হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে জনৈক জ্ঞানী ব্যক্তির ৭-টি অভিযোগ এবং!

প্রশ্ন)1, হেফাজতের সাথে জামাতি সমঝোতা কি এখনো কেবল অভিযোগ? দয়া করিয়া কথোপকথনের রেকর্ড শুনুন। বিশ্বাস করবেন না? আচ্ছা নাই করুন কিন্তু একটু শুনে টুনে করলে ভালো হয়। মোবাইল কথোপকথনটা এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন। Www…….com

উত্তর>১) হেফাজত নেতার ফোনালাপের রেকর্ড দিয়ে হেফাজত জামায়াতের পক্ষে প্রমাণ করাটা কতোটুকু যৌক্তিক? যৌক্তিক হতো যদি আল্লামা আহমদ শফী’র ফোনালাপ হতো। যদি তাঁদের মহাসচিব জুনাইদ বাবুনগরী’র ফোনালাপ হতো। যদি ঢাকা’র আমীর নূর হুসাইন কাসেমী’র ফোনালাপ সরবরাহ করতেন। উল্লেখিত সবাই হেফাজতের ব্যাপারে যেকোনো সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা রাখেন। ডিসিশন মেকার কারো কিছু না বলে কোথাকার কোন নেতার ফোনালাপ দিয়ে হেফাজতের সাথে জামাতের সম্পর্ক জুড়ে দিলে তো কেউ মানবে না।
যে নেতার ভয়েস দাবী করছেন সেটা তো তার নাও হতে পারে। তিনি তো সাইদি নন যে সবাই আওয়াজ শুনেই নিশ্চিত হয়ে যাবে। আমি যদি এখন হেফাজত নেতা সেজে কথা রেকর্ড করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেই সেটাও যে আপনারা খাবেন কোনো সন্দেহ নেই। জামাতের সাথে হেফাজতের সম্পর্কের প্রমাণ তাঁদের দাবীর মধ্য থেকে দেন। তাঁদের ডিসিশন মেকারদের কথা থেকে দেন। আজকাল এসব আজগুবি ফোনালাপ সচেতন মানুষ খায় না সেটা মনে হয় আপনার জানা নেই। যুক্তির একটা মাপকাঠি আছে। সেটা মেনে যুক্তি দিলে বিপক্ষে গেলেও শুনতে ভালো লাগে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

প্রশ্ন)2, সেকুলারেরা বলে ধর্ম নীতি আর রাজনীতি আলাদা বিষয়। হেফাজতও কি সেটা বলে? নাকি বলে যাহাই রাজনীতি তাহাই ধর্মনীতি? যদি 2য় টা বলে তাহলে কথা আছে। জামাত যদি ইসলামের ক্ষতি করেই থাকে( শফি সাহেবের বই থেকে জানা যায় সেটা করে, আপনার পোস্টেও এই ব্যাপারে প্রমাণ আছে)
তাহলে সেটা রাজনৈতিক বলিয়া গাছের আড়ালে চলিয়া যাইতে চাইবেন কেন? ধর্ম রাজনীতি বাইরে নয় তাই রাজনৈতিক বিষয় বলিয়া রাজনৈতিক নেতাদের মতো “জামাত নিষিদ্ধের বিষয়টা আড়াল করা দেখে আপনার 1 ও 2 নং প্রশ্নের উত্তর সঠিক বলিয়া মনে হয়। কারণ তিনি সুস্থ আছেন তা না হলে এত মারপ্যাঁচ কেমনে দিলেন?

উত্তর>২) জামাত নিজেদের গঠনতন্ত্র থেকে ধর্মীয় বিষয়াদি পরিত্যাগ করে নিজেরাই দেশবাসীর সামনে জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো ধর্মীয় দল নয়। আর জামায়াত রাজনৈতিক দল এই কথাটা মানতে আপনার আপত্তি থাকার কথা নয়। হেফাজত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য হচ্ছে মুসলমানদের আক্বিদার যথাযথ সংরক্ষণ। আপনি জামায়াতকে রাজনৈতিক দল মানতে না চাইলে কি হবে, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী সহ দেশের ৯৯% মানুষ একথা জানে জামায়াত রাজনৈতিক দল। তাদের নিষিদ্ধ করতে হবে রাজনৈতিক পন্থায়। এরপরও না বুঝলে ঘুম দেন। ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করেন। ইনশাল্লাহ বুঝতে পারবেন কি বললাম।

প্রশ্ন)3, সংবিধানে অমুক কথা সংযোজন বিয়োজন সবই কি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়? রাজনৈতিকরাই যেহেতু সংযোজন বিয়োজন করবে এবং সংবিধানও একটা দেশের রাজনীতির ফসল সেহেতু রাজনৈতিক আরেকটা বিষয় সংযোজন করা যাইবে না সেটা কি চতুরতা নয়? জামাত ইসলামের সঠিক পথের জন্য ক্ষতিকর– এটা মানলে কেন তাদের নিষিদ্ধের বিষয়টা মানা যাবে না? মানুষের সম্পুর্ণ জীবন ধারাটাই রাজনীতিতে আবর্তিত। এবং 13 দফার সব গুলাই মানুষের জীবন এবং জাতীয় জীবনকে কেন্দ্র করে। সুতরাং জামাত নিষিদ্ধের কথাটা তুললে রাজনৈতিক দাবী হয়ে যাবে সেটা ঠিক নয়। কম বুদ্ধির মানুষকে খাওয়াতে পারবেন হয়তো, যেটা আপনারা সব সময় খাওয়াইতেছেন।

উত্তর>৩) দেশের মানুষের সুবিধার জন্যই সংবিধান। রাজনৈতিক দলের কাছে দাবী জানানোর মানে যে রাজনৈতিক দাবী জানাতে হবে এই কথা পাবনার কেউ বলবে নারে ভাই। সরকারের কাছে দাবী না জানিয়ে তবে কি ইমরান সাহেবের দরবারে দাবী জানানো উচিত ছিলো। যেহেতু তার সংবিধানটা দেশের সংবিধান থেকে ভিন্ন। তার শাহবাগ সংসদ থেকে শক্তিশালী।
জামায়াতের বিরোধিতা তো কওমির আলেমগন করে আসছেনই। কষ্ট করে উপরের মন্তব্যগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন। আপনাদের এই কথা শুনে একটা গল্প মাথায় ঘুরছে।
বাবা ছেলেকে জন্ম দিয়েছে। বড় করেছে। ছেলে বড় হয়ে বাবার অবাধ্য হয়ে গেছে। অতি আধুনিক হয়ে সে বাবাকে তার পথে নিয়ে আসতে সে যা করে বাবাকে সেটা করতে চাপ দেয়। ভুল হোক শুদ্ধ হোক বাবার বিরুদ্ধে তার কথা বলা চাই। একদিন ছেলে নিজে থেকেই বিয়ে করে বাবাকে এসে বলছে, বাবা; আমি বিয়ে করেছি। তুমি বিয়ে করো। বিয়েতে অনেক মজা! (বাবা বিয়ে না করলে সে কোত্থেকে আসলো এই কথাটা বুঝার মতো মগজ ছেলের নেই। কিন্তু গাধার মতো চেঁচামেচি করার সামর্থ্য আছে। খুব খেয়াল কইরা) (খারাপ হয়ে গেলে মোডারেটরের কাছে ক্ষমা চাই)
আরেকটা কথা। নিজেকে অতি জ্ঞানী কিন্তু মূর্খরাই ভাবে। আপনাকে বড় বলে বড় সেই নয়। লোকে যারে বড় বলে বড় সেই হয়। বাচ্ছাকালে পড়া। তবুও মনে রেখেছি। আল্লাহ রক্ষা করেছেন। আপনার মতো ভুলার যোগ্যতা হয়নি।

প্রশ্ন)4, তাহাদের দাবীর মধ্যে একটা দাবী হলো– কাদিয়ানিদের অমুসলীম ঘোষনা করা। কিন্তু ইসলামের মতভেদের কারণে আরো অনেক মাজহাব আছে তরিকা আছে সিলসিলা আছে। কেউ ওহাবী কেউ সুন্নী কেউ শিয়া। দাবীর মধ্যই-আমরা এদেরকে কাদিয়ানী শব্দ যোগ করেই তাদেরকে সংবোধন করছি অলরেড়ি। সমস্যাটা কি এবং অমুসলীম ঘোষনা করলে লাভটা কি এবং না করলে ক্ষতিটা কি? কুতুববাগী, সুফী বাদী, চন্দ্রপুরী এরাও কি ইসলামের মুল চরিত্র থেকে আলাদা নয়? কই তাদের ব্যাপারে চুপ কেন?

উত্তর>৪) কাদিয়ানী আর অন্যান্যদের মধ্যে বিস্তর ফারাক। লিঙ্ক একবার দিয়েছে। প্রমাণ সহ লেখা আছে। কষ্ট করে পড়ে আসেন। www.alkawsar.com/article/821
তারা মুসলমান না হয়েও মুসলমানের বেশ ধরে ইসলামের ক্ষতি করছে। ধার্মিক সাজা নাস্তিক আর কাদিয়ানী মুদ্রার এপিট ওপিঠ। কুতুব-বাগী, সুফী বাদী, চন্দ্রপুরী এরা ইসলামের মূল ধারাগুলো বিশ্বাস করে।এরা আল্লাহ তায়ালার উপর বিশ্বাস রাখে। নবীকে মানে। তবে ধর্ম সম্বন্ধে অপব্যাখ্যা করে। এরা মাজার পূজারী ভণ্ড তবে কাফির না। কাদিয়ানী আর এদেরকে একত্রে মেশানোর সুযোগ নেই।

প্রশ্ন)5, মুল কথা হইলো 4 বছর শেষ হবার পর 5 বছরের মাথায় সরকারের দুর্বল সময়ে জামাত বিএনপির প্ররোচনায় এবং কোটি কোটি টাকার খেলায়, শাববাগীদের কিছু ভুলকে পুঁজি করে হেফাজত নিজেদেরকে রাজনীতির ফাঁকা মাঠে একটা ব্যাম্বু জামের আয়োজন করেছে। আর সবাই সেটা উপভোগ করছি।

উত্তর>৫) সরকার তাঁদের শেষ সময়ে কেন রাজাকারদের বিচার শুরু করছে সেটা বলেন না কেন? তখন সুশীলতা বাক্সবন্দি করে রাখেন! জামাত বিএনপির প্ররোচনা কোটি কোটি টাকার স্বপক্ষে প্রমাণ দেন। সুরঞ্জিত বাবুর ৭০ লাখ ধরতে পারলে কোটি টাকা সরকার ধরতে পারলো না। এটা সরকারের ব্যর্থতা। আন্দোলনে নামেন। পারলে একটা যৌক্তিক প্রমাণ দেন,যে জামাত বিএনপির হয়ে হেফাজত কাজ করছে। দেখি কলসি ভর্তি নাকি খালি। আছে তো সেই সৎসাহস?

প্রশ্ন)6, মতিঝিলে হেফাজতের মহাসমাবেশে যারা বক্তব্য রেখেছেন তাদের বেশীর ভাগই আমাদের(শাহবাগবাসী) বাবা বা দাদুর বয়সী। কিন্তু তাদের কাছ থেকেও আমরা(শাহবাগবাসী) মুরুব্বী সুলভ বক্তব্য পাই নাই । পেয়েছি প্রতিপক্ষ সুলভ। এর বাইরেও যেটা পায়নি সেটা হলো ইসলামের “সুশীতল নরম জিহব্বাহর আহবানের ডাক”। তারা বলতে পারতো বাবারা তুমরা(গুটিকয়েক) নাস্তিক/ ধর্ম বিদ্বেষী হইবা কেন? “ইসলামের কোন বিষয় যদি না বুঝে থাকো তাহলে আসো আমরা বুঝিয়ে দিই।” কিন্তু তাহারা বলিলেন নাস্তিকের সাথে কোন আলোচনা নাই। কেবল কল্লা চাই(মৃত্যু দন্ড)। জ্বালো, জ্বালো আগুন জ্বালো বলিলেন আমাদের মতই। ইহাইকি 96 ইয়ার ওল্ড অনারেবল শফি সাহেবের ইসলামের একজন খাদেমের নরম মনের নমুনা? যদি তাই হয় তাহলে পল্টন আর প্রেস ক্লাবের মাইক নির্ভর বক্তাদের সাথে একজন বর্ষিয়ান আলেমের তফাৎ কি?

উত্তর>৬) ইসলামী রাষ্ট্রে মুরতাদের শাস্তি সম্পর্কে যেটা বলা আছে, তার মধ্য থেকে সবচেয়ে সহজ হচ্ছে ৩ দিন পর্যন্ত দোষ স্বীকার করে তাওবা করতে হবে। অন্যথায় মৃত্যুদণ্ড। কোনো কোনো বর্ণনায় ক্ষমা চাইলেও মাফ করার কোনো সুযোগ নেই বলা হয়েছে। রাজিবের জানাযা, শহীদ উপাধী দেয়ার কদিন পর হেফাজতের লংমার্চ হয়েছে জানেন তো? ধর্ম অবমাননার দায়ে ক্ষমা চাইলেন না। নিজের বেলায় ১৬ আনা আমার বেলায় নাই, এটা-তো প্রতারকদের স্বভাব। শাহবাগ থেকে প্রতিরোধের ঘোষণা দেয়া হলো। ইমরান সাহেব রক্ত দিয়ে পবিত্র করার ঘোষণা দিলেন। এরপর এমন কথা বলতে আপনার লজ্জা করলো না। বাপের বয়সীদের কুলাঙ্গার বললে কিছু হয় না। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে যেসব থার্ডক্লাশ টাইপের প্রশ্ন করছেন, উত্তর না দেয়াই ভালো। এসব প্রশ্নকে প্রশ্ন বলা যৌক্তিক হবে না। বড়দের সম্মান দিয়ে স্নেহ অর্জন করতে হয়। বেয়াদবি করে কোলে উঠে নাচবেন এমন ভাবনা মূর্খরা করতে পারে। আপনি তো ব্লগার। এসব কিভাবে ভাবেন?

প্রশ্ন)7, তাহাদের 1 নং দাবীর কথাই ধরি—এটা মানলে জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস এইটা কি রাখা যায়? আমি একজন মুসলমান হিসাবেতো আগেই আল্লাহর উপর পুর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেছি। এখন কি সংবিধান পড়ে সেটা জায়েজ করতে হবে? আর আপনারাতো সেকুলারদের রচিত সংবিধানেরই দরকার নেই মনে করেন। তাহলে সেই সংবিধানে সংযোজনের দরকারই কি? আগে যখন ছিল তখনও দেশ সেই সার্বভৌমত্ত নিয়ে খেলাফত রাষ্ট্র হিসাবে চলেনি, এখনো চলে না, তাই সংবিধানে থাকা না থাকা এটা ইসলামের জন্য গৌণ বিষয়। এটা মানুষের মনে থাকে ,সংবিধান ধর্মীয় গ্রন্থ নয় সেখানে এই গুলার যোগ বিয়োগে ইসলামের বৃহত্তর পরিসরে কিছু যায় আসে না। সারা জাহানের মালিক আল্লাহ, তারপরেও আপনার জমিটির মালিক কিন্তু আপনি।
সেই মতে বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডটি এখটি রিপাবলিক মানে এই দেশটির মালিক জনগন, তাই এই রাষ্ট্রটির সকল ক্ষমতার উৎস এ দেশের জনগন।সারা দুনিয়ার মালিক মহান রাব্বুল আলামিন। বুঝাইতে পারিলাম কি? হাঁ যদি আপনি আগেই কনভিন্স হয়ে থাকেন এবং আপনার মতবাদ থেকে একচুলও সরবেন না এমন ধরনের হয়ে থাকেন তাহলে কিন্তু আমি বুঝাইতে পারিলাম না।

উত্তর>৭) আল্লাহ তায়ালার সাথে বিন্দুমাত্র অংশীদারি হোক এটা কোনো মুসলমান মানবে না। এজন্য কোনো কোনো আলেম বলেছেন, ঔষধ আমাদের সুস্থ করে এমন টাইপ কথা উচিত নয়। বলতে হবে আল্লাহ তায়ালা ঔষধের মাধ্যমে আমাদের সুস্থ করে দেন। ইসলাম সম্পর্কে জানা থাকলে আমার কথা বুঝতে পেরেছেন মনে হয়। আপনি বলতে চাইছেন, সংবিধানে থাকা না থাকা সম্পূর্ণ আপেক্ষিক। এটা আপনার ভাবনা হতে পারে, দেশের মুসলমানগণ এমনটি ভাবে না। না থাকলে যদি কিছু না হয় তবে থাকলে কি সমস্যা সেটা বলেন।
তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম এটা গুরুত্বপূর্ণ না। কিন্তু দেশের অধিকাংশ মানুষ চাইছে,(সংবিধান সংশোধনের পূর্ব পর্যন্ত সেটা সংবিধানে থাকায় প্রমাণ হয় সেটা বিএনপি, জাতীয় পার্টি সমর্থন করে) তখন সেটা সরকার মেনে নিলে ক্ষতিটা কি? সবকিছু যুক্তি দিয়ে চলে না। মানুষের আবেগ অনুভূতির মূল্যায়ন করাটা সরকারের দায়িত্ব। যদি এই দাবীটা মেনে নিলে ক্ষতির কিছু থাকে, তবে সেটা একটু বিশ্লেষণ করুন তো। অপেক্ষায় রইলাম। ভালো থাকবেন।

৬ thoughts on “হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে জনৈক জ্ঞানী ব্যক্তির ৭-টি অভিযোগ এবং!

  1. জামায়াতের রাজনৈতিক মতাদর্শের
    জামায়াতের রাজনৈতিক মতাদর্শের সাথে হেফাজতের মতাদর্শের সাদৃশ্যতা, সাঈদীসহ সকল যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি দাবী, যুদ্ধাপরাধীদের সম্পর্কে কথা না বলা….. এসব কি জামায়াতের সাথে হেফাজতের সম্পর্ক কি বুঝা যায় না? মানুষ কি এতই বোকা? মানুষের দান-দক্ষিনা নিয়ে চলা এসব ধর্ম ব্যবসায়ীরা মাদ্রাসার দেয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুক। যারা খয়রাতী টাকায় জীবন চালায়, তাদের মুখে রাজনৈতিক কথা মানায় না। এদেশটা ইসলামী রাষ্ট্র না। হুজুরদের কাজ হুজুররা করুক। রাজনীতিবিদদের কাজ রাজনীতিবিদরা করুক। অন্তত পক্ষে আমি এবং আমার পরিচিত কেউ হুজুরদের আর কোন প্রকারের দান-খয়রাত দেব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশাকরি সবাই এমন সিদ্ধান্তই নেবেন।

    এসব হেফাজতি-জামায়াতী দালালদের ইস্টিশনে কোন জায়গা না দেওয়াই ভাল হবে। এরা বিষাক্ত সাপ। সামুতে গিয়ে হেফাজতের গুন গাইতে পারেন, এখানে না। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করলাম।

  2. যুক্তিবাদী, আপনি যে মুসলমান,
    যুক্তিবাদী, আপনি যে মুসলমান, আপনারে এই সারটিফিকেট দিছে কে? নাকি সুন্নতে খতনা দিছেন বলে নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করেন?
    ইসলামী শরিয়া, জামাতী, হেফাজতী আর রাজনীতি আমাদেরে বুঝাইতে আইসেননা।
    বাংলাদেশ গনপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র, শুধু এই ছবক টা সকাল বিকাল ৫০০০০ বার জিকির করেন, আশা করি আপনার আল্লাহ যদি হেদায়াত করেন তো আপনি ছাগল থেকে মানুষ হতে পারবেন।
    শুনেন ছাগলের বাচ্চা ছাগল হয়, আপনি মানুষের বাচ্চা হয়ে ছাগল হইয়েন না,
    এখনো সময় আছে মানুষ হন।

  3. লুক্স ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস
    লুক্স ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস –
    ‘ দাবি না মানলে নাকি দেশ চালাবে হেফাজতে ইসলাম। ওস্তাদরা মাল খাইয়া ঘুমাইলে হেল্পাররা তো চালাইবোই। ‘

  4. লুক্স ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস
    লুক্স ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস –
    ‘ দাবি না মানলে নাকি দেশ চালাবে হেফাজতে ইসলাম। ওস্তাদরা মাল খাইয়া ঘুমাইলে হেল্পাররা তো চালাইবোই। ‘

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *