সোহাগী

দূর্ভাগ্য তোর – মা আমার,
তোর দূর্ভাগ্য যে-
তোর বাবা-মা তোকে বড্ড আদর করে;
মমতার অনুভব দিয়ে সারাজীবন ছুঁতে চেয়েছিলো;
দিতে চেয়েছিলো সাধ্যের সব স্নেহ –
তাই বুঝি নাম রেখেছিল সোহাগী!

বল, এ নাম কি তোর মানায়?

উপোশী শকুনের চোঁখে তুই যে ছিলি অভাগী;
তুই তো ছিলি সোহাগী নয়- অভাবী।
তাইতো ওরা খুবলে খেয়েছে তোকে;
মুক্তি দিয়েছে সকল অভাব থেকে।

ভাগ্যিস নতুন জামাটি তোর তখনও গায়ে ওঠেনি!

দূর্ভাগ্য তোর – মা আমার,
তোর দূর্ভাগ্য যে-
তোর বাবা-মা তোকে বড্ড আদর করে;
মমতার অনুভব দিয়ে সারাজীবন ছুঁতে চেয়েছিলো;
দিতে চেয়েছিলো সাধ্যের সব স্নেহ –
তাই বুঝি নাম রেখেছিল সোহাগী!

বল, এ নাম কি তোর মানায়?

উপোশী শকুনের চোঁখে তুই যে ছিলি অভাগী;
তুই তো ছিলি সোহাগী নয়- অভাবী।
তাইতো ওরা খুবলে খেয়েছে তোকে;
মুক্তি দিয়েছে সকল অভাব থেকে।

ভাগ্যিস নতুন জামাটি তোর তখনও গায়ে ওঠেনি!
ভাগ্যিস সেটা তখন দোকান থেকে আনা হয়নি!
তাইতো সে বেঁচে আছে আজও কাঁদতে সভ্যতাকে।

১ thought on “সোহাগী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *