নবীজির চরিত্র ফুলের মতন পবিত্র

আজকের প্রেক্ষাপটে নবী মহাম্মদের চরিত্র সম্পর্কে লেখা যতটাই ঝুকিপুর্ন ঠিক ততটাই গুরুত্বপুর্ন।সেই সাথেই প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে মহাম্মদের চরিত্রের কুৎসিত দিক গুলি সাধারন মানুষের সামনে তুলে ধরার।কারন ধর্মান্ধ মুমিনদের নবীকে নিয়ে সীমাতিরিক্ত লম্ফঝম্ফ গোটা পৃথিবীকেই এক অন্ধকার যুগের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।

শুরু করা যাক একটি একটি সহিহ হাদিস দিয়ে

<strong>আনাছ ইবনে মালিক ও কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত: তারা বলেন, নবি (সাঃ) দিনে বা রাতে পর্যায়ক্রমে (মধ্যবর্তি ফরজ গোসল ছাড়া) ১১ জন বিবির সঙ্গে সঙ্গম করতেন। (৯ জন বিবাহ সুত্রে ও ২ জন শরিয়তী স্বত্বাধিকার সুত্রের) কাতাদা বলেন, আমি আনাছকে (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলাম, হযরতের কি এতই শক্তি ছিল? তিনি বললেন,আমাদের মধ্যে এই কথা প্রসিদ্ধ ছিল যে, রাছুলাল্লাহর ৩০ জন পুরুষের শক্তি আল্লাহর তরফ থেকে প্রাপ্ত ছিলেন

বোখারী, ১ম খণ্ড</strong>

এই হল নবীর প্রকৃত রুপ,যা যৌন বিকারগ্রস্থতা আর কিছুই না।মানুষকে সংযত থাকার বদলে তিনি তাদের দিয়েছন অবাধ যৌনক্রিয়ার মন্ত্র।

তা না হলে কোনো সুস্থ স্বাভাবিক সাধারন মানুষের পক্ষে ৫৯ বছর বয়সে একটি ছয় বছরের শিশুকে(আয়েশাকে) বিবাহ করে মাত্র নয় বছর বয়সে শিশুটির সাথে যৌন সঙ্গম করা সম্ভব!! একটি ছয় বছরের শিশুকে দেখলে যেখানে আমাদের ভাতৃত্ববোধ,পিতৃত্ববোধ জাগ্রত হয় সেখানে মহাম্মদের কাম জেগেছিলো,ইহা কি প্রমান করেনা বয়সকালে মহাম্মদ বিকারগ্রস্থ হয়ে পড়েছিলেন!!

এছারাও তিনি বিবাহ করেছিলেন নিজ পালিত পুত্র জায়েদের স্ত্রি যয়নবকে যা ছিল ঘোরোতর অযাচার। আপনি মুসলমান হিসেবেও কি এই অযাচার সমর্থন করতে পারেন???
অবশ্য এই অযাচার হালাল করার জন্য মহাম্মদ আল্লাহর থেকে একটা আয়াতও নাজিল করিয়ে নিয়েছিলেন

<strong>সূরা আহযাব, ৩৩:৩৭

“আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর জায়েদ যখন জয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পুষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে”।</strong>

আয়াতটি পড়ে আমি একটু কনফিউজড,আমি বুঝে পাচ্ছিনা মহাম্মদ আল্লাহর বান্দা নাকি আল্লাহ মহাম্মদের বান্দা!!!

তবে একটু সুস্টু ভাবে ভাবলেই বোঝা যায় আল্লাহ আসলে মহাম্মদেরই প্রসুত কল্পনা যাকে বরাবরই তিনি ব্যাবহার করে এসেছেন নিজের নানান অপকর্ম ঢাকার ঢাল হিসেবে। উক্ত আয়াতেই তার স্পস্ট উদাহরন পাওয়া। কারন আয়াতটিতে বলা হচ্ছে যয়নব নিজেই নবীকে বিবাহ করার জন্য উতলা ছিল,অতঃপর জায়েদ তাকে তালাক দিলে নবী তাকে বিবাহ করে।
আমার প্রশ্ন এখানেই যদি তাই হয় তাহলে নবী কেন যয়নাবকে বোঝালেন যে এটা অযাচার,একজন নবীর পক্ষে ইহা শোভা পায় না।কিন্তু তিনি তা করলেন না,উল্টে আল্লাহকে ময়দানে নামিয়ে আনলেন।

<strong>জাবির থেকে বর্নিত, আল্লাহর নবী একজন নারীকে দেখলেন এবং সাথে সাথে তিনি তার অন্যতম স্ত্রী জয়নবের কাছে আসলেন যিনি তখন তার ত্বক রঙ করছিলেন এবং তার সাথে যৌনক্রীড়া করলেন। তারপর তিনি তার সাথীদের কাছে ফিরে গেলেন ও তাদের বললেন- স্ত্রীলোকটি আমার দিকে অগ্রসর হয়ে একটা শযতানের রূপ ধারন করল। তাই তোমরা যখন কোন নারীকে দেখবে তখন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের কাছে সত্ত্বর চলে যাবে যাতে তোমরা তোমাদের মনের চাঞ্চল্যভাব দুর করতে পার। সহী মুসলিম, বই-৮, হাদিস- ৩২৪০</strong>

মহাম্মদ যে যৌন বিকারগ্রস্থ ছিল তার আরেকটি উদাহরন।জীবিকার জন্য আমরা সবাই প্রতিদিন রাস্তায় বের হয় কিন্তু আমাদের মধ্যে এমন কজন আছে যার কোনো সুন্দরি মহিলা দেখলেই যৌনক্রিয়া করার সাধ জাগে এবং যৌন কামনায় তারিত হয়ে আমরা কজনই বা উসান বোল্টের ন্যায় দৌড় দিয়ে বাড়ি এসে স্ত্রির সাথে যৌনক্রিয়ায় লিপ্ত হই।
তাহলেই ভাবুন মহাম্মদের যৌন বিকারগ্রস্থতা কোন পর্যায়ে ছিল।

এছারাও উহুদ যুদ্ধে বনু উমাইয়া গোত্রের উম্মে সালামার সামনে তার স্বামি ও সব প্রিয়জনদের হত্যা করে মহাম্মদ তাকে মাল ই গনিমত হিসেবে দখল করে।

পরিশেসে ব্যাক্তিগত মতামত বলি-

<strong>মহাম্মদ নবী হওয়া তো দুরে থাক সাধার ভদ্রলোক হওয়ারও যোগ্যতা রাখেনা</strong>

২ thoughts on “নবীজির চরিত্র ফুলের মতন পবিত্র

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *