অাঙ্গুলচোষা রাজ্য নীতি।

অামি যে রাজ্যে বাস করি সে রাজ্যের রানী সিংহাসনে বসে শুধু অাঙ্গুল চুষে বেড়ান। অাঙ্গুল চোষায় এদেশের রাণী,প্রজা,মন্ত্রী সেনাপতি সবাই পটু। কিন্তু একটা সময় অাঙ্গুল চোষা থেকে বিরত হন রানী ও তার চ্যালারা। যখন সিংহাসন সংকটে পড়ার সামান্য অাভাস পান সেটা কঠিন হস্তে দমন করেন। অাঙ্গুল চোষেন না। এ ধরুন না কয়েক বছর অাগে তারই এক প্রজা হঠাৎ করে নোবেল পেয়ে প্রভাবশালী হয়ে উঠল। তার সাজানো পরিবারতন্ত্রের উর্দ্ধে গিয়ে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠায় নেমেছিল সে। ২০ টটা মামলায় ধরিয়ে দেন তাকে তার মধ্যে একটি মামলা ঠিকেছিল মানহানির মামলা!! তিনি বলেছিলেন না’কি, রাজ্যের রাণী, মন্ত্রী চ্যালারা বসে বসে শুধু অন্ন গিলেন রাজ্যের কাজ করেন না। কিন্তু সম্ভবত ৫০০ কি ১০০০ টাকায় জামিন হয়ে যায় তার। উপায়ন্তর না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাণী নাস্তিক সুদখোর বলে তাকে দেশ থেকে বাহির করে দেন । অাবার কোন এক অাস্তিকবাদী উগ্রপন্থী জমাতী যখন তার সিংহাসন দখলের জন্য হামলা চালাইলো তিনি ক্রস ফায়ার করে সবগুলারে দমন করেন। এ সময় তিনি ভুলেও অাঙ্গুল চোষেন নাই। অথচ সুইস ব্যাংক থেকে রাজ্যের ৮০০ কোটি টাকা চুরি হল তিনি তখন অাঙ্গুল চোষছেন। যখন তনুর মত মা বোনেরা ধর্ষণ হল তখনো অাঙ্গুল চোষছেন। যখন অামরা প্রজারা মা বোন দের ঘরের বাহিরে একা বের হতে দিতে অনিরাপদ বোধ করি তখনো তিনি অাঙ্গুল চোষছেন। যখন ব্লগার ও লেখক হুমায়ন অাজাদ, অভিজিৎ রা খুন হল তখনো বসে বসে অাঙ্গুল চোষছেন। অাঙ্গুল যেন চোষেই যাচ্ছেন, অাঙ্গুল চোষা ছাড়া যেন রাজ্যে তাদের অার কোন কাজ নেই। প্রজারাও বসে বসে অাঙ্গুল চোষছেন অার ফেইসবুকে নগ্ন প্রতিবাদের সুর তুলছেন। ধর্ম সংকটে গেলে যত সমস্যা, রাজনীতি সংকটে পড়লে যত সমস্যা, অার রাজ্য সংকটে পড়লে রাজ্য সংকটে পড়লে সবাই অাঙ্গুল চোষা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *