এহেন বর্বরিক ধর্ষন ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে ন্যায় বিচার এর আওতায় আনতে আর কত বিলম্ব হবে?

এহেন বর্বরিক ধর্ষন ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে ন্যায় বিচার এর আওতায় আনতে আর কত বিলম্ব হবে?
আমরা সবাই আশা করি এই ধরনের অপরাধকারীদের আইন শৃংখলা বাহিনী দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনয়ন করিবেন ও বিচার বিভাগ তাদের সর্বোচ্চ শাশ্তির বিধান করিবেন।
অন্যথায় জনগণের বিশেষ করে নারীদের জীবনের নিরাপত্তা তো বিঘ্নিত হয়ে গেল!

হাসান মাহমুদ এর পক্ষ হতে।
প্রকাশক- আঃ হাকিম চাকলাদার।

Justice for Tonu

এহেন বর্বরিক ধর্ষন ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে ন্যায় বিচার এর আওতায় আনতে আর কত বিলম্ব হবে?
আমরা সবাই আশা করি এই ধরনের অপরাধকারীদের আইন শৃংখলা বাহিনী দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনয়ন করিবেন ও বিচার বিভাগ তাদের সর্বোচ্চ শাশ্তির বিধান করিবেন।
অন্যথায় জনগণের বিশেষ করে নারীদের জীবনের নিরাপত্তা তো বিঘ্নিত হয়ে গেল!

হাসান মাহমুদ এর পক্ষ হতে।
প্রকাশক- আঃ হাকিম চাকলাদার।

Justice for Tonu

Sohagi Zahan Tonu, 19 years of age, an honors student of history, was raped, tortured and killed on 20th March, 2016. This merciless act of brutality happened in Comilla cantonment area, Comilla, Bangladesh. While the authorities have promised justice, the people of Bangladesh have seen too many cases where no action was taken. It is time we ensured justice for Tonuand others like her.

গত ২০ মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যায় ধর্ষিত ও নিহতহয় ১৯ বছর বয়সী ইতিহাসের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু। ঘটনাটি ঘটে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরেই। যদিও কর্তৃপক্ষ এর ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিন্তু এর আগে এরকম বহু ঘটনার কোন সুরাহা হয়নি বলে স্বস্তি পাচ্ছে না মানুষ। এখন সময় এসেছে তনু এবং আর সকল নির্যাতিতাদের ন্যায়বিচারনিশ্চিত করার।

সূত্র- http://www.ipetitions.com/petition/justice-for-tonu

হাসান মাহমুদ ওয়ার্ল্ড মুসলিম কংগ্রেস–এর উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য, মুসলিমস ফেসিং টুমরো‘র জেনারেল সেক্রেটারী, আমেরিকান ইসলামিক লিডারশিপ কোয়ালিশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও মুসলিম ক্যানাডিয়ান কংগ্রেসের প্রাক্তনপ্রেসিডেন্ট ও ডিরেক্টর অফ শারিয়া ল‘.
“হিল্লা“, “নারী” তার নিজস্ব WEB SITE এ গিয়ে দেখে নিন।
তার নিজস্ব সাইটঃ http://hasanmahmud.com/

২ thoughts on “এহেন বর্বরিক ধর্ষন ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে ন্যায় বিচার এর আওতায় আনতে আর কত বিলম্ব হবে?

  1. বিচার বিভাগ কিভাবে তাদের
    বিচার বিভাগ কিভাবে তাদের সর্বোচ্চ শাশ্তির বিধান করিবেন ? বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, এবং সরকার যখন কোন আইন পাস করেন তখন জানানো হয় কোরআন এর সাথে সাংঘরসিক কোন আইন পাস করবেন না ।
    ইসলামী আইন অনুযায়ী ধর্ষন প্রমান করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে যেমন-
    জিনার জন্য চারজন সাক্ষীর আবশ্যকতা, যেটি পুরুষ বা নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগকৃত মামলায় প্রয়োগ করা হয়, সেটিও কুরআনের আয়াত ২৪:১১ থেকে ২৪:১৩ এর মধ্যে এবং বিভিন্ন হাদিস এ উল্লেখ করা হয়েছে।[৫৫][৫৬] কিছু ইসলামী পণ্ডিত দাবি করেন যে চার জন পুরুষ প্রত্যক্ষদর্শীর আবশ্যকতা ছিল সেসব জিনার ক্ষেত্রে যেগুলো প্রকাশ্য স্থানে বা জনসম্মুখে ঘটে থাকে। এনিয়ে ইসলামী পণ্ডিতদের মধ্যে বিতর্ক আছে যে, নারী প্রত্যক্ষদর্শী জিনার ক্ষেত্রে সাক্ষী হিসেবে অনুমোদনযোগ্য কিনা।(অন্যান্য অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে, শরিয়া দুই জন নারী সাক্ষীকে একজন পুরুষ সাক্ষীর সমতুল্য হিসেবে গণ্য করে।)।[৫৭] ইসলামের সুন্নি ফিকহ মতে, নারী মুসলিম, শিশু এবং অমুসলিম সাক্ষীরা জিনার ক্ষেত্রে অনুমোদনযোগ্য নয়।

    যে কোন অসম্পৃক্ত সাক্ষী, পারস্পারিক সম্মতিবিহীন যৌনসংগমের ভুক্তভোগী, যে কোন মুসলিমকে জিনার দায়ে অভিযুক্ত করে, কিন্তু শরিয়া আদালতের সামনে চারজন প্রাপ্তবয়স্ক, ধার্মিক পুরুষ প্রত্যক্ষদর্শী (তাযিকিয়াহ-আল-শুহুদ) উপস্থিত করতে ব্যর্থ হয়, সে মিথ্যা অভিযোগের অপরাধ (কাজফ, القذف) করে, এবং তাকে জনসম্মুখে আশিটি বেত্রাঘাত প্রদান করতে হবে।[৫৮][৫৯]
    কিছু ফিকহ (ইসলামী আইনশাস্ত্রের পাঠশালা) শুবা (সন্দেহ) নীতি সৃষ্টি করেছিল, যেখানে জিনার জন্য কোন শাস্তি দেয়া হত না যদি কোন মুসলিম পুরুষ দাবি করত যে, সে মনে করেছিল যে সে তাঁর বিবাহিত স্ত্রীর সাথে অথবা তাঁর অধিকৃত দাসীর সাথে মৈথুন করছিল।[৩০]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *