রাত্রের ট্রেন যার্নি এত অনিরাপদ!!!

গত কয়েকদিন যাবৎ ফেইসবুকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের লিংকে দেখতে পাচ্ছিলাম একটি ভয়ংকর খবর। কিন্তু খুব একটা গুরুত্ব দেইনি। আজ হটাৎ করে মনে হলো বিষয়টা কি একটু দেখা যাক। লিংকটি খুলে যা বুঝলাম তা অত্যান্ত ভয়ানক বিষয়। মানুষ যে কতটা নিরাপত্তাহীন তা অভাবনীয়। যাই হোক বিষয়টা ইস্টিশনের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার প্রয়োজন মনে হল তাই করলাম।

গত কয়েক বছরে ঢাকা চিটাগাং ট্রেন লাইনের কিছু কিছু স্পটে প্রায় দেড়শ মৃতদেহ পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় আখাউড়া ভৈরব কিশোরগঞ্জ কসবা বি-বাড়িয়া হয়ে নরসিংদী পর্যন্ত। যমুনা টিভির ‘ক্রাইম সিন’ নামক অনুষ্ঠানে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করে ঢাকা চিটাগাং ট্রেন লাইন নিয়ে।


গত কয়েকদিন যাবৎ ফেইসবুকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের লিংকে দেখতে পাচ্ছিলাম একটি ভয়ংকর খবর। কিন্তু খুব একটা গুরুত্ব দেইনি। আজ হটাৎ করে মনে হলো বিষয়টা কি একটু দেখা যাক। লিংকটি খুলে যা বুঝলাম তা অত্যান্ত ভয়ানক বিষয়। মানুষ যে কতটা নিরাপত্তাহীন তা অভাবনীয়। যাই হোক বিষয়টা ইস্টিশনের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার প্রয়োজন মনে হল তাই করলাম।

গত কয়েক বছরে ঢাকা চিটাগাং ট্রেন লাইনের কিছু কিছু স্পটে প্রায় দেড়শ মৃতদেহ পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় আখাউড়া ভৈরব কিশোরগঞ্জ কসবা বি-বাড়িয়া হয়ে নরসিংদী পর্যন্ত। যমুনা টিভির ‘ক্রাইম সিন’ নামক অনুষ্ঠানে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করে ঢাকা চিটাগাং ট্রেন লাইন নিয়ে।

পুলিশ এই লাশগুলা বেশিরভাগ অজ্ঞাতপরিচয় আত্মহত্যা হিসেবে রেকর্ড করে। তারপর মর্গ হয়ে মাটিচাপা। হিন্দু মুসলিম ব্যাপার নাই, সব মাটিচাপা। ডোম মৃত ব্যক্তির জামাকাপড় রেলওয়ে ডোমঘরের সামনে ঝুলিয়ে রাখে।

যদি বছর দুয়েকের ভেতর মা-বাবা এসে জামাকাপড় দেখে সনাক্ত করতে পারে তাহলে কবর দেখিয়ে দেয়া হয়। তবে জামাকাপড় রোদে শুকিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে চেহারা সুরত আস্ত থাকে না।

এ লাশগুলো বেশিরভাগই মার্ডার কেস। দশ-বিশ-পাঁচশ টাকা, পকেটে থাকা মোবাইল ফোন, এগুলো ছিনতাই করার জন্য মার্ডারগুলো করা হয়। বিশ টাকার জন্যও তারা মানুষ খুন করছে।

ছিনতাইয়ের নিয়মটা হচ্ছে ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে করিডোরের মতো থাকে, দুই পাশে দরজা, বাথরুম। রাতের ট্রেনে এসব জায়গায় সুবিধামত লোক পেলে ছিনতাইকারী চক্রের দুইজন পেছন থেকে আক্রমণ করে।

আক্রমণের নিয়ম হচ্ছে গামছাকে পেঁচিয়ে চিকন করা হয় প্রথমে। তারপর দুই মাথা দুইজন ধরে যাকে আক্রমণ করা হবে, তার গলায় পেছন থেকে এক প্যাঁচ দিয়ে দু’পাশ থেকে হেঁছকা টান। ১৫ সেকেন্ডের ভেতরই ওই লোক মারা যাবে। না মরলেও তার জীবন ওইখানেই শেষ।

এরপর তার পকেট থেকে যা নেয়ার নিয়ে পাশের দরজা দিয়ে ফেলে দেবে। রাতের ট্রেনে সবাই ঘুমায়। তাছাড়া ট্রেনের আওয়াজ থাকে। কেউ কিচ্ছু টের পাবে না। পুরো কাজটা করতে সময় লাগে সর্বোচ্চ দেড় মিনিট।

এরা ধরা পড়ে, আবার জামিনে বের হয় আদালতের কাছে এভিডেন্স থাকে না পর্যাপ্ত। এভিডেন্স না থাকলে বিচারও করা সম্ভব হয় না।

তাই সতর্ক থাকুন।

ইনভেস্টিগেটর:রকিব হোসাইন ও এসআই ইমরান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)

২ thoughts on “রাত্রের ট্রেন যার্নি এত অনিরাপদ!!!

  1. জানি, রাতের ট্রেন একশ্রেণীর
    জানি, রাতের ট্রেন একশ্রেণীর জারজসন্তানের রাজত্বে পরিণত হয়। এই জারজসন্তানরা ছিঁচকে চোর ও ডাকাত, আর নয়তো ছিনতাইকারী। এই জারজগুলো অবাধে ট্রেনে উঠতে পারে এবং নামতে পারে। রেলওয়ে পুলিশ এদের কিছুই বলে না। তাই, এরা বিনা বাধায় দিনের পর দিন এইজাতীয় শয়তানী করে যাচ্ছে।
    আপনাকে ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *