কমছে জ্বালানি তেলের দাম

সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম কমানো হচ্ছে।প্রথমে বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম কমানো হচ্ছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার কারনে এই সিন্ধান্ত গ্রহণ করছে সরকার। তেলের দাম গড়ে ১০ শতাংশ কমানো হলে দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে। দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৫৫ লাখ মেট্রিক টন। যার প্রায় পুরোটাই আমদানি করা হয়। এ তেল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পরিবহন খাতে, ৪৫ শতাংশ। এ ছাড়া বিদ্যুৎ খাতে ২৫ শতাংশ, কৃষি খাতে ১৯ শতাংশ, শিল্প খাতে ৪ শতাংশ এবং গৃহস্থালি ও অন্যান্য খাতে ৭ শতাংশ।আন্তর্জাতিক বাজারে বৃদ্ধির কারণে সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়। তখন পেট্রোল-অকটেন লিটারপ্রতি ৫ টাকা এবং ডিজেল কেরোসিনের দাম ৭ টাকা করে বাড়ানো হয়েছিল। বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেন ৯৯, পেট্রোল ৯৬, কেরোসিন ও ডিজেল ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার কারনে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কমলে দেশের লোক কৃষি উৎপাদন, পরিবহণ , বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাতে ব্যবহার করে বেশি লাভবান হবে এবং উৎপাদনে আগ্রহী হবে। এতে দেশের প্রবৃদ্ধি অনেকাংশে বেড়ে যাবে। যা জাতীয় উন্নতিতে আবদান রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *