আল কোরানের আলো, ঘরে ঘরে জ্বালো

এই দুনিয়া দুই দিনের , আসল জগত হলো মরার পর। তাই আমরা যারা মুমিন বান্দা, আমরা দুইদিনের জগতকে পরকালের আসল জগতে যাওয়ার মাধ্যম হিসাবে দেখি। পরজগতে বেহেস্তে গিয়ে ৭২টা হুরদের সাথে অনন্ত আনন্দ ফুর্তি করার ব্যবস্থা করতে পারে , এই জগতে একমাত্র কোরান , আর আমাদের নবীর আদর্শ। কোরানের আলো জ্বেলে ও নবীর আদর্শ অনুসরন করেই তবে আমরা বেহেস্তে যেতে পারব আর সেখানে অঢেল মদ পান করে ৭২ টা কুমারি নারীর সাথে ফুর্তি করতে পারব।

কোরান বলেছে :


এই দুনিয়া দুই দিনের , আসল জগত হলো মরার পর। তাই আমরা যারা মুমিন বান্দা, আমরা দুইদিনের জগতকে পরকালের আসল জগতে যাওয়ার মাধ্যম হিসাবে দেখি। পরজগতে বেহেস্তে গিয়ে ৭২টা হুরদের সাথে অনন্ত আনন্দ ফুর্তি করার ব্যবস্থা করতে পারে , এই জগতে একমাত্র কোরান , আর আমাদের নবীর আদর্শ। কোরানের আলো জ্বেলে ও নবীর আদর্শ অনুসরন করেই তবে আমরা বেহেস্তে যেতে পারব আর সেখানে অঢেল মদ পান করে ৭২ টা কুমারি নারীর সাথে ফুর্তি করতে পারব।

কোরান বলেছে :

সুরা তাওবা -৯: ৫: অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সুরা তাওবা -৯: ২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।

কোরান খুব পরিস্কার ভাবেই বলেছে , কেউ যদি ইসলাম গ্রহন না করে , তাহলে তাকে যেখানে পাওয়া যাবে , সেখানেই হত্যা করতে হবে। তবে যদি কেউ জিজিয়া কর প্রদান করে দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক হিসাবে বাস করতে চায়, তাহলে তারা নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে। প্রেক্ষাপট নামক ধানাই পানাই কথা বার্তা বলে উক্ত আয়াত দ্বয়ের অর্থকে শুধুমাত্র মুহাম্মদের আমলকার বিষয় বলে চালিয়ে দেয়ার কোন সুযোগ নেই , কারন , কোরানের বিধান সর্বকালের। যে প্রেক্ষিতেই কোন আয়াত নাজিল করা হোক না কেন , তার বিধান সর্বকালীন।

কোরানের উক্ত বিধান অনুসরন করেই , আই এস সিরিয়াতে অমুসলিমদেরকে মেরে কেটে কচুকাটা করছে। তারা খৃষ্টান ইয়াজিদি ইত্যাদি সম্প্রদায়কে সেখান থেকে চিরতরে উচ্ছেদের জন্য গনহত্যা শুরু করেছে।

সংখ্যা গরিষ্ঠ অমুসলিমদের মনে আতংক তৈরীর জন্যে কোরানে বিধান দিয়েছে :

সুরা আনফাল- ৮: ১২: যখন নির্দেশ দান করেন ফেরেশতাদিগকে তোমাদের পরওয়ারদেগার যে, আমি সাথে রয়েছি তোমাদের, সুতরাং তোমরা মুসলমানদের চিত্তসমূহকে ধীরস্থির করে রাখ। আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব। কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাট জোড়ায় জোড়ায়।

কোরানের উক্ত বিধানই মুহাম্মদ অনুসরন করতে গিয়ে বলেছেন :

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ২২০:
ইয়াহ্ইয়া ইব্ন বুকাইর (র)……………আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমি প্রেরিত হয়েছি এবং শত্রুর মনে ভীতির সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি নিদ্রায় ছিলাম, এমতাবস্থায় পৃথিবীর ধনভান্ডার সমূহের চাবি আমার হাতে অর্পণ করা হয়। আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) তো চলে গেছেন আর তোমরা তা বের করছ।

অর্থাৎ কোরানের বিধান ও নবীর আদর্শ কাজই হলো অমুসলিমদের মনে ত্রাসের সঞ্চার করা। আই এস , কোরান ও হাদিসের উক্ত বিধান অনুসরন করেই কিছুদিন আগে ব্রাসেলসে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে ৩১ জন মানুষকে হত্যা করেছে। এর আগে তারা হত্যা করেছে প্যারিস ও ক্যালিফোর্নিয়াতে। গত ১৪০০ বছর ধরেই খাটি মুমিনেরা কোরান ও হাদিসের উক্ত বিধান অনুযায়ী যখন যেভাবে পারা যায় অমুসলিমদের মনে ত্রাসের সৃষ্টি করেই আজকে গোটা দুনিয়াতে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছে।

এই ত্রাস সৃষ্টির ঘটনা যে সাধারন মানুষকে কি পরিমান প্রভাবিত করে তার একটা উদাহরন এরকম। ডিসকভারি চ্যানেলে দেখা যায় , হাজার হাজার বিরাট মহিষের পাল আফ্রিকার জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। হঠাৎ করে মাত্র দুই একটা সিংহ তাদেরকে আক্রমন করলে সিংহের চাইতে অন্তত চার পাঁচগুন বড় হাজার হাজার মহিষ প্রানের ভয়ে সবাই দৌড়ে পালাতে থাকে। মাত্র দুই তিনটা সিংহ হাজার হাজার বিরাট মহিষের পালকে প্রান ভয়ে দৌড়ে পালাতে বাধ্য করে।

ঠিক তেমনি ভাবেই , মাত্র দুই একজন খাটি জিহাদী আত্মঘাতি হামলা করে , একটা দেশের অর্থনীতিকে স্তব্ধ করে দেয়। যেমনটা করছে বর্তমানে বিভিন্ন দেশে। আর বলা বাহুল্য, ইহাই সহিহ ইসলামী কৌশল। অমুসলিমরা ভালয় ভালয় ইসলাম গ্রহন না করলে তাদের মধ্যে সন্ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যম এমন আতংক তৈরী করতে হবে , যে তারা এক সময় প্রান বাঁচাতে এমনিতেই ইসলাম কবুল করবে আর তখন সারা দুনিয়ার সব দেশ ও জাতি ইসলামের পতাকাতলে আসবে।

কখনও কোন জিহাদী যদি এরকম আত্মঘাতি হামলা করে সাধারন মানুষকে হত্যা করে , তখন আবার বলতে হবে –

ইসলাম তো সাধারন মানুষকে হত্যা করতে বলে না , ইসলামের সাথে সন্ত্রাসের কোন সম্পর্ক নেই। যারা সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটাচ্ছে , তারা আমেরিকা বা ইহুদিদের ষড়যন্ত্রে এসব করছে। তারা মুসলমানই নয়, বরং ইহুদি। কিন্তু মনে মনে খুশী হতে হবে আর যতটা পারা যায়, এসব জিহাদী সংগঠনকে গোপনে সাহায্য ও সহযোগীতা করতে হবে। আর এটাই হলো সহিহ ইসলামী কৌশল।

তাই আসুন , বজ্র কন্ঠে আওয়াজ তুলুন ————–

আল কোরানের আলো , ঘরে ঘরে জ্বালো

আল হাদিসের আলো, ঘরে ঘরে জ্বালো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *