ওসামা বিন লাদেন : কুরআান আসলেই কার বাণী নিয়ে রচিত

ওসামা বিন লাদেন জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৭ সালে । এই আলকায়েদা গুরু সন্ত্রাসী আক্রমণের জন্য বহুল পরিচিত । সন্ত্রাসবাদকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রমাণ করার জন্য তিনি আল কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়েছেন অসংখ্যবার ।

যেমন,
” হে নবী! কাফির এবং মুনাফিকদের বিরুদ্ধে কঠোর সংগ্রাম কর, এবং তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন কর । তাদের চূড়ান্ত আবাসস্থল হবে জাহান্নাম এবং এটি বড়ই নিকৃষ্ট স্থান ।” ( কুরআান ৯:৭৩ )

আরো আছে,

ওসামা বিন লাদেন জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৭ সালে । এই আলকায়েদা গুরু সন্ত্রাসী আক্রমণের জন্য বহুল পরিচিত । সন্ত্রাসবাদকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রমাণ করার জন্য তিনি আল কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়েছেন অসংখ্যবার ।

যেমন,
” হে নবী! কাফির এবং মুনাফিকদের বিরুদ্ধে কঠোর সংগ্রাম কর, এবং তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন কর । তাদের চূড়ান্ত আবাসস্থল হবে জাহান্নাম এবং এটি বড়ই নিকৃষ্ট স্থান ।” ( কুরআান ৯:৭৩ )

আরো আছে,
” হে ঈমানদার লোকেরা! তোমরা কখনই ইহুদি খ্রিস্টানদের নিজেদের বন্ধু এবং রক্ষাকারী হিসেবে গ্রহন করো না । কারণ এরা নিজেরাই একে অপরের বন্ধু ; তোমাদের মধ্যে কেউ যদি এদের কাউকে বন্ধু বানিয়ে নেয় তাহলে সে তাদেরই দলভুক্ত হয়ে যাবে ; আর আল্লাহ কখনো যালিম সম্প্রদায়কে হেদায়াত দান করেন না ।” ( কুরআান ৫:৫১ )

আরো আছে,
” তোমরা কাফিরদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে থাক যতক্ষণ না পর্যন্ত (আল্লাহর জমিনে কুফরীর) ফিতনা বাকি থাকবে এবং দ্বীন সম্পূর্ণভাবে আল্লাহ তায়ালার জন্যই (নির্দিষ্ট) হয়ে যাবে ।” ( কুরআান ৮:৩৯ )

এসব আয়াতের দোহাই দিয়ে আজও বিশ্বব্যাপী জঙ্গী সংগঠনগুলো তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে । এর পিছনে যতোটা না ধর্ম তার চেয়ে বেশী লুটতরাজ,ডাকাতি এবং সম্রাজ্যবাদের রঙিন স্বপ্ন বিদ্যমান ।

অবশ্য ইসলাম ধর্মটাই এমন এক ব্যাবস্থা যে, এটা জন্মের পর থেকেই এভাবেই গড়ে উঠেছে । আর কুরআনই একমাত্র ধর্মীয় কিতাব যাতে সরাসরি অমুসলিমদের উপর আক্রমণ ও জিহাদ/যুদ্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।

এখানে উল্ল্যেখ্য যে, পৃথিবী ব্যাপী সকল ধর্মকেই প্রতিনিয়ত অবমাননা করা হয় । এতে দোষের কিছু নেই । এটা ব্যক্তি স্বাধীনতার অংশ ।
এতো অবমাননার পরও অবমাননাকারী কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রে খুন/নিহত হন না । আর যদি হন তবে তা শতভাগ মুসলিম সন্ত্রাসী/জঙ্গী দ্বারা ।

আর মুসলিমরা কিন্তু তাদের ধর্মকে শান্তির ধর্ম বলে !

মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশই মুসলিম প্রধান ।
আপনারা কি জানেন, পৃথিবীর অন্যতম বড় মদের বাজার হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য ।

জানেন কি, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেহ ব্যাবসার বাজার হলো মধ্যপ্রাচ্য ।

মধ্যপ্রাচ্যেই বেশিরভাগ দেশে গণতন্ত্র অনুপস্থিত ।

মধ্যপ্রচ্যের দেশগুলোই অন্নান্য দেশকে কম সাহায্য করে

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কথা হলো, ইসলাম ধর্মের প্রায় সব নিয়ম কাননই ইহুদী ও খ্রীস্টান ধর্ম থেকে ধার করে নেয়া ।
এই ধর্মের গোড়াতেই গলদ । তাই শুধুমাত্র এই ধর্ম থেকেই জঙ্গীর জন্ম হয় ।

শুরু করেছিলাম লাদেন কে দিয়ে, শেষও করবো তাকে নিয়ে । লাদেন বলেছিলো সে আল্লাহ ছাড়া কাউকেই ভয় করে না ।

তবে মৃত্যুর দিন ওর আল্লাহ ওর দিক থেকে চোখ সরাইয়া নিছিলেন । কারণ, সেদিন মার্কিন নেভী সিলের সদস্যদের ভয়ে লাদেন কাপুরুষের মতো এক মহিলাকে ঢাল হিসেবে ব্যাবহার করেছিলো

মুমিন ভাইয়েরা, মুহাম্মদের লিখা কুরআন পইড়া নিজের বিপদ ডেকে আইনেন না ।

সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস নাই আমার । তবে এটা মানি, সৃষ্টিকর্তা বলে যদি কেউ থেকেও থাকে তবুও কুরআনের মতো জিহাদী ও জঙ্গীবাদ উস্কানীমুলক গ্রন্থ তার বাণী হতে পারে না ।

১ thought on “ওসামা বিন লাদেন : কুরআান আসলেই কার বাণী নিয়ে রচিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *