চিবিয়ে খাও, একবারে গিলে ফেলো না; ধর্ষণ করো, হত্যা করো না

খুব অবাক লাগে, পুরুষ ধর্ষক গুলো বেশ অসৌখিন। জানোয়ারের মত ধর্ষণ করে কি মজা পায় ওরা ? ধর্ষণের মাঝেও যে সৌখিনতা আছে। খেতে ইচ্ছে করছে ধীরে সুস্থ্যে খাও, একেবারে গিলে খাচ্ছো কেন ? সৌখিন ভাবে মেখে মেখে আস্তে আস্তে একটু একটু করে খাও। ধর্ষণ করতে চাও করো, হত্যা কেন করছো ? আঠারো হোক, উনিশ হোক, ঊনচল্লিশ হোক ধর্ষণ করো, মেরে ফেলো না । বাঁচিয়ে রাখো । আঠারো হলে একবার ধর্ষণ করবে আবার একুশ হলে আরেকবার ধর্ষণ করবে তবুও ধর্ষিতাকে বাঁচতে দাও। ধর্ষকের মন পুরুষের মন। বয়সের সাথে সাথে যত দিন গড়ায় ততোই ক্ষুধা বাড়ে। আর ওরা তো নারী। ওরা এমনিতেই ধর্ষিত হতে থাকে। কেউ চোখ দিয়ে, কেঊ মুখ দিয়ে, কেউ শরীর দিয়ে, কেউ মনে মনে আবার কেউ বা কলম দিয়ে ওদের ধর্ষণ করে। যখন মেয়ে থাকে তখনও ধর্ষিত হয়, যখন মা হয় তখনও ধর্ষিত হয়, যখন শাশুড়ি হয় তখনও ধর্ষণ করা হয়। ওরা পৃথিবীতে এসেছে আজন্ম ধর্ষিত হওয়ার জন্য। শুনেছি পরের জন্মেও নাকি কখনো হুর হয়ে, কখনো দাসি হয়ে, কখনো পরিপূর্ণ বিবি হয়ে ধর্ষিত হবে ওরা।

শোন ধর্ষক, ধর্ষণে তোমার সাহস প্রয়োজন, শক্তি প্রয়োজন, ধৈর্য্য প্রয়োজন। সব পুরুষের মাঝেই একজন ধর্ষক লুকিয়ে থাকে। অবশ্যই তুমি ধর্ষণ বাসনা পূরণ করবে তবে সেটা কাপুরুষের মত কেন ? এখনতো অনেক পুরুষ বেশ যোগ্য ধর্ষক। কেউ বন্ধু হয়ে বান্ধবীকে, কেউ স্বামী হয়ে স্ত্রী কে ধর্ষণ করে। কোন নারী কে পছন্দ হলে তার কাছে যাবে, কথা বলবে, যোগ্য হলে মনে মনে মিলে গেলে জমিয়ে একজন আরেকজন কে ধর্ষণ করবে। রয়ে সয়ে ধর্ষণ করে দু’জনে আবার নিজ নিজ জগতে ফিরে যাবে। যদি মনে মনে না মেলে তবে মনের মত করে যোগ্য হয়ে ওঠো, নতুবা ছেড়ে দাও। কাপুরুষের মত কেন মেরে ফেলো ! ওর নারী দেহ একবারে খুড়েই কেন ক্ষান্ত হচ্ছো ? পুরুষরা বার বার নারীর দেহ খুড়ে মন পাবার আশায়। শরীরটাকে তাই জিয়িয়ে রাখো মনের জলে, মাটি চাপা দিয়ে হত্যা করো না; ওদের হত্যা করো না । ওদের বাঁচতে দাও তোমার স্বার্থে ।

১ thought on “চিবিয়ে খাও, একবারে গিলে ফেলো না; ধর্ষণ করো, হত্যা করো না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *