সেকুলার বাংলাদেশ কি? কারা চায়? কিভাবে পাওয়া যাবে?

খুলনা চারুকলায় এক বড় ভাই বুদ্ধ দেব মণ্ডল এর মুখে গল্প শুনলাম একবার পার্বতী তার পুত্র কার্তিকের সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয় এবং এঘটনা কার্তিকের বাহন ময়ুর দেখে ডাক দিয়ে ওঠে এতে পার্বতি অভিশাপ করে ময়ুর কে। যৌন সঙ্গমে তৃপ্ত হবে না ময়ুর বংশ পরম্পরায়।

খুলনা চারুকলায় এক বড় ভাই বুদ্ধ দেব মণ্ডল এর মুখে গল্প শুনলাম একবার পার্বতী তার পুত্র কার্তিকের সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয় এবং এঘটনা কার্তিকের বাহন ময়ুর দেখে ডাক দিয়ে ওঠে এতে পার্বতি অভিশাপ করে ময়ুর কে। যৌন সঙ্গমে তৃপ্ত হবে না ময়ুর বংশ পরম্পরায়।
গল্প শুনে মগজে নানা রকম দৃশ্যকল্প ঘুরতে থাকল শেষ রাতে মাটি দিয়ে একখানা মাকেট তৈরি করলাম। কাদা নরম ছিল তাই মাকেট টা সংরক্ষন করতে বিশেষ বেগ করলাম না। ঘুম পাচ্ছিল তাই ভাড়া ঘরে ফিরলাম একটু জিরোব বলে। মনের মধ্যে কেমন যেন খটকা লাগছিল সেদিন বেশ সকাল বেলা সবার আগে চারুকলাতে যাবার ইচ্ছা ছিল। সকালে চারুকলাতে পৌছলাম যখন প্রতখ্য করলাম বড় ভাইগণ এবং মাত্র এক জন বড় আপু কবরি বিশ্বাস অপু আপু সকলের চোখ মুখ লাল হয়ে আছে। রমেশ দা সক্কলের বড় তাকে সাহস করে জিজ্ঞেস করলাম দাদা দেয়ালের কাছে একাটা পাঁচxছয়xতিন ইঞ্চি আকারের একটা মাকেট ছিল দেখেছেন?
দাদা বেশ রুঢ়ো কন্ঠে বললেন তুই বানিয়েছিস?
আমি সাবলিল ভাবে বললাম জি।
দাদা গণ এবং এক মাত্র দিদি সমস্বরে কিছু সময় ভৎসনা করলেন এরপর আমাকে টান্তে টান্তে বিভাগ প্রধাণ এর কক্ষে নিয়ে গেলেন তৎকালিন বিভাগ প্রধান শেখ সাদি স্যার সকলের সামনে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কাজটা আমার কি না?
আমি স্বিকার করলাম কাজটা আমার। সাদি স্যার কছুক্ষন চুপ থেকে বললেন কাজটা আমার হিদু সিনিয়রদের কাছে সাম্প্রদায়িক উস্কানি মূলক কাজ বলে বিবেচিত হচ্ছে আমি যেন এ ধরনের কাজ করতে আর সাহস না করি সে জন্য তারা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে আমাকে সোপর্দ করতে আগ্রহী।
আমি মাথা নত করে ক্ষমা চাইলাম বড়দের কাছে তাঁরা কিছু না বলে সাদি স্যার এর কক্ষ থেকে সবাই এক সাথে বের হয়ে গেল।
তার প্রায় ঘণ্টা খানেক পর পার্থ প্রতিম সাহা দাদা চারুকলায় আসলেন আমি ছাড়া সকলকে নিয়ে বসলেন কি সব আলোচনা করলেন। আলোচনা শেষে আমাকে ডেকে আশ্বস্ত করলেন আর কোন ঝামেলার সম্ভাবনা নেই!
তাঁরা ছোট্ট আমার কাজটা ভেঙে ফেললো তাঁদের অনেককেই দেখলাম সেকুলার বাংলাদেশ চাই আন্দোলনে নাম লিখিয়েছেন। হাস্যকর মানুষ চারপাশে।
সেদিন মকবুল ফিদার জীবনী পড়লাম নিজেকে শান্তনা দিলাম কিন্তু ধীরে ধীরে দিন শেষে আমি পদার্থের খুদ্রতম কণা অনু একাই রয়ে গেলাম। :bow:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *