রামপাল বিদ্যুতকেন্দ্র: পরিবেশ রক্ষায় অনন্য দৃষ্টান্ত

বঙ্গদেশে তেল-নুন রক্ষার জন্য কমিটি নাকি কি যেন একটা আছে। লোকগুলোর মাথায় যত্তোসব দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র। তারা কিছুতেই বুঝতে পারে না উন্নয়ন মানে কি আর উন্নয়নের পেছনে কি আছে? সরকার সুন্দরবনে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ স্থাপন করবে। মহৎ একটা উদ্যোগ। কোথায় সাধোবাদ জানাবে, তা না গোটা দেশে তোলপাড় শুরু করে দিছে। আর নামধারী কি ভাম আছে, ওগুলার তো কোন কাজ কর্ম নাই, পায়ে হেঁটে, শরীরের শক্তি ক্ষয় করে ‘লং মার্চ’ নাকি কি যেন করে। ভোদাই কোথাকার!

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ একটি মহৎ পরিবেশবাদী উদ্যোগ। ২০০৭ সালে সিডরে সুন্দরবনের অনেকগুলো সুন্দরী গাছ ধংস হয়ে গেছে। আপনারা যারা ঢাকা থেকে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ন, সুন্দরবনের দুঃখ কি বুঝবেন? আচ্ছা বলেন তো, গাছের খাবার কি? জানিই পারবেন না। আমিই বলে দিচ্ছি- কার্বন ডাই অক্সাইড। মানুষ অক্সিজেন খায় আর কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। তো সুন্দরবনে তো আর মানুষ নাই। সুন্দরী গাছগুলো কি খেয়ে বাঁচব। সরকার এই গাছগুলোর দুরবস্থা দেখে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুতকেন্দ্র থেকে যা নির্গত হবে সেটা খেয়ে সুন্দরী গাছগুলো আগে যদি মাসে ১ ফুট করে বাড়তো, বিদ্যুতকেন্দ হলে বাড়বে ৫ ফুট করে। সরকারের সে দিকে সুনজর আছে। এই গাছগুলোর জন্যই সিডরের হাত ঢাকার মানুষ আপনারা বেঁচে গেছেন। গাছগুলোরও তো পরিচর্যা দরকার। সেজন্যই এই বিদ্যুতকেন্দ।

সরকার শুধু গাছের কথা ভাবে নাই, মাছের কথাও ভাবছে। অন্যান্য প্রানী যা আছে সেগুলোর কথাও ভাবছে। এই যে এতো জাহাজ ফুঁটা হয়ে তেল পানিতে মিশে যাচ্ছে। সেগুলো হচ্ছে মাছের খাবার। সরকার জানে তেল আর জল মিশে না। মাছগুলো টপাক করে পানিতে ভাসমান তেলগুলো খাবে। তাদেরও তো সুখাদ্য দরকার। আর বিদ্যুতকেন্দ্র থেকে যা বের হবে, লোকে বলে বর্জ্য। ওগুলো হবে অন্য প্রানীদের খাবার।

কয়েক দিন পর পরই দেখি, সুংবাদিকরা লেখে, সুন্দরবনে আগুন লাগানো হয়েছে। আরে মিয়া, বনের ভেতরে গিয়ে কার ঠ্যাকা লাগছে আগুন লাগাবো। আসলে, এই যে ভূমিকম্প হইতেছে এইগুলা হইলো মাটির নিচের থালা নাকি প্লেট কি যেন আছে ওইগুলা পরিবর্তন হইতেছে। ওইগুলা পরিবর্তন হয়ে আগ্নেয়গিরির নিচের প্লেটগুলা সুন্দরবনের নিচে চলে আসছে। তাই মাঝে মাঝে আগুন বের হয়ে আসে। আসলে প্লেটগুলা আসার কথা ছিল সুন্দরবনের কাছেই যে সাগর আছে সেগুলার নিচে কিন্তু সেখানে আসলেতো সাগর নষ্ট হয়ে যাবে। মদিনার সনদে পরিচালিত আমাদের দেশের উপর ওপর ওয়ালার সু-নজর আছে। তাই আগুন জলে না জ্বলে মাটিতে জ্বলতেছে। সবই দয়ালের কৃপা।

অনেক কথা বলার ছিল, বললাম না। পরে আবার তেলবাজ ট্যাগ দিয়ে দেন। আজকাল তো যে যাকে পারছে ট্যাগ দিয়ে দিতেছে। একটু মাথাটা খাটায়ে চিন্তা করে দেখেন, হাঁটুর নিচে বুদ্ধি নিয়ে রাখলে তো হবে না। এইবার না হয় শুধু চ্যাম্পিয়ান অব দ্য আর্থ হইছে। সামনে দেখবে আরও কত্তো কিছু …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *