মাত্র দুই ঘণ্টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কমবে ১২০ কিলোমিটার রাস্তার দৈর্ঘ্য

প্রযুক্তি মানুষকে পরিবর্তিত বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্য-জ্ঞান-দক্ষতা-কৌশল-প্রবণতা এবং যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ করে তোলে। তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষের জীবন হয়েছে এখন অনেক সহজ, সরল এবং স্বাচ্ছন্দ্যময়। ঘরে বসে বিশ্ব ভ্রমণ, মার্কেটিং, ব্যাংকিং বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস কিম্বা ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে ঘোরা ঘুরি করা এখন একেবারে সহজ। তাইতো এখন মানুষের এমন কোন কাজ নেই যেখানে প্রযুক্তির ছোয়া লাগেনি। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পৃথিবীর দরিদ্র জনগোষ্টির জন্য খুলে দিয়েছে অপার সম্ভাবনার দুয়ার। বর্তমান শতাব্দীর গ্লোবালাইজেশনের ফলে একটি দেশের উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি অন্যতম নিয়ামকের ভূমিকা পালন করছে। প্রযুক্তি কল্যানের হাত ধরে বাংলাদেশ ও এগিয়ে যাচ্ছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা আর রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় রাখছে অনন্য ভুমিকা। এর গুরুত্ব এবং সময়োপযোগী প্রয়োজনীয়তাকে লক্ষ্য রেখে সরকার রেলযোগাযোগে এনেছে এক আমুল পরিবর্তন। তারই ধারাবাহিকতায় রেলযোগাযোগের প্রধান রুট ঢাকা চট্টগ্রামের মধ্যে মাত্র দু‘ঘন্টায় ভ্রমন নিশ্চিত করতে দ্রুতগতির এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর মহাপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। দাউদকান্দি থেকে কুমিল্লার বদলে লাকশাম জংশনে যুক্ত হলে ২৫ কিলোমিটার যাত্রা সংক্ষেপ করা সম্ভব। এতে ২৫ কিলোমিটারসহ ঢাকা-চট্টগ্রামের দূরত্ব কমে যাবে ১২০ কিলোমিটার। বর্তমানে আখাউড়া দিয়ে অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে ১২০ কিলোমিটার প্রায়। কিন্তু এক্সপ্রেস রেলওয়ে চালু হলে চট্টগ্রামের দূরত্ব দাঁড়াবে ২২৩ কিলোমিটার। মাত্র দুই ঘণ্টায় চট্টগ্রাম যেতে পারবেন ভ্রমণ পিপাসুরা। কমবে পরিবহন ব্যয়। সাশ্রয় হবে জ্বালানি। বাঁচবে যাত্রীদের সময়। রাস্তার দৈর্ঘ্য কমবে প্রায় ১২০ কিলোমিটার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *