কোরানে যুদ্ধের আয়াতসমূহ

আর তাদেরকে হত্যা কর যেখানে পাও সেখানেই…..। ২:১৯১

কোরানের পূর্ন আয়াতের এই ভগ্নাংশটি বহু ইসলাম বিরোধী প্রকাশনা ও প্রচারনায় অসংখ্যবার ব্যবহৃত হয়েছে , ইসলামকে বর্বর ও নিষ্ঠুরভাবে দেখানোর জন্য। যুদ্ধের ব্যপারে কোরানের নির্দেশনা –

১) শুধুমাত্র আক্রমনকারী ও অত্যাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

“আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না। ২:১৯০ ”


আর তাদেরকে হত্যা কর যেখানে পাও সেখানেই…..। ২:১৯১

কোরানের পূর্ন আয়াতের এই ভগ্নাংশটি বহু ইসলাম বিরোধী প্রকাশনা ও প্রচারনায় অসংখ্যবার ব্যবহৃত হয়েছে , ইসলামকে বর্বর ও নিষ্ঠুরভাবে দেখানোর জন্য। যুদ্ধের ব্যপারে কোরানের নির্দেশনা –

১) শুধুমাত্র আক্রমনকারী ও অত্যাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

“আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না। ২:১৯০ ”

“সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে। ২:২১৭ ”

যারা ইসলামকে যুদ্ধবাজ হিসাবে দেখাতে চায় , তাদের জন্য জ্ঞ্যতব্য যে , কোরান আত্মরক্ষা ব্যাতীত যুদ্ধের অনুমতি দেয় না। শুরুতেই যে আয়াতের ভগ্নাংশ দেখিয়েছিলাম, যেটা দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চলছে, এবার পুরো আয়াতটি পড়ুন।

“আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে। বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ। আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে। অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে। তাহলে তাদেরকে হত্যা কর। এই হল কাফেরদের শাস্তি।২”১৯১”

“আর তারা যদি বিরত থাকে, তাহলে আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু।২:১৯২”

১৯০, ১৯১ ও ১৯২ আয়াত তিনটি একসঙ্গে পড়লে বোঝা যায় কিভাবে কোরানের আয়াতকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে।

২) নিজেকে প্রস্তুত করার মাধ্যমে শত্রুকে যুদ্ধে নিরুৎসাহিত করাই উদ্দেশ্য

“আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার নিজের শক্তি সামর্থ্যের মধ্যে থেকে এবং পালিত ঘোড়া থেকে, যেন আল্লাহর শুত্রুরা ভীত হয় এবং তোমাদের শত্রুরা আর তাদেরকে ছাড়া অন্যান্যরা ও যাদেরকে তোমরা জান না; আল্লাহ তাদেরকে চেনেন। বস্তুতঃ যা কিছু তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহর রাহে, তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে পাবে এবং তোমাদের কোন হক অপূর্ণ থাকবে না।

আর যদি তারা সন্ধি করতে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে তুমিও সে দিকেই আগ্রহী হও এবং আল্লাহর উপর ভরসা কর। নিঃসন্দেহে তিনি শ্রবণকারী; পরিজ্ঞাত। ৮:৬০-৬১”

৩) অন্যান্য বিশ্বাসীদের রক্ষার্থে যুদ্ধ।

“এতে কোন সন্দেহ নেই যে, যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে, স্বীয় জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর রাহে জেহাদ করেছে এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় ও সাহায্য সহায়তা দিয়েছে, তারা একে অপরের সহায়ক। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু দেশ ত্যাগ করেনি তাদের বন্ধুত্বে তোমাদের প্রয়োজন নেই যতক্ষণ না তারা দেশত্যাগ করে। অবশ্য যদি তারা ধর্মীয় ব্যাপারে তোমাদের সহায়তা কামনা করে, তবে তাদের সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য। কিন্তু তোমাদের সাথে যাদের সহযোগী চুক্তি বিদ্যমান রয়েছে, তাদের মোকাবেলায় নয়। বস্তুতঃ তোমরা যা কিছু কর, আল্লাহ সেসবই দেখেন। ৮:৭২”

“আর তোমাদের কি হল যে, তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।৪:৭৫”

৪) যুদ্ধে সমতা রক্ষায় আইন। নিষ্ঠুরতা বর্জনীয়।

সম্মানিত মাসই সম্মানিত মাসের বদলা। আর সম্মান রক্ষা করারও বদলা রয়েছে। বস্তুতঃ যারা তোমাদের উপর জবর দস্তি করেছে, তোমরা তাদের উপর জবরদস্তি কর, যেমন জবরদস্তি তারা করেছে তোমাদের উপর। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ, যারা পরহেযগার, আল্লাহ তাদের সাথে রয়েছেন।২:১৯৪

“আর যদি তোমরা প্রতিশোধ গ্রহণ কর, তবে ঐ পরিমাণ প্রতিশোধ গ্রহণ করবে, যে পরিমাণ তোমাদেরকে কষ্ট দেয়া হয়। যদি সবর কর, তবে তা সবরকারীদের জন্যে উত্তম। ১৬:১২৬”

৫) যুদ্ধ বিরতি।

“আর যদি তারা সন্ধি করতে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে তুমিও সে দিকেই আগ্রহী হও এবং আল্লাহর উপর ভরসা কর। নিঃসন্দেহে তিনি শ্রবণকারী; পরিজ্ঞাত। ৮:৬১”

স্মরনকরুন-

“যে কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করে। তাদের কাছে আমার পয়গম্বরগণ প্রকাশ্য নিদর্শনাবলী নিয়ে এসেছেন। বস্তুতঃ এরপরও তাদের অনেক লোক পৃথিবীতে সীমাতিক্রম করে।৫:৩২”

২৩ thoughts on “কোরানে যুদ্ধের আয়াতসমূহ

  1. এভাবে জোড়াতালি দিলেই কি কোরান
    এভাবে জোড়াতালি দিলেই কি কোরান থেকে শান্তি বেরোবে? যেখানে পাও সেখানেই হত্যা কর – এ কথাটি ত কোরানে আছে। এর আগে ও পরে শান্তি লাগিয়ে দিলেই তো আয়াতটি মিথ্যা হয়ে যায় না। এ ধরণের জঘন্য কথাবার্তা যদি আল্লা নিজেই বলা শুরু করেন তবে মানুষেরা কী করবে সেটা ভেবেছেন?

    আর আক্রমণ করলেই এর জবাবে আক্রমণই করতে হবে, হত্যা করতে হবে – এর সমঝোতার চেষ্টা করা, এ ধরণের ঘটনা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার আহবান কোথায়? মুহাম্মদের জিবনে দেখা যায় নানা ছুতোয় যুদ্ধ করেছেন। কখনো জিবরাইল নাকি তেনাকে এসে জানিয়ে দিয়েছে কাফেররা ষড়যন্ত্র করছে।

    1. কোরানে জোড়াতালি দেয়ার দরকার
      কোরানে জোড়াতালি দেয়ার দরকার নেই বা কোরান থেকে শান্তি ও বের হয় না। কোরানে যেটা আছে সেটাই যদি সকলে অনুসরন করে তাহলেই শান্তি আসবে।

      মুহাম্মদের জীবনে দেখা যায় নানা ছুতোয় যুদ্ধ করেছেন বা মুহাম্মদ বলে কেউ ছিল কিনা , সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস এগুলো বানানো ইতিহাস। যদি তিনি নানা ছুতোয় যুদ্ধ করে ও থাকেন , সেটা তার ব্যাপার। তার কর্মফল তার , আমার কর্মফল আমার। তার জবাব তিনি দিবেন , আমার জবাব আমি।

  2. ২:২১৭ আয়াত নিয়ে বলি। মুহাম্মদ
    ২:২১৭ আয়াত নিয়ে বলি। মুহাম্মদ যে কতটা ভণ্ড ছিল তাহলে বুঝবেন।

    এই আয়াতে মসজিদে হারামে যেতে বাধা দেয়ার কথা বলয়া হচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে মুহাম্মদ তখনো কাবা দখল করেন নি। এই কাবা যেখানে সকলের পবিত্র দেব মুর্তি ছিল সেগুলো ভেঙ্গে চুরে শুধুমাত্র নিজের ধর্মের জন্য জায়গাটা বরাদ্ধ করে চলে গেলেন। অথচ এর আগে কী শান্তির আয়াত নাজিল করে নিয়েছিলেন। হাস্যকর।

    1. কি যে বলেন ! ২:২১৭ নং আয়াত
      কি যে বলেন ! ২:২১৭ নং আয়াত নাজিল হয়েছিল মুহাম্মদের বাহিনীর একটা ডাকাতিকে বৈধতা দিতে। মুহাম্মদ মদিনায় যাওয়ার পর বেশ কয়বার মদিনার পাশ দিয়ে যাওয়া বনিকদের বানিজ্য কাফেলা আক্রমন করেও ব্যর্থ হন। ডাকাতি করা ছাড়া মুহাম্মদের দলবলের মদিনায় আর দিন কোনমতেই চলছিল না , কারন গরিব মদিনাবাসীদের ক্ষমতা ছিল না , মুহাম্মদ সহ অত লোকের অন্ন সংস্থানের। এমতাবস্থায় , মুহাম্মদ মরিয়া হয়ে ৮ জন সাহাবিকে মদিনা থেকে মক্কা পার হয়ে নাখলা নামক স্থানে বানিজ্য কাফেলা ডাকাতি করতে পাঠান। সেই মতে , তারা একটা বানিজ্য কাফেলা আক্রমন করে , দুইজনকে হত্যা করে বাকীদেরকে পনবন্দী করে ও মালামাল লুটপাট করে নিয়ে মুহাম্মদের কাছে যায়। কিন্তু ঘটনাচক্রে উক্ত ডাকাতিটা নিষিদ্ধ মাসে ঘটে যায়। তখন আরবরা চারটা মাসকে পবিত্র মাস মনে করে সেই সময়ে মারামারি কাটাকাটি করত না। সুতরাং মক্কাবাসীরা সবাই মুহাম্মদের নামে নানা খারাপ মন্তব্য করতে থাকে , বলতে থাকে , এই মুহাম্মদ কোন নীতি নৈতিকতার ধার ধারে না। আর তখনই মুহাম্মদকে উদ্ধার করতে , আল্লাহর বানীর নামে উক্ত ২: ২১৭ নং আয়াত নাজিল করেন মুহাম্মদ। এই ঘটনা বিস্তারিত জানতে পারবেন ইবনে কাসিরের তাফসিরে। সেটা আছে এখানে : http://www.qtafsir.com

  3. নবি ভাইয়ের স্ট্যাটাস থেকে।
    নবি ভাইয়ের স্ট্যাটাস থেকে। সর্বশেষে কোরানের যে আয়াত বললেন সে সম্পর্কে –

    সবচেয়ে শান্তিকামী আয়াতটি কেন ঘাপলাময়

    ইছলাম শান্তির ধর্ম – কথাটা বর্তমানে মূর্তিমান কৌতুকে পর্যবসিত হয়ে পড়লেও মুছলিমরা ভাঙা রেকর্ডের মতো আওড়াতেই থাকে এই বাণী। কোরানের শত শত সহিংস আয়াত সজ্ঞানে এড়িয়ে গুটিকয়েক শান্তিকামী আয়াত কুমিরের ছানা দশবার দেখানোর মতো করে প্রচার করে। তবে যে-আয়াতটি উদ্ধৃত করে তারা সবচেয়ে তৃপ্তি বোধ করে, সেটা সুরা আল মায়েদাহ’র ৩২ নম্বর আয়াত-এর একটি অংশ। ইছলাম ধর্মের শান্তিকামী খোমা প্রদর্শনের প্রচেষ্টায় এই আয়াতটি মুছলিমদের ভেতরে সবচেয়ে জনপ্রিয়:

    “কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করে।”

    নিঃসন্দেহে অতীব মানবিক বাণী। কিন্তু মুছলিমরা সজ্ঞানে অথবা না-জেনে এই আয়াতের অগ্রাংশটি স্বভাববশে খৎনা করে থাকে। শুরুর অংশসহ আয়াতটি এরকম:

    “এ কারণেই আমি বনী-ইসরাঈলের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, যে কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করে।”

    অর্থাৎ মানবিক এই বাণীটি মুছলিমদের উদ্দেশে বর্ষিত হয়নি, হয়েছে ইহুদিদের উদ্দেশে। আরও কৌতূহলোদ্দীপক ব্যাপার হচ্ছে, কোরানের এই আয়াতটি ইহুদিদের একটি পবিত্র কিতাব তালমুদ থেকে চোথা মারা:

    … he who destroys one soul of a human being, the Scripture considers him as if he should destroy a whole world, and him who saves one soul of Israel, the Scripture considers him as if he should save a whole world. (তালমুদ, Tractate Sanhedrin: Chapter 4)

    এখানেই কাহিনীর শেষ নয়। কোরানের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দাবি করা এই আয়াতের ঠিক পরবর্তী আয়াতটি (সুরা আল মায়েদাহ, আয়াত ৩৩) পড়া যাক:

    “যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।”

    অর্থাৎ এই সুরার ৩২ নম্বর আয়াতটি ইহুদিদের জন্য প্রযোজ্য, যা কিনা মুছলিমরা নির্লজ্জের মতো নিজেদের বলে চালিয়ে দেয় গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ খৎনা করে। এবং সেই ইহুদি-আয়াতের অব্যবহিত পরে ৩৩ নম্বর আয়াতটিতে আল্যা মুছলিমদের আহ্বান জানিয়েছে কাফেরদের হত্যা করতে, শূলীতে চড়াতে, হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দিতে…

    নিশ্চয়ই ইছলাম শান্তির ধর্ম। এইগুলা হইতাছে মহান করুণাময় আল্যাপাকের আয়াত। ধর্মবিশ্বাস মানুষকে ভয়ংকর নির্বোধে পরিণত করে।

  4. @বেহুলার ভেলা, ধুমকেত,
    আপনারা

    @বেহুলার ভেলা, ধুমকেত,

    আপনারা কোরান বাদ দিয়ে ইসলামের ইতিহাস নামক রুপকথা নিয়ে পড়ে আছেন। ইসলামের ইতিহাস অনসারীকে মুসলিম বলে না বরং কোরান অনুসারীরাই মুসলিম। এবার ইসলামের ইতিহাস কিভাবে লিখিত হয়েছিল সেটা জানুন–

    ইসলামের ইতিহাস প্রথম ইমাম তাবারীর (৮৩৯-৯২৩ খ্রীঃ) দ্বারা লিখিত হয় হিজরী তৃতীয়ের শেষ দিকে ও চতুর্থ শতকের শুরুর দিকে। ইমাম তাবারী ৩১০ হিজরীতে মৃত্যূ বরন করেন। তার লিখিত ইতিহাস বর্ণনার নথিপত্র কি ছিল তা জানা যায় নি। তার পুরো ইতিহাস সংরক্ষিত হয়েছে বিভিন্ন ব্যক্তির শোনা কথার উপর ভিত্তি করে। আর এই ব্যক্তিগণও কেউ কোন ঘটনার সাক্ষী ছিলেননা। পুরোটাই শোনা কথা হিসেবে এসেছে তার পূর্ববর্তী এবং তারও পূর্ববর্তী এমন করে ছয় বা সাত পুরুষ আগের কারো কাছ থেকে। এমনকি ইমাম তাবারী তার বইয়ের শুরুতে বলেছেন যে, যে সব অসংগত ঘটনা তিনি বর্ণনা করেছেন তার জন্য তিনি দায়ী নন বরং যারা তাকে বলেছেন তারাই দায়ী। তিনি আরো উল্লেখ করেছেন তার এসব ঘটনা বর্ণনার উৎস হারমুযান, জাফীনা এবং সা’বা বিন শামি’উন (এরা সবাই খলীফা বা ইমাম হত্যার সাথে জড়িত ছিলো) বংশধরদের কাছ থেকে এসেছে। ইমাম তাবারী একজন কাহিনীকার হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তার ১৩ খন্ডের ইতিহাস এবং ৩০ খন্ডের কোরানের ব্যাখ্যা তাকে ইমামদের মধে অন্যতম হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে। পরবর্তীতে মুহম্মদ বিন ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-কালীনীও হিজরী চার শতকের শেষের দিকে এসে ইতিহাস লেখেন তারো কোন লিখিত তথ্য সূত্র নেই শুধু শোনা কথার উপর ভিত্তি করে।

    উল্লেখযোগ্য যে ইসলামের ইতিহাসের পরিচিত ইতিহাসবিসগণের প্রায় সবাই তাবারী-কালীনী পরবর্তী যুগের। মুসলিম ইতিহাসের যে সময়টাকে স্বর্ণ-যুগ বলা হয় সে সময়ের রাষ্ট্রীয় কাজকর্ম বা নথিপত্র সব কোথায়? ১৬৫ আল-হিজরীতে আব্বাসীয় বংশের খলীফা হারুন-আর-রশীদ যখন ইমাম আহমাদ বিন হানবালকে তার তথ্যের সত্যতা প্রমানের নথি-পত্র দেখাতে বলেন, তার কিছুই তিনি দেখাতে পারেননি। এমনকি মামুন আর-রশীদের সাথে ‘কোরান আল্লাহর বাণী না অন্য কিছু’ এই নিয়ে বিতর্কে অংশ গহণ করে বেত্রঘাত পর্যন্ত সহ্য করতে হয়েছিল। ঐ সময় অন্য কোন ইমাম তার পাশে রাজ-তন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বলেনি যে-এই আচরন অইসলামিক।

    ইমাম আবু হানিফার শিষ্য/ছাত্র ইমাম আবু ইউসুফ যেমন খলীফা মো’তামিদের (২৭০ হিজরী) রাজকীয় বিচার বিভাগের একজন বিচারক ছিলেন, ইমাম তাবারীও তেমনি একজন সেসময়ের বিচারক ছিলেন। ইমাম তাবারী, খলীফা আল-মুক্তাদার বিল্লাহর ইচ্ছার অন্যতম সঙ্গী ছিলেন। বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে জানা যায় যে ইমাম তাবারী তার পারসীয়ান পরিচয় গোপন করার জন্য নিজ নাম ইবন জরীর বিন রুস্তম ইবন তাবারী (Ibn Jareer bin Rustam Ibn Tabar) থেকে ইবন জরীর বিন ইয়াজিদ তাবারী (Imam Ibn Jareer bin Yazeed Tabari) নামে পরিচয় দিতেন। তার সম্বন্ধে অনেক বিতর্কিত খবর আছে, অর্থাৎ ইসলামের কোন দলকে (শিয়া/সুন্নী, খারীজি/অথবা জরোয়াস্ট্রিয়ান)তিনি অনুসরন করতেন। প্রচলিত আছে যে ইমাম তাবারী বিন ইয়াজিদ এবং ইমাম তাবারী বিন রুস্তম দু’জন ভিন্ন ব্যক্তি, যদিও তারা দু’জনেই জন্মেছেন একই দিনে, দু’জনেই ইতিহাসবিদ, একই শহরে বাস করতেন, একই রকম দেখতে, একই রকম পোশাক পরিধান করতেন এবং এমনকি একই দিন মৃত্যূ বরন করেন। এই ধরনের সমাপতন সত্যি বিস্ময়কর!!

    1. তাহলে কোরান কে রচনা করেছিল ?
      তাহলে কোরান কে রচনা করেছিল ? নাকি কোরানের কোনই ইতিহাস নেই ?কোরানকে কি আল্লাহ একটা আস্ত কিতাবাকারে ঝুপ করে আরবের মরুভূমিতে ফেলে দিয়েছিল আর মুহাম্মদ সেটা সংগ্রহ করে অত:পর ইসলাম প্রচার করেছেন ?

      1. ৬:৩৩ আমাদের জানা আছে যে,

        ৬:৩৩ আমাদের জানা আছে যে, তাদের উক্তি আপনাকে দুঃখিত করে। কিন্তু আপনাকে নয় , বরং জালেমরা আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করে।

        আমি বিশ্বাস করি কোরান আল্লাহর রচনা। এই আয়াত থেকে স্পষ্ট যে কোরান মানুষ গ্রহন বা বর্জন করেছিল কোরানের আয়াতের বক্তব্যের ভিত্তিতেই, কে প্রচার করছে সেটার ভিত্তিতে নয়।

        কোন ইতিহাসই সন্দেহ মুক্ত নয়। গত ১৪০০ বছরে কোরানে কোন পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা কি নিঃসন্দেহে বলা যায়? না।

        একারনেই বর্তমানে যে কোরান আমাদের দুই হাতের মাঝে আছে , তার আয়াত পর্যলোচনা করেই কোরানকে গ্রহন বা বর্জন করতে হবে। কার কাছে কোরান নাযিল হয়েছিল সেটা মুখ্য নয় , কারন আদি কোরান কোথায় আছে আমরা জানিনা।

  5. ফারুক সাহেব,আপনার কাছে
    ফারুক সাহেব,আপনার কাছে প্রশ্ন, যারা অশান্তি উৎপাদন করছে, তারা কোথা থেকে প্রনোদনা পাচ্ছে? পবিত্র কুরআনের শান্তির আয়াত গুলো কি তাদের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে? নাকি যুদ্ধ এবং দাংগা-হাংগামার মেয়াদোত্তীর্ন আয়াত গুলোই তারা হাইলাইটার দিয়ে দাগিয়ে নিয়েছে, বার বার পড়বে বলে? তারা কি আমার বা আপনার চেয়ে ইসলাম কম বোঝে? নাকি তারা খারাপ মুসলমান?!? তারা পথভ্রষ্ট, এইটা ছাড়া আর কোনো উত্তর থাকলে দয়া করে জানাবেন।

    1. ২:১৭৭ সৎকর্ম শুধু এই নয় যে,

      ২:১৭৭ সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে, বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণের উপর, আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন, মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দান করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী তারাই পরহেযগার।

      কোরানে আরো বলা আছে মিথ্যা কথা বলো না , মিথ্যাকে সত্যের সাথে মিশিয়ো না , ওজনে ও মাপে কম দিও না , মিথ্যা সাক্ষি দিও না , এতিমের সম্পদ ভক্ষন করো না , ঘুষ সুদ খেও না, মিথ্যা আশ্বাস দিও না। ( চাইলে আয়াত নং দিব)

      চারিদিকে তাকান। মুসলমান নামধারীরা কি কোরানের এই নির্দেশ মানছে নাকি তারা কোরান থেকে এই কাজগুলো করার প্রণোদনা পাচ্ছে? এমনি ভাবে যারা যুদ্ধের আয়াতগুলোর নির্দেশ মানছে না , তারা নিশ্চয় পথভ্রষ্ট।

      1. কোরানে আরো বলা আছে মিথ্যা কথা

        কোরানে আরো বলা আছে মিথ্যা কথা বলো না , মিথ্যাকে সত্যের সাথে মিশিয়ো না , ওজনে ও মাপে কম দিও না , মিথ্যা সাক্ষি দিও না , এতিমের সম্পদ ভক্ষন করো না , ঘুষ সুদ খেও না, মিথ্যা আশ্বাস দিও না।

        দুনিয়ার কোন ধর্মে মিথ্যা কথা বলতে বলেছে , বা মিথ্যা সাক্ষী দিতে বলেছে বা অসৎ আচরন করতে বলেছে ? বলেছে অন্য কোন ধর্ম ?

        কোরান যেমন মিথ্য কথা বলতে বা মিথ্যা সাক্ষী দিতে মানা করেছে ., তেমনি কোরান বন্দিনী নারীকে ধর্ষন করতে বলেছে , অমুসলিমদেরকে ইসলাম গ্রহন না করলে হত্যা করতে বলেছে , তাদের বিরুদ্ধে চিরকালীন জিহাদ করতে বলেছে , তাদের ঘাড়ে চাপাতি মেরে ত্রাস সৃষ্টির কথাও বলেছে। যারা এসব অনুসরন করে , তারা কেন খাটি ও সহিহ মুসলমান হবে না ?

        আপনি নিজে কিছু আয়াত পছন্দ করে , সেটা প্রচার করবেন , আর বাকী সব বাদ দিয়ে দিবেন , ইসলাম কি আপনার Pick and Choose জাতীয় কোন খেলা নাকি ?

        1. একেশ্বরবাদী সকল ধর্মই যেহেতু
          একেশ্বরবাদী সকল ধর্মই যেহেতু একি সৃষ্টিকর্তা থেকে এসেছে , সেহেতু এদের শিক্ষা ও যে একি হবে , তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

          কোরানের কোন কোন আয়াতে বন্দিনীকে ধর্ষন, অমুসলিমদেরকে ইসলাম গ্রহন না করলে হত্যা, তাদের বিরুদ্ধে চিরকালীন জিহাদ করতে ও তাদের ঘাড়ে চাপাতি মেরে ত্রাস সৃষ্টির কথাও বলেছে? আয়াত নং দিন।

          Pick and Choose জাতীয় খেলাতো আপনারাই খেলছেন , যেটা আমি এই পোস্টেই দেখিয়েছি। পুরো কোরান বুঝে পড়ুন , ভাল না লাগলে বা মিথ্যা মনে হলে বর্জন করুন। কিন্তু বিদ্বেষ বশতঃ বিকৃত মানে করবেন না। নিজের কাছে অন্তত সৎ থাকুন।

      2. ফারুক সাহেব, আপনি আমার প্রশ্ন
        ফারুক সাহেব, আপনি আমার প্রশ্ন বোঝেন নাই। আমি আপনার কাছে রেফারেন্স চাই নাই। আপনি যদি মনে করেন, আর কারো কুরআন পড়া নাই, তাহলে ভুল করবেন। আমি আপনাকে পাঁচটা প্রশ্ন করলাম, আপনি একটার ও উত্তর দিলেন না। বরঞ্চ কুরআন ফেরী কইরা, বিষয়টারে প্যাচাইয়া ফেললেন। আমি বলছিলাম, তারা পথভ্রষ্ট, এইটা ছাড়া আর কোনো উত্তর আপনার কাছে আছে কিনা? যদি না থাকে, দয়া কইরা পবিত্র কুরআনের বাজারজাতকরণ বন্ধ করেন।

        1. ফারুক সাহেব,আপনার কাছে

          ফারুক সাহেব,আপনার কাছে প্রশ্ন, যারা অশান্তি উৎপাদন করছে, তারা কোথা থেকে প্রনোদনা পাচ্ছে?

          তারা প্রনোদণা পাচ্ছে জনাব বুশ আর ওবামার কাছ থেকে। তারা প্রনোদণা পাচ্ছে ইসরাইল নামক সন্ত্রাসী দেশটার কাছ থেকে। গত ৩০-৩৫ বছর ধরে পশ্চিমারা কি পরিমান মুসলিম হত্যা করেছে তার হিসাব কি আছে আপনার কাছে? দয়া করে ইন্টার্নেটে সার্চ দিয়ে দেখুন লক্ষ লক্ষ সাধারন মানুষ তারা হত্যা করেছে। দিনকে দিন যে কোন জনগোষ্টির উপর নির্মম হিত্যাজজ্ঞ চললে খুব স্বাভাবিক ভাবেই তারা প্রতিবাদী হবে। কিন্তু মুসলিমদের সমস্যা হচ্ছে তাদের কাছে পশিমাদের মত উন্নত জংগী বিমান, টমাহক বোমা বা ড্রোন নেই।থাকলে সমান সমান যুদ্ধ চলতে পারত।কোন সন্তাসী হামলার প্রয়োজন হত না। তাদের শুধু আছে জানটা তাই বুকে বোমা বেধে তারা হামলা চালায়, যেটাকে আমরা বলি সন্ত্রাসী হামলা।

          মুসলিমরা যদি ওয়াশিংটন ডিসি দখল করে, সেখানকার মানুষদের ঘড়-বাড়ি গুড়িয়ে দিয়ে, তাদের দেশকে দখল করে নিত, তাদেরকে রেফিজি আর উদবাস্তু বানিয়ে রাখত বছরের পর বছর, তাহলে বাইবেল হাতে নিয়ে মুসলামদের বিরুদ্ধে খৃষ্টানরা ক্রুসেডে ঝাপিয়ে পড়ত, বোমা হামলা চালাত, যেটাকে আমরা বলতাম ধর্মের নামে সন্ত্রাস, তাই নয় কি?

          1. রুশদী সাহেব, ভালো তো। তো
            রুশদী সাহেব, ভালো তো। তো বেলজিয়াম এ আপনাদের ভাইরা কতোজন বুশ আর ওবামা মারলো? তার আগে প্যারিসে আরও কিছু বুশ আর ওবামা মারা পরলো। যেহেতু শক্তি কম তাই, বুশ আর ওবামাকে খুঁজতে আর মারতে, মার্কেট, হাসপাতাল, বিমানবন্দর, ট্রেন স্টেশন, হোটেল, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি জায়গায় বোম ফেলা যাবে। আর আপনাদের মতো লোকেরা তাদের বৈধতা দিয়ে যাবেন। তো রুশদী সাহেব, মুসলিম জাহানের একমাত্র খলিফা, আমিরুল মুমিনিন, আবু বকর আল বাগদাদি আল হুসাইনি আল কুরাইশি এর বাইয়াত কি নিছেন না বাকি আছে। না থাকলে শীঘ্রই নিয়া ফেলেন।

          2. আর আপনাদের মতো লোকেরা তাদের

            আর আপনাদের মতো লোকেরা তাদের বৈধতা দিয়ে যাবেন।

            উহু আমার মন্তব্যে কোথাও সন্ত্রাসী হামলার বৈধতা দেয়া হয়নি বরং সন্ত্রাসী হামলার পেছনের কারন অনুসন্ধান করার চেষ্টা করা হয়েছে।
            আপনারা যখন সন্ত্রাসীর হামলার পেছনে কোরানের আয়াতকে দায়ী করেন, তখন যে কতটা মোটা বুদ্ধির পরিচয় দেন, সেটা নিজেরাও টের পান না।

          3. রুশদী,
            দেশে যে

            রুশদী,

            দেশে যে ধর্মান্তরিতদের, অনলাইন একটিভিস্টদের হত্যা করা হচ্ছে এর প্রণোদনা বুশ দিয়েছে?

        2. আবেদীন পুশকিন সাহেব, আপনার
          আবেদীন পুশকিন সাহেব, আপনার প্রশ্ন না বোঝার কোন কারন নেই। তবে কিনা আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে এমন একজন মনস্তাত্বিক হওয়া লাগবে , যে কিনা রোগীকে না দেখে ও তার কথা না শুনেই তার মনের কথা বলতে পারবে!! আপনার প্রশ্নগুলো —

          ১) যারা অশান্তি উৎপাদন করছে, তারা কোথা থেকে প্রনোদনা পাচ্ছে?

          তারা কোথা থেকে প্রনোদনা পাচ্ছে , আমি কিভাবে জানব? আমি কি অন্তর্জামী নাকি তারা আমাকে কারন জানিয়ে অশান্তি উৎপাদন করছে। তারা যে কোরান থেকে প্রনোদনা পাচ্ছে না , সেটা জানানোর জন্যই কোরান থেকে রেফারেন্স দিয়েছি।

          ২)কুরআনের শান্তির আয়াত গুলো কি তাদের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে?

          সেটাই বা কেমনে জানব? তারাতো আমার ইয়ার দোস্ত না যে আমার সাথে সকল অনুভূতি শেয়ার করে।

          ৩)নাকি যুদ্ধ এবং দাংগা-হাংগামার মেয়াদোত্তীর্ন আয়াত গুলোই তারা হাইলাইটার দিয়ে দাগিয়ে নিয়েছে, বার বার পড়বে বলে? –

          এটার উত্তর ও অন্তর্জামী না হলে আমার জানার কথা নয়।

          ৪) তারা কি আমার বা আপনার চেয়ে ইসলাম কম বোঝে?

          আমি কেমন বুঝি , সেটা না হয় আমি জানি। আপনি বা তারা কেমন বোঝে , কেমনে জানব? জানলে না হয় তুলনা করার চেষ্টা করতাম।

          ৫)নাকি তারা খারাপ মুসলমান?!? কে ভাল আর কে খারাপ মুসলমান সেটার বিচারের মালিক একমাত্র আল্লাহ।

          কোরানতো বাজারজাত হয়েই আছে , কিন্তু তবু কয়জন বুঝে পড়ে? তবে আপনার এই কোরানের বাজারজাতকরন নিয়ে চুলকানির কারন কি?

          1. ফারুক সাহেব, হা হা
            ফারুক সাহেব, হা হা হা…
            উত্তর না জানা খারাপ কিছু না। না জানতেই পারেন। কিন্তু না জাইনা-শুইনা ফেরীওয়ালা হওয়া খারাপ। অন্তত যে বিষয়টা কপচাইতেছেন সেটা জানা জরুরি। আর সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ লাগলে তো মুশকিল। আপনার কাজ টা কি? প্রশ্ন করলে রাগ হন নাকি? আশপাশেতো কেউ বিশেষজ্ঞ নিয়া বইসা থাকে না। আপনি পোস্ট দিলেন, আপনেরেই বিশেষজ্ঞ ভাবছি। নাকি ভুল হইলো!?

          2. @আবেদীন পুশকিন, ব্লগে পোস্ট
            @আবেদীন পুশকিন, ব্লগে পোস্ট করতে বিশেষজ্ঞ হওয়া লাগে জানা ছিল না। প্রশ্ন করলে রাগ হওয়ার কথা না বা রাগ হইও নি। তবে কিনা অযাচিত উপদেশ (দয়া কইরা পবিত্র কুরআনের বাজারজাতকরণ বন্ধ করেন, কিন্তু না জাইনা-শুইনা ফেরীওয়ালা হওয়া খারাপ। অন্তত যে বিষয়টা কপচাইতেছেন সেটা জানা জরুরি।) শুনলে , প্রশ্নকর্তার উদ্দেশ্য বিধেয় নিয়ে সন্দেহ হওয়া স্বাভাবিক।

          3. ফারুক, আপনি শান্তির আয়াত
            ফারুক, আপনি শান্তির আয়াত খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখন আরেকজন অশান্তি আর ধ্বংসের আয়াতগুলো খুঁজে নিল। সেগুলো ওতো আল্লাহর বাণী বলে চালানো হয়।

            কথিত অসীম পরিমাণ শান্তির আয়াতের মধ্যেও যখন যেখানে পাও সেখানে হত্যা কর জাতীয় কথাবার্তা থাকে তখনই কোরান যে বুজরুকির ফসল সেটা পরিষ্কার হয়ে যায়।

          4. @বেহুলার ভেলা , যুদ্ধের
            @বেহুলার ভেলা , যুদ্ধের ময়দানে যেখানে হয় মার নয় মর এবং সন্ধি চুক্তি ভঙ্গ করে শত্রুর সাথে হাত মিলায়ে চোরা গুপ্তা হামলা চালাচ্ছে , সেখানে এধরনের নির্দেশ আসাই স্বাভাবিক। আমি কোরানকে বা ইসলামকে ডিফেন্ড করছি না। এমনকি আল্লাহ যদি বিনা কারনে ও কাফেরদের এবং চুক্তি ভঙ্গকারীদের মারার নির্দেশ দিতেন , তাতে ও আপত্তি করার কিছু দেখি না। আল্লাহ সর্বশক্তিমান। তার নির্দেশ বিনা বাক্যব্যায়ে শিরোধার্য। কপাল ভাল তিনি এমন নির্দেশ দেন নি।

            অবশ্য আপনাদের মতো চরম ইসলাম বিদ্বেষীদের এসব বলে লাভ নেই। যারা অন্ধ বিদ্বেষী নয় , তাদের জন্যই বলা। আমার পোস্ট আবারো পড়ুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *