলে আমাদের জ্ঞানের পরিধিটা বাড়াতে পারতাম। আর শাহবাগের নাস্তিকদের রক্ত সাভার দুর্ঘটনায় আহতের শরীরে প্রবেশ করানো কতটা ইসলাম সম্মত হচ্ছে এটাও জানা দরকার। একজন নাস্তিকের রক্ত কি একজন অসুস্থ ধর্মপ্রাণের শরীরে প্রবেশ করানো জায়েজ আছে? এ বিষয়ে একটা বয়ান দেন। তারপর আপনার সাথে ব্লগাইমু। অনেকদিন দিল খুলে ব্লগাই না।

  13. আপনি যুক্তিবাদী, না?? ভালো
    আপনি যুক্তিবাদী, না?? ভালো লাগলো….ভাই আমিও
    যুক্তিবাদী । চলেন যুক্তিতে যুক্তিতে কথা বলি……
    ১)উপরে যখন জিজ্ঞেস করা হলো রুহি সাহেব
    উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিলে তাকে হেফাজত থেকে
    কেনো বহিষ্কার করা হচ্ছে না,তখন কথাটা খুব
    সাবধানে এড়িয়ে গেলেন……সাথে আমি আরেকটু যোগ
    করতে চাই। উনি যেভাবে বলে দিলেন সাভার এর ভবন ধশ
    আল্লাহর গজব,আপনি বলছেন উনি উল্টাপাল্টা কথা বলেন।
    কিন্তু আপনারা তো ইসলামের হেফাজৎকারি!! আপনার
    কাছে তাই প্রশ্ন,ওনার এইভাবে গজব তত্ত্ব
    বলা কতটা ইসলাম সম্মত?? যদি তা না হয়ে,এবং তবু
    হেফাজতিরা তাকে দলে রাখে,তাহলে আপনারাই কি ইসলামের
    অবমাননা করছেন না??????
    ২) “নাস্তিক মাওসেতুং এর আবিস্কার লংমার্চ কে তূলনা করেন
    মহানবী (দঃ) এর পবিত্র হিজরতের সাথে ! দাবী আদায়ের
    জন্য নাস্তিকদের তৈরী করা হরতাল পদ্ধতির ব্যবহার করেন
    বিনা দিধায় !”- ওই প্রশ্নটাও সুন্দর করে এড়িয়ে গেলেন। আপনার
    প্রশংসা না করে পারছি না। বাহ!!
    ৩) এবার আমার নিজের প্রশ্ন।
    শুনেন,আমি আসলে খুব eager ছিলাম প্রথম থেকেই যে হেফাজত
    কি করে দেখা যাক। গনজাগরন মঞ্চ তো করছে। আমি সাভার
    ঘটনার পরের্দিন থেকে dhaka ঘুরছি,কিন্তু পোড়া কপাল কথায়
    আমি হেফাজত দের রক্ত-দান booth পেলাম না। ভাবলাম,দিগন্ত
    tv আছে কি জন্য?? খুললাম দিগন্ত tv। কিন্তু সেখানেও
    কোন news নাই। আছে শুধু কেমনে bnp রক্ত দেয়। এরকম
    তো আমিও বলতে পারি,ঐদিন horkatul jihad রক্ত dise. আমার
    সাপোর্টের কয়েকটা সংবাদপত্রের লিঙ্ক দিলাম,কয়েকটা এডিট
    করা ফটো দিলাম।হয়ে গেলো না??
    কিন্তু ধরলাম জান ওনারা রক্ত দিছে। এখন তাই বলে ওদের
    প্রশংসা করা উচিত??? আমাদের দেখতে হবে ওদের আসল
    উদ্দেশ্য কি?? অর্থাৎ এরা আসলে কি?? যেমন Hitler বহু
    হস্পিতাল, school , ইত্যাদি প্রতিষ্ঠা করছিল। তো সেগুলার জন্য
    কি উনাকে প্রশংসা করব?? খারাপ
    side বেশি হলে ভালো side এর দাম থাকে না। উনারা জন
    সমর্থন পেতে এসব করছেন। এসব দেখে মানুষ ওদের
    পক্ষে যাবে,তারপর উনারা মানুষ গুলাকে উনাদের ১৩ দফা ১৪
    দফা আদায়ে মিছিল করতে লাগিয়ে দিবেন। তাই,রক্ত
    দেওয়াটা যদি সত্যিও হয়ে,তবু উনাদের oppose করা আমাদের
    নৈতিক দায়িত্ব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *