সৌদি পুরুষদের দক্ষিণ হস্ত বাঙালি মেয়েদের মালিক হয়ে গেছে

মক্কা-মদিনার দেশে গৃহকর্মে নিযুক্ত মেয়েরা বোরকা পরেনা? তারা কি জিন্সের প্যান্ট ও টি-শার্ট পরে ঘুরে বেড়ায়? না কি তারা বিকিনি পরে রাস্তায় চলে? তাহলে তারা ধর্ষিত হয় কেন?

বাংলাদেশের শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমান জানে যে ধর্ষনের জন্য মেয়েদের পোশাকই দায়ী। মেয়েদের আধুনিকতা ও উগ্রতার কারণেই তারা ধর্ষিত হচ্ছে। কারণ মেয়েরা তেতুলের মত। পুরুষতো তাকে চেখে দেখবেই। কিন্তু প্রথম আলোতে খবর ছাপা হয়েছে সৌদি আরবে গৃহকর্মে নিযুক্ত মেয়েরা নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। নবী মোহাম্মদের দেশে দোররা মারার আইন চালু থাকা সত্তেও বাঙালি মেয়েদের কেন ধষর্ণ করা হচ্ছে? না কি ইসলামের বিধান মেনেই তারা ধর্ষন করে?
১৯৭১ সালে বাঙালি মেয়েদের ধর্ষণ করাকে জায়েজ করা হয়েছিল ইসলাম দিয়ে। ইসলাম রক্ষার জন্য ধর্ষন করা হত। জামাতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামীর দেয়া ফতোয়া অনুযায়ী বাঙালি মেয়েরা ছিল ইসলামী রাষ্ট্র পাকিস্তানের সেনাদের জন্য গণিমতের মাল। গণিমতের মাল যেভাবে ইচ্ছা ভোগ করা যায় -এটাই ইসলামের বিধান। ইসলামে যুদ্ধের মাধ্যমে প্রাপ্ত নারীদের বলা হয় গণিমতের মাল। গণিমতের মালরাও দাসী। ইসলামিক স্টেট (আইএস) ধর্ষনের জন্য হাজার হাজার নারীকে বন্দী করে রেখেছে। তাদের কোন নীতিমালার আলোকে ধর্ষণ করা হবে সে সম্পর্কে শরিয়ত সন্মত বিধানও জারী করেছে। কিন্তু সৌদি আরবে যেসব বাঙালি মেয়ে কাজ করতে যায় তারা গণিমতের মাল নয়। তারা অর্থের বিনিময়ে নিযুক্ত দাসী। কোরানের বিধান অনুযায়ী দাসীদের ধর্ষন করা জায়েজ। এটাই ইসলাম।
সূরা আল মুমিনূন ২৩: ৬: “তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে (নিজেদের যৌনাঙ্গকে) সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।” إِلَّا عَلَى أَزْوَاجِهِمْ أوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ
হে মুসলমানগণ, অত:পর তোমরা কোরানের এই আয়াতকে কিভাবে অস্বীকার করবে – যদি তোমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন কর।
ইসলাম যাই বলুক, সভ্য মানুষ ধর্ষণ করাকে অপরাধ হিসেবেই গণ্য করে। সেটা গৃহকর্মে নিযুক্ত কোন অসহায় নারী হোক কিংবা নিজের স্ত্রী হোক। সভ্য দুনিয়ায় নিজের স্ত্রীকেও ধর্ষণ করা অপরাধ। স্ত্রীর দৈহিক-মানসিক প্রস্তুতি এবং সন্মতি ছাড়া তার সাথে যৌনতায় মিলিত হওয়া অপরাধ। অন্যদিকে ইসলামের বিধান অনুযায়ী স্বামীর ইচ্ছা হলে তাকে না বলা কিংবা স্বামীর ইচ্ছা পুরণে বাধা দেয়াটাই নারীর জন্য অপরাধ। দাসীর তো কোনও কথাই নেই।
সুরা বাকারার ২২৩ আয়াতে বলা হয়েছে- “তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র, সুতরাং তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যে প্রকারে ইচ্ছা অবতীর্ন হও”। হাদিসে মোহাম্মদ মুসলিম নারীদের উপদেশ দিচ্ছেন, “স্বামী যখন (যৌন) প্রয়োজনে নিজ স্ত্রীকে আহ্বান করে, তখন তার ডাকে সাড়া দেয়া স্ত্রীর কর্তব্য, যদিও সে চুলায় রান্নার কাজে ব্যস্ত থাকে। [তিরমিযী]।”
মুমিন মুসলমানরা বলে নারীদের বেলেল্লাপনার কারণে ধর্ষণ হচ্ছে। তারা নারীদের বোরকা দিয়ে ঢেকে রাখতে চান এবং শরিয়া আইন কায়েম করে বেলেল্লাপনা বন্ধ করতে চান। যে শরিয়া আইন চায়না সে মুসলমান নয়।
যারা বলেন শরিয়া আইন থাকলে ধর্ষণ বন্ধ হয়, মক্কা-মদীনায় ধর্ষণ সম্পর্কে তাদের জবাব কি? আসলে শরিয়া অনযায়ী সৌদিরা যেটা করছে সেটা ধর্ষণ নয়, সেটা দাসীর উপর মালিকের অধিকার। এই অধিকার তাদের ইসলাম দিয়েছে। কেউ কেউ বলেন, এটা সহি ইসলাম নয়। সহি ইসলাম কোনটা? আইএস যেটা কায়েম করেছে সেইটা সহি ইসলাম নয়? বোকো হারাম যা করছে সেগুলো সহি ইসলাম নয়? তালেবান ও আল কায়েদা যা করছে সেগুলো সহি ইসলাম নয়? সৌদি আরব যেটা কায়েম করেছে সেইটা? পাকিস্তানের টা? তাহলে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে “মদিনার সনদ” কায়েম হয়েছে সেটাই কি সহি ইসলাম? প্রিয় মুমিন মুসলমান ভাই, বিষয়টির গভীরে যাবেন কি?

মক্কা-মদীনায় যেসব বাঙালি মেয়েকে ধর্ষন করা হচ্ছে শরিয়া আইন অনুযায়ী তাদের বিচার পাওয়ার সুযোগ নেই। বিচার চাইতে গেলে দোররার আঘাত জীবন হারানোর সম্ভাবনা বেশি। শরিয়া অনুযায়ী ধর্ষকের বিচার করা সম্ভব নয়। কারণ ঐ মেয়েটি কোরানের বিধান অনুযায়ী চার জন স্বাক্ষীকে হাজির করতে পারবে না। ধর্ষক চারজনকে উপস্থিত রেখে ধর্ষণ করে না। যদি চার জন সৌদি উপস্থিত থাকে তাহলে চার জন মিলেই ঐ মেয়েকে ধর্ষন করবে। সংবাদপত্রের রিপোর্টে সেই তথ্যই প্রকাশ করা হয়েছে। ধর্ষন প্রমাণ করতে হলে কোরানের বিধান অনুযায়ী চার জন স্বাক্ষী দিয়ে নয়; আধুনিক বৈজ্ঞানিক পন্থায় পরীক্ষা করাতে হবে। ব্যাকডেটেড কোরানের উপর নির্ভর না করে আধুনিক বিজ্ঞানের উপর নির্ভর করতে হবে।
হে মুসলমানগণ আপনারা নারী স্বাধীনতার বিরোধী? একবার ভাবুন, ইউরোপ ও আমেরিকার কোনও দেশে কাজের মেয়ের উপর যৌন নির্যাতন করার এরকম চিত্র পাবেন নাকি? বাংলাদেশের মেয়েরা সৌদি আরব না গিয়ে কাজের জন্য ইহুদী-নাছারাদের দেশে গেলে এরকমভাবে ধর্ষিত হওয়ার ভয় আছে নাকি? আমেরিকায় ভারতীয় একজন কুটনীতিক বাসার কাজের মেয়েকে কম বেতন দেওয়ার কারণে কিরকম ভোগান্তিতে পরেছিলেন সেটা কি আপনারা সংবাদে পরেন নাই? পৃথিবীর কোনো দেশের খবর রাখেন না? কেবল কোরান পড়িয়া বোমা বানান? বেশ ভাল।
হে মুমিন মুসলমানগণ আপনারা ছোটকাল থেকে শুনে এসেছেন এবং বলে এসেছেন আইয়ামে জাহেলিয়াতের কথা। সে এক ভয়ঙ্কর দু:সময়ের কথা। তখন নাকি নারী শিশুদের জীবন্ত কবর দেয়া হত। সে সময়ে নারীদের শিশু অবস্থায় মেরে ফেললে মোহাম্মদ জন্ম নিলেন কেমন করে? কোনো নারী কি তাকে জন্ম দেয় নাই? তার মানে সকল নারীকে জন্মের পর জীবন্ত কবর দেয়া হয় নাই। আপনি বলতে পারেন এরকম কোনও ঘটনা সেসময় হয়তো ঘটেছিল। কিন্তু মেয়ে শিশুদের জীবন্ত কবর দেয়া হত- এটা নিতান্তই মিথ্যা প্রচারণা। ইসলাম কায়েমের জন্য মোহাম্মদ ও তার অনুসারীরা এসব মিথ্যাকেই পরবর্তি পৃথিবীর কাছে প্রচার করেছেন। পৃথিবীর এযাবৎকালের সকল ইতিহাস শাসকদের ইতিহাস। শাসকরা তাদের ইচ্ছামত ইতিহাস বিকৃত করে। ইসলামপূর্ব আরবের প্রকৃত ইতিহাস ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। ইসলাম পুরো ইতিহাসটা বিকৃত করেছে। মুসলমান শাসকরা তাহাদের মন মত আইয়ামে জাহেলিয়াতের কল্পিত ইতিহাস প্রচার করেছে।
বাবা-মায়ের হাতে শিশু হত্যার ঘটনা একালে ঘটেনা? চার/পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষিত হয়না? মেয়ে শিশু জন্মার আগেই গর্ভপাত ঘটানো হয়না? তাহলে ইসলামের আর্বিভাবে কি উপকার হল? আইয়ামে জাহেলিয়াত কি ইসলাম প্রচারের পরও বর্তমান আছে? আইএস ও সৌদি আরব যেটা করছে সেটা কি আইয়ামে জাহেলিয়াতের চেয়ে ঘৃণ্য নয়?
সুরা আহযাবের ৩৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে “আর তোমরা গৃহে অবস্থান করো এবং জাহিলীযুগের মতো নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না”। জাহেলিয়াতের যুগ কতদিন ছিল? মোহাম্মদ কোরান প্রচারের আগে চিরকাল কি জাহেলিয়াত ছিল? নাকি মোহাম্মদ যে সময় কোরান প্রচার শুরু করেন সেই সময় ও তার অব্যবহিত পূর্বকাল জাহেলিয়াত ছিল? তা হলে কোরান কি একটা বিশেষ সময়ের প্রতিক্রিয়া? কোরানের প্রতিটি ছত্রে বিশেষ সময় ও বিশেষ পরিবেশের প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়। “নাজিল হওয়া”র আগে থেকেই “লওহে মাহফুজে” রক্ষিত যে “চিরন্তন” কোরান, সেই কোরান একটি বিশেষ সময়ের বিশেষ পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া কেন হবে? কোরান স্থান বা কাল নিরপেক্ষ নয়। এটা সকল কালের এবং সকল সমাজের জন্য প্রযোজ্য হতেই পারেনা। নিজের মতাদর্শ ও সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা জন্য মোহাম্মদ কোরানের মাধ্যমে আইয়ামে জাহেলিয়াতের চেয়ে নিকৃষ্ট বিধান তৈরি করেছেন।
ইসলাম পূর্ব জাহেলি যুগে নারীর অনেক অধিকার ছিল। সম্পত্তিতেও তাদের পূর্ণ অধিকার ছিল। কিন্তু মোহাম্মদ সেই অধিকারও অনেকাংশে হরণ করেছেন। জাহেলী যুগের বিধান অনুযায়ী খাদিজা তার স্বামীর মৃত্যুর পর সমস্ত সম্পত্তির মালিক হয়েছিলেন। সেই যুগে নারীর স্বাধীন জীবনযাপনের অধিকার ছিল। তারা নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে পারতেন। খাদিজা স্বামী মারা যাবার পর একা থাকতেন, তিনি মোহাম্মদকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করেছিলেন। ইতিহাস গোপন, বিকৃত কিংবা মুছে ফেলা হলেও এসব ঘটনা তৎকালিন জীবন ব্যবস্থার উকি দেয়। জাহেলি যুগের বিধান পাল্টে দিয়ে ইসলাম নারীর অধিকার কেড়ে নিয়েছে এবং নারীকে পুরুষের ভোগ্যপন্যে রুপান্তরিত করেছে।
সেকারণেই বলি, হে বাঙালি মুসলমানগণ তোমরা ইসলাম পরিত্যাগ কর। ইসলাম হিংসা ও বর্বরতারই নামান্তর। কাহারও বিশ্বাস-অবিশ্বাসের কারণে কাউকে হত্যা করে এরকম প্রথা ইসলাম ছাড়া আর কোথাও নাই। যদি ইসলামে বিশ্বাস রাখ তাহলে মক্কা-মদিনায় তোমাদের ভাইয়েরা বাঙালি মেয়েদের ইচ্ছামত ধর্ষণ করলে ক্ষোভ করিওনা। কারণ তারা ইসলাম পরিপন্থী কোনও কাজ করছেনা। নারীর মধ্যে অধিকারভূক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা স্ত্রীলোক মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ। দাসীদেরকে মুসলমানদের জন্য হালাল করা হয়েছে, যখন তারা তাদের ইদ্দত পূর্ন করে নিবে।
সুরা আন নিসা ২৪ আয়াতে বলা হয়েছে “নারীদের মধ্যে তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায় তাদের ছাড়া বাকি সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; -এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম।” হে মুসলমানগন, তোমরা আল্লাহ এই হুকুমকে কিভাবে অস্বীকার করবে, যদি কোরানকে ঐশী গ্রন্থ হিসেবে স্বীকার কর।
বাংলাদেশ অর্থের প্রয়োজনে মক্কা-মদিনার দেশে নারী কর্মী প্রেরণ করছে। ফলে সৌদি পুরুষদের দক্ষিণ হস্ত অনেক বাঙালি মেয়ের মালিক হয়ে গেছে। তারা কোরানের বিধান অনুযায়ী ইচ্ছামত অসহায় বাঙালি নারীদের ভোগ করছে। প্রথম আলোর রিপোর্টে সেরকমই দেখলাম।

প্রথম আলো রিপোর্ট: মধ্যপ্রাচ্যে নির্মম নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশি মেয়েরা

লেখা: সংগৃহিত।
[নাস্তিক, মক্তমনা ও মানবতাবাদী মানুষকে হত্যার প্রতিশোধ কিভাবে নেবেন? আপনিও কি মুমিন মুসলমানদের মত খুনি হবেন? না, আমরা তা করব না। আমরা প্রকৃত অপরাধী মোহাম্মদের মুখোস উন্মোচনের মাধ্যমে, সত্য প্রকাশের মাধ্যমে এবং ইসলামের মিথ্যা মোহে আচ্ছন্ন নিরীহ মুসলমানদের জ্ঞান দৃষ্টি খুলে দেয়ার মাধ্যমে প্রতিশোধ নেব। জ্ঞান বিস্তারের মাধ্যমে সমাজের উপকার করতে পারলেই জ্ঞান বিদ্ধংসী জঙ্গী অপরাধীরা পরাজিত হবে। সে কারণেই আপনাকে অনুরোধ করছি লেখাটি সংগৃহিত হিসেবে আপনার ফেসবুক পেজে কপি-পেষ্ট করুন। এই লেখা সবার। এজন্য কাউকে ক্রেডিট দিতে হবেনা। ব্লগার হত্যার প্রতিশোধ নিন। তবে যারা ধর্মীয় অনুভুতিরোগে কাতর হয়ে সৌদিদের যৌন অনুভূতিকে সেবা দিতে চান তাদের এই লেখা পড়ার কিংবা শেয়ার করার দরকার নেই। ]

৭ thoughts on “সৌদি পুরুষদের দক্ষিণ হস্ত বাঙালি মেয়েদের মালিক হয়ে গেছে

  1. ,,যারা ধর্ম কে বিজ্ঞানের সাথে
    ,,যারা ধর্ম কে বিজ্ঞানের সাথে মিশিয়ে জগা খিছুড়ি বানিয়েছে,
    তারাি মানুষ।হত্যায় প্ররোচিত করছে।,
    সত্য বললে চাপাতির কোপ
    মিথ্যা বললে সর্গের লোভ,,,

  2. একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী রাষ্ট্র
    একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের নৈতিক দায়িত্ব নবীর দেশের পুরুষদের ঈমানদন্ডের চাহিদা মেটানো।

  3. আপনাদের লেখা এত সুন্দর!আমাদের
    আপনাদের লেখা এত সুন্দর!আমাদের উপজাতিদের ভেতর ধর্ষণের কোন অস্তিত্ব নেই কারন আমাদের সমাজে জোর করে কোন মেয়ের সাথে সহবাস করলে তা ধর্ষণ নয়।এটা সামান্য অপরাধ, এ অপরাধে অপরাধীকে একটি শুয়োর কেটে দিলেই হল। ইসলামে এ অপরাধের শাস্তি মিত্যু দন্ড। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি যাতে এমন আইন হয় যে পাহাড়িদের মত জোর করে সহবাস করলেও তা ধর্ষণ না হয়।

  4. লেখাটা একটা বাস্তবতার ছবি। যে
    লেখাটা একটা বাস্তবতার ছবি। যে সত্য বলা বা লেখা সমাজে নিষিদ্ধ সেই সত্য অকপটে বলেছেন। তবে সাবধানে থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন। ওরা আপনার লেখার বিপক্ষে একটাও যুক্তি দেখাতে পারবে না। যু্ক্তির ভাষা জানেনা বলে ওরা চাপাতির ভাষায কথা বলে। নিরাপদে থাকুন, ভাল থাকুন।

  5. কোরানের বিধান অনুযায়ী দাসীদের

    কোরানের বিধান অনুযায়ী দাসীদের ধর্ষন করা জায়েজ। এটাই ইসলাম। সূরা আল মুমিনূন ২৩: ৬: “তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে (নিজেদের যৌনাঙ্গকে) সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।”

    আসলে আপনি কোরানের যে আয়াত দিয়ে ঘরের কাজের মেয়ে ধর্ষণ যায়েজ বলতে চেয়েছেন সেটি মারাত্নক মিথ্যা প্রচার।
    মালিকানাভুক্ত দাসী বলতে গৃহকর্মি বোঝায় না। তখনকার সমাজে সারা পৃথিবী জুড়ে দাসপ্রথা চালু ছিল। বাজারে যুদ্ধবন্দীদের দাস-দাসী হিসেবে কেনা বেচা হত। এবং বিক্রি হয়ে যাওয়া দাস-দাসীকে মালিকের অধিনে থাকতে হত। কোরানের আয়াতে এরকম দাসের কথাই বলা হচ্ছে। এখন এর পৃথিবীতে দাস প্রথা নেই। তাই উক্ত আয়ত এখানে প্রজোয্য নয়।

    কোরানে নারীদের ব্যপারে পরিষ্কার উল্লেখ আছে–

    হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয় এবং তাদেরকে আটক রেখো না যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও; কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর। অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এমন এক জিনিসকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন। [সুরা নিসা: ১৯]

    মক্কা-মদীনায় যেসব বাঙালি মেয়েকে ধর্ষন করা হচ্ছে শরিয়া আইন অনুযায়ী তাদের বিচার পাওয়ার সুযোগ নেই।

    শরীয়া আইনে ধর্ষন মানে হচ্ছে যেনা, আর ইসলামে যেনার শাস্তি মৃত্যুদন্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *