কিছু রঙিন স্বপ্ন এবং “ধূসর” বাস্তবায়ন

“প্রতিটি ব্যার্থ প্রেমই আমাকে নতুন প্রেরণা দেয়,
আমি মানুষ হিসেবে আরেকটু লম্বা হয়ে উঠি”
ব্যার্থ প্রেম, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

ঠিক ফিল্ম না, টিভিসি নিয়ে সেই স্কুল থেকে ব্যপক আগ্রহ আমার। ইয়ে, কলেজে পড়াকালীন সময়ে বাপজানের সামনে বিষয়টা প্রকাশ পেলে সেইরকম ঝাড়ি খেয়ে বাত্তি জ্বলার আগেই সুইচ অফ হয়ে যায় :দীর্ঘশ্বাস:


“প্রতিটি ব্যার্থ প্রেমই আমাকে নতুন প্রেরণা দেয়,
আমি মানুষ হিসেবে আরেকটু লম্বা হয়ে উঠি”
ব্যার্থ প্রেম, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

ঠিক ফিল্ম না, টিভিসি নিয়ে সেই স্কুল থেকে ব্যপক আগ্রহ আমার। ইয়ে, কলেজে পড়াকালীন সময়ে বাপজানের সামনে বিষয়টা প্রকাশ পেলে সেইরকম ঝাড়ি খেয়ে বাত্তি জ্বলার আগেই সুইচ অফ হয়ে যায় :দীর্ঘশ্বাস:

গতবছর হঠাৎ করেই চলচিত্রপ্রেমী কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়ে যায়। ব্যক্তিগত কৌতুহল থাকায় সবাইকে ত্যাক্ত-বিরক্ত করে প্রতিটি বিষয় খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানার চেষ্টা করি যতটা পারি আর কি। একসময় মনে আসে, সুযোগ যখন এসেইছে, সেইটা না হারিয়ে কাজে লাগাই না কেন? শুরু করি আমার প্রথম শর্টফিল্ম “এ প্লাস” !

এ ব্যাপারে আমি কৃতজ্ঞ কুম্ভকর্ণ, ভাইয়া এবং আমার দেখা সেরা কাপলদের এক কাপল “আভিজিত-চন্দনা” দের কাছে, কারণ তাদের অনুপ্রেরণা না পেলে হয়ত আমি কিছু করতে পারতামনা। নানা ঝামেলা পার করে অবশেষে শুরু হয় কাজ। প্রথম দিন আড্ডাদিয়েই কাটলেও দ্বিতীয় দিনে অর্ধেকের বেশি শ্যুট হয়ে যায় সবার সহায়তায়। সেই রাত্রেই চন্দনা হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পরে এবং পরবর্তীতে ওদের বাসায় কিছু সমস্যা দেখা দিলে “এ প্লাস” অসমাপ্তই থেকে যায়। ব্যার্থ হয় আমার প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচিত্র।

কিছুদিন পর “এ প্লাস” এর চিন্তা ছেড়ে দিয়ে নতুন কিছু করার কথা ভাবলাম। আমাদের এলাকাতে একটা প্রবাদ আছে,

“তাল দেয়ার সবাই আছে, গুড় দেবে কে?”

আরে শুরু করে দাও! আর কেউ থাকুক বা না থাকুক, আমি আছি! ডাকা মাত্র চলে আসবো, হেন-তেন… কিন্তু কাজের বেলা কেন জানি সবাই একসঙ্গে বিজি হয়ে পরে! কথায় আছে না, ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়- জ্বি, শুধু মাত্র ইচ্ছাশক্তির জোরেই বানিয়ে ফেললাম অফিসিয়ালি আমার প্রথম শর্টফিল্ম “ধূসর”

এই শর্টফিল্ম করতে যেয়ে আমাদের মাত্র তিন সদস্য বিশিষ্ট টিমকে আক্ষরিক অর্থেই অনেক প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়তে হয়েছে। যেমন, কোন ভাবেই একটি সাধারণ ডিজিটাল ক্যামেরাও কোথাও থেকে ম্যানেইজ করতে না পেরে আমার প্রাগৈতিহাসিক ফোন দিয়েই স্যুট করবো ঠিক করেছিলাম! এসময় অপ্রত্যাশিত ভাবেই এক বড় ভাই তার ক্যানন ৫৫০-ডি ক্যামেরা টি তিন দিনের জন্য দিলেন! এবারো প্রথম দিনে কাজের থেকে কথা বেশি হল। সেই ক্ষতি দ্বিতীয় দিনে পুষিয়ে নেয়ার জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা কাজ করে প্রায় ৭৫% কাজ শেষ করে ফেললাম আমরা। ছোট একটা মেয়ের রোল আছে, যেটা আমার কাজিন করবে এবং একটা রোড অ্যাকসিডেন্ট এর সিন নিতে হবে। বেশ খুশি মনে বাড়ি ফিরে রাতে ফোনে খবর পাই মেমোরি কার্ড করাপ্টেড হয়ে গেছে এবং সেদিনের ৩২জিবি ভিডিও ফুটেজ গায়েব! সে সময়ের মানসিক অবস্থা ব্যাখ্যা না করি। তৃতীয় ও শেষ দিন আর্টিস্ট এর কাজ থাকায় সেদিন কিছুই করা গেলোনা।
হঠাৎ করে পরপর দুইদিন হরতাল ডাকায় অবশেষে ষষ্ঠদিন দুপুরে প্রথম থেকে রি-শ্যুট করা হলো। কপাল বেশি ভালো হলে যা হয়, সেদিন কুয়াশার কারণে সবকিছু কেমন জানি মরা মরা দেখাচ্ছিলো। তবে দ্বিতীয় দিন সুন্দর আবহাওয়া থাকায় সত্যিই চমৎকার কিছু ফ্রেম পেয়েছিলাম, যা “ধূসর” এর অর্থকে সার্থক ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতো। যাহোক, স্ক্রিপ্ট কে ইন্সট্যান্ট একটু চেঞ্জ করে মোটামুটি ভাবে কিছু একটা করে আমার কাজিন এর অপেক্ষায় আছি, শেষ মুহুর্ত্বে সে ফোনে বলে কি না, “সরি আপু, আমি আসলে এইটা করতে চাইছিনা………” ৭টায় ক্লাস টেস্ট, আমার যেতে হবে, অন্যের ক্যামেরা দিয়ে দিতে হবে… মাথা কাজ করছিলোনা যেন, ৫মিনিটের সিদ্ধান্তে কোন রকম প্রিপারেশান ছাড়াই রোলটা আমিই করে ফেললাম (সিদ্ধান্ত টা যে কতবড় ভুল ছিল, টা তখনি বুঝতে পেরেছিলাম) অবশেষে শেষ হলো এবং অনলাইনে ছাড়লাম

Short Film “Dhushor” from Jenny Islam on Vimeo.

ইয়ে, “ধূসর” এর মূল উদ্দেশ্য হলো হঠাৎ করে অন্ধ হয়ে যাওয়া এক তরুণের চিন্তা-চেতনা কে তুলে ধরা, তার রঙ্গিন অতীত ও ধূসর বাস্তবতার মাঝে যে ধাক্কা তা দেখানো। কিন্তু অতি দুঃখের বিষয় হলো, অধিকাংশ মানুষ এর মানেই বুঝে নাই! আর যারা বুঝেছে, তারা বলেছে,- একজন হতাশাগ্রস্থ ছেলের জীবন!

ফিল্মে পরিচালক কি বুঝাতে চেয়েছে, তা যদি কেউ নাই বুঝলো, তাহলে স্বার্থকতা কোথায়? সবাইকে আঁটি ভেঙ্গে শাঁস দিয়ে বেড়াতে বেড়াতে বুঝলাম আমার ব্যার্থতা :ভাঙামন: :ভাঙামন: :ভাঙামন:

কিন্তু

প্রতিটি ব্যার্থ ফিল্মই আমাকে নতুন প্রেরণা দেয়,
আমি পরিচালক হিসেবে আরেকটু অভিজ্ঞ হয়ে উঠি


জ্বি,একটা সম্পূর্ণ ব্যার্থ এবং আরেকটি অর্ধ-ব্যার্থ শর্টফিল্মের সাথে কিছু চরমতর তিক্ত অভিজ্ঞতা আমাকে দমাতে পারেনি বরং আগ্রহ আর অভিজ্ঞতা কে একটু বাড়িয়েছে। আর এইদুটি নিয়েই কিছুদিনের মাঝে শুরু করছি আমার পরবর্তী শর্টফিল্ম “সম্পূরক”! সবার জন্য সুখবর হলো “সম্পূরক” এ লিড রোলটি করছে আমাদের “চির যুবা” ভাইয়ের মেয়ে জয়া!!!

তো আমাকে আবারো তালি অথবা গালি দেয়ার জন্য সবাই আগে থেকেই প্রস্তুত থাকছেন তো??

২২ thoughts on “কিছু রঙিন স্বপ্ন এবং “ধূসর” বাস্তবায়ন

  1. আপনার সাথে আলোচনা করতে চাই।
    আপনার সাথে আলোচনা করতে চাই। ফিল্ম নিয়ে আমাদের কয়েকজন বন্ধুর ব্যাপক আগ্রহ। কিন্তু সাধ-সাধ্যের সমন্বয় হচ্ছেনা। তেমন কিছু জানিও না। ফিল্মটি দেখার পরে আবার মন্তব্য করবো। প্রতিকূলতা পেরিয়ে কাজ করতে পেরেছেন সেজন্য :থাম্বসআপ:

    1. ফিল্ম নিয়ে যে কোন সময় আলোচনা
      ফিল্ম নিয়ে যে কোন সময় আলোচনা করতে পারেন (যদিও এ বিষয়ে আমি এখনো কিছুই জানিনা)
      মনের নতো সমন্বয় কখনোয় হবে না, সাহস করে যা জান্নেন সেইটিই সম্বল করে শুরু করে দিন!!
      দেখে আপনার চোখে ভুলত্রুটি গুলো জানিয়ে দিবেন কিন্তু!!!

  2. কাজটা সম্পন্ন করে প্রকাশ করতে
    কাজটা সম্পন্ন করে প্রকাশ করতে পেরেছেন সেটার জন্য অভিনন্দন জানাই (আফসুস গতবছর থেকেই অপেক্ষায় আমাদেরটা কবে রিলিজ পাবে, ডিরেক্টররে জিগাইলেই কয় “দেশ স্বাধীন হোক” :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস: )
    এমনকি নিজের কাজটাও সারতে পারি নাই। সে যাই হোক এই লাইনে কিছুটা কাজ করতে গিয়ে সামান্য কিছু জিনিস শিখেছি, তাও অনেকটা ঠেকে ঠেকেই। প্রথম দিকে যারা কাজ করবেন তাদের অবশ্যই কয়েকটা জিনিস মাথায় রেখে কাজ করতে হবে পরিচালককে। প্রথমত স্ক্রিপ্ট রাইটার (যদি আলাদা থাকে ) থেকে ভালো করে গল্প বুঝে নিতে হবে সময় দিয়ে, বুঝার সময় কল্পনা করে করে সেটি নিয়ে আলোচনা/পরামর্শ করতে হবে স্ক্রিপ্ট রাইটারের সাথে। তারপর সেগুলোর একটি নোট/ছক সাথে সাথেই লিখে রাখতে হবে। এরপর সম্ভাব্য স্থান যেখানে যেখানে নির্বাচন করা যায় সেগুলো নিয়ে ভাবতে হবে। এরপর স্টোরি বোর্ড তৈরী করে ঐমাফিক স্থানগুলোতে গিয়ে কিছু স্ক্রীণশর্ট নিয়ে আসতে হবে। কলাকুশলীদের সাথে নিয়ে এর ফাঁকে রিহার্সেল অবশ্যই করতে হবে ( না হলে ঐ অবস্থাই হবে, হ্যাঁ আমি আসব, কিন্তু সময়ে দোস্ত বিলিভ কর পেট সিরিয়াস পাতলা), রিহার্সেলের পাশাপাশি ঐ স্থানগুলোতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ের ভিডিও ফুটেজ নিয়ে আসতে হবে। এবার ঐ ফুটেজগুলো এবং চরিত্রের সাথে মানানসই প্রপস সমূহ জোগাড় করে ফেলতে হবে। এককথায় প্রি-প্রোডাশন অবশ্যই অবশ্যই তৈরী থাকা চাইই। এটাকে উপদেশ হিসেবে নিবেন না কেউ, অনলাইন ঘেটে, বাস্তবে কিছু কাজ করে যেইটুকু অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি তারই আলোকে বলছি, হয়তো ভিন্ন হতেও পারে।

    ডাউনলোড করলাম এবার দেখবে এর আগেই নিজের মনের কথাগুলোই বলে দিলাম, আশা করছি ভালো কাজই হবে।

    ** এটি যদি অন্যকোন ব্লগে প্রকাশিত না হয় সেক্ষেত্রে ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাবো এটি যেনো প্রজন্মের বায়োস্কপএ লাগাতে।

    1. দারুন হয়েছে, যাদের
      দারুন হয়েছে, যাদের সহযোগিতায় এত সুন্দর একটি শর্ট ফিল্ম দেখলাম তাদের সকলকেই জানাই শ্রদ্ধা।

      1. ভালো লাগার জন্য আপ্নাকেও
        ভালো লাগার জন্য আপ্নাকেও “ধূসর” টীম এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ 😀
        আপনার মতামত সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছি 😀

    2. অপেক্ষায় থাকলে আসলে বেশ কিছু
      অপেক্ষায় থাকলে আসলে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। আমার এক বন্ধু বলছিলো ফেব্রুয়ারিতে ওরা একটি টেলিফিল্ম করেছে, কিন্তু অর্ধেক দামে চ্যানেল নিতে চাইছে! কারণ, সেসময় প্রজন্ম-চত্বর এর টিআরপি বেশি ছিলো!
      বুঝুন, কি পরিমান নোংরা বাণিজ্য!
      আর আপনাদের প্রোমো দেখেই বুঝেছিলাম অসাধারণ কিছু একটা করেছেন! দেখার অপেক্ষায় আছি কিন্তু! আপনার কথা গুলো যে ঠকে শেখার অভিজ্ঞতা, সেইটা বুঝতে পারছি, কারণ, নিজেও তো কিছুটা হলেও ভুক্তভুগি।
      আসলে একজন ডিরেক্টর যখন ৩ দিন সময় নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সেটা শেষ মুহূর্তে দু আড়াই ঘণ্টায় কমপ্লিট করতে হয় তায় আবার আর্টিস্ট একজন কম নিয়ে তখন সেটা কতোটা মজাদার হতে পারে তা হারে হারে টের পাচ্ছি।
      আমি আমার মতো লোকেশনে গিয়ে আগেই শট ডিভিশন এবং বেসিক স্টোরীবোর্ড করে নিয়েছিলাম, পরে আসলে সেটা ফলো করা হয়নি পুরোপুরি, বুঝতেই পারছেন সময় আমাকে কতোটা ক্ষতিগ্রস্ত করে তুলেছিলো, তবে আমি অনড় ছিলাম নিজের যায়গায়, আমি বানিয়েই ছাড়বো, যদিও তাড়াহুড়া করার ফলে শর্টফিল্মটি অনেকেই বুঝতে পারেননি ঠিকমতো, এই আক্ষেপ রয়েই যাবে আমার।
      তাড়াহুড়ার ফলে সত্যি বলতে শট ডিভিশন সবক্ষেত্রে পারফেক্ট ছিলোনা, এক শটের পরে আরেক শটে যেতে গেলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু ক্ষেত্রে নিশ্চই চোখে লেগেছে আপনার, প্লাস স্মুথনেসের অভাব আমি নিজেই চরম ভাবে উপলব্ধি করছি, কিচ্ছু করার ছিলো না, আবার যেমন আলো স্বল্পতায় অন্ধকারের সিকোয়েন্সগুলোতে ISO কি পরিমাণ বাড়িয়ে নেয়া হয়েছে তা নিশ্চই বুঝতে পারছেন, পুরোটাই নয়েস এ ভর্তি।
      তবে রিহার্সাল, শট ডিভিশন এবং স্টোরীবোর্ড (তা বেসিক স্কেচ হোক আর যাই হোক) এর পক্ষে সবসময় আছি আমি। লোকেশনে গিয়ে এই সিন নাও সেই সিন নিলে কেমন হয় অথবা আর কি করা যেতে পারে টাইপ যায়গায় বসে চিল্লাইতে আমি সমর্থন দেই না (যদি প্র প্রডাকশনে সেটা করা সম্ভবপর না হয় তাহলে ভিন্ন কথা), আমি প্রি প্রডাকশনকে অনেক মূল্য দেই তবে সত্যি বলতে কি ফিনান্সিয়াল কারনে চাইলেও সবসময় প্রপস জোগাড় করা সম্ভব হয়না, তাই ক্ষুদ্র পরিমাণে সাপোর্ট দিতে পারে এমন প্রডিউসার অথবা স্পন্সর আমাদের মতো ক্ষুদে ফিল্মমেকারদের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়।
      আর হ্যা, এডিটিং করার পর এডিটর কাম সিনেমাটোগ্রাফার ফেসবুকে বারবার ভিডিও আপ করতেছিলো (প্রাইভেসিতে আমি একাই ছিলাম, তাই আর কেউ দেখতে পারতো না সেটা) আর আমি সেটা ডাউনলোড করে এই চেঞ্জ হবে সেই চেঞ্জ হবে বলে নির্দেশনা দিচ্ছিলাম, শেষে আমার এবং এডিটরের গাফলতিতে আর মিউজিকটাতে আমি কোন নির্দেশনা দিতে পারি নাই, ফলশ্রুতিতে সেটা আসলে আমার মন মতো হয়নি এবং হয়তো এটা ধূসরের জন্য একটি নেগেটিভ দিক, আমার ধারণা ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরিং ভালো করলে এটা আরেকটু হয়তো ভালো হতে পারতো।
      বাই দ্যা ওয়ে, “ধূসর” অন্য কোন ব্লগ এ এখনো পর্যন্ত শেয়ার দেয়া হয়নি, অন্য কোন ব্লগে “ধূসর” নিয়ে লিখিনি আমি, এটা এখানে একাউন্ট করেই প্রথম পোষ্ট হিসেবেই দিয়েছি, আর ইস্টিশন কর্তৃপক্ষ যদি এটাকে বায়োস্কোপে এড করতে আগ্রহী হয় তাহলে অবশ্যই সেটা আমার জন্য একটি বাড়তি পাওনা, তবে সেক্ষেত্রে এটা সবার অনুরোধের কারনে মডারেটরদের বিবেচনা করতে মানা করবো, যদি তারা এটা বায়োস্কোপের জন্য উপযুক্ত মনে করেন শুধুমাত্র তখনই যেন এড করেন
      অনেক বড় করে রিপ্লাই দিয়ে ফেললাম, সরি

  3. পোষ্টারে আর ফিল্মে “ধূসর”
    পোষ্টারে আর ফিল্মে “ধূসর” লেখাটা লাল রঙ্গে লেখা কেনো :জলদস্যু:

    নেক্সট ফিল্মে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করতে চাই যদি পাশে সুন্দরী নায়িকা পাই :নৃত্য:

  4. যেহেতু মফস্বলে থাকি তাই নেটের
    যেহেতু মফস্বলে থাকি তাই নেটের স্পিড খুব খারাপ। পাঁচ মিনিটের ভিডিও দেখতে জান বাইর হয়ে যায়। এখন নেট স্পিড একটু ভালো, তাই আপনার মুভিটা নামায়ে দেখে ফেললাম। অভারঅল ভালো লাগছে। আদনানের অভিনয়ের ব্যাপারে বলি। রঙিন অংশে উনার অভিনয় সাবলীল হইছে। ধূসর অংশে একটু আরোপিত মনে হচ্ছিলো অভিনয়। জেনির অভিনয় কাঁচা হইছে। 😛 ক্যামেরার কাজ ভালো লাগছে। ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর আরও ভালো করা যেতো। যেহেতু সরাসরি উপস্থিত থেকে আপনি করাতে পারেননি তাই আপনার ইচ্ছার সবটুকু প্রতিফলন ঘটাতে পারেননি বুঝলাম। এডিটিং ভালো লাগছে। তবে ক্যামেরার এঙ্গেলের ব্যাপারে একটু বলি- ক্যামেরা অধিকাংশ সময় আই লেভেলে রাখলে ভালো হয়। আপার বা লোয়ার এঙ্গেল বিশেষ বিশেষ দৃশ্যের জন্য রাখলে ভালো। মুভির ব্যাপারে আমার অভিজ্ঞতা শুন্য। জাস্ট একজন দর্শক হিসেবে আমার মতামত জানালাম। অন্যভাবে নেবেন না। উৎসাহ দিতেই আমি পছন্দ করি। আপনি সামনে আরও ভালো ভালো কাজ উপহার দিতে পারবেন এই বিশ্বাস “ধূসর” দেখে তৈরি করাতে পেরেছেন। আপনার পুরো টীমের জন্য শুভকামনা। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. আদনান মোটামুটি ভালো করেছে বলা
      আদনান মোটামুটি ভালো করেছে বলা যায়, আর আমার কাহিনী তো আগেই বলেছি :আমারকুনোদোষনাই: :চিন্তায়আছি:
      আসলে এইটিও আমার দোষ, আমার তখন মনে হয়েছিলো, এই অ্যাঙ্গেল হয়তো ভালো লাগবে, ক্যামেরা এঙ্গেলের ক্ষেত্রে আমি কিছু ডিটেইলিং দেখাতে চেয়েছি কিছু ক্ষেত্রে, তাই এক্সট্রিম ক্লোজআপ অথবা একেবারে লোয়ার এঙ্গেলে পদচারণা, রেলিং এ পা আটকে যাওয়া বিষয়গুলো আগে থেকেই প্ল্যান মাফিক ছিলো, আর যেহুতু মুল গল্পে আর্টিস্ট মাত্র একজন সেক্ষেত্রে বেশি সময় আই লেভেলে রাখলে বেশি শটের ক্যারিশমা দেখানো যাইতো না ধরেন দুইজন আর্টিস্ট থাকলে একে অপরের অভার দ্যা শোল্ডার এ ডায়ালগ নিতে থাকলেই সুন্দর ভাবে ৫ মিনিট কাটিয়ে দেয়া যায়, যখন মানুষটি একা তখন ঝামেলা অনেকখানি বারবার ক্লোজ আপ বা মিড শট দেখাইলে দর্শক বোরিং ফিল করবে
      সাধারণ দর্শকই অসাধরণ মতামত গুলো জানিয়ে দেয় কিন্তু!! :চোখমারা: :চোখমারা:
      আর মতামতের জন্য ধন্যবাদ, আপনার বিশ্বাস ধরে রাখার চেষ্টা করবো পরবর্তী কাজ গুলোর মাধ্যমে 😀

    1. এইডা তো আমার জিগান উচিত…
      এইডা তো আমার জিগান উচিত… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *