অন্তত একজন!!!!!!!!!!!!

তিন দিন ছুটি পেয়ে কিছুটা স্লিপুং মুডে চলে গিয়েছিলাম। তাই দুপুরে খাবার পর আজ শুয়ে শুয়ে অনেকদিন পর বাংলা খবরের কাগজের প্রত্যেক পাতা পড়ছিলাম।যা খুঁজে পেলাম তার না “ভয়”।মনে হচ্ছিল এটা কোন বাঙ্গলাদেশের খবরের কাগজ নয়,একটি হানাহানি নামক রাষ্ট্রের মুখপত্র। ছোটবেলায় ভুতের গল্পের বই একপাতা পড়ে অনেকক্ষন পর আরেক পাতা পড়তাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পড়ে শেষ করতাম বইটা যতই ভয় পেতাম না কেন। কিন্তু আজ আর পড়তে পাড়ছিলাম না। খুন, জবাই, অস্ত্র,চাপাতি,ধর্ষন,লুট,কোমর ভেঙ্গে যাচ্চছে একটা হাজার বছরের বৃদ্ধ জাতির সংস্কৃতির,বিবস্ত্র একটা দেশ। তাই খবরের কাগজ পড়া বাদ দিয়ে কবিতার বই নিয়ে বসলাম,যা আমি ভালবাসি। পড়তে গিয়ে অবাক বিস্ময়ে দেখলাম রুদ্র মুহম্মদ শহিহুল্লাহ ১৯৭৭ সালে লিখে গেছেন,
“হত্যা আর সন্ত্রাস্র মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে ব্যথিত জীবন,
আজ বড়ো দুঃসময়-ঈটের দেয়ালে বন্দি ফুলের চিতকার
ওই শোনো কাতর কান্নার ধ্বনিও ভেসে আসে নিষিদ্ধ বাতাসে।”
প্রতিটা হত্যাকান্ড হচ্ছে দোপেয়েদের ভিড়ে।দোপেয়েই বলবো। কেননা মানুষ হলে কেউ না কেউ এগিয়ে আসতো মানুষ গুলোকে বাঁচাতে।অন্তত একজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *