একটি হিন্দু ছেলের ইসলাম গ্রহণের মর্মান্তিক কাহিনী !!!

হিন্দুধর্ম ভয়াবহ সব অসংখ্য ভয়ংকর রীতি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের বিশাল সংকলন। কালের বিবর্তনে ধর্মীয় বর্বরতার সামান্য কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারলেও গোঁড়ামি আর অশ্লীলতা হিন্দুদের মাঝে এখনও যথেষ্ট পরিমাণেই বিদ্যমান।

হিন্দুধর্ম ভয়াবহ সব অসংখ্য ভয়ংকর রীতি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের বিশাল সংকলন। কালের বিবর্তনে ধর্মীয় বর্বরতার সামান্য কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারলেও গোঁড়ামি আর অশ্লীলতা হিন্দুদের মাঝে এখনও যথেষ্ট পরিমাণেই বিদ্যমান।
তাদের কথিত বড় ধরনের পূজা তথা নগ্নতা প্রদর্শণের মোক্ষম অনুষ্ঠান দূর্গা পুজা।দূর্গা পুজার সময় দশ ধরনের মাটি প্রয়োজন হয় । তার মধ্যে বেশ্যার দরজার মাটি অপরিহার্য । বলা হয় বেশ্যারা নাকি পুরুষদের কাম (যৌনতা) নীলকন্ঠের মতো ধারন করে সমাজকে নির্মল রাখে বলে বেশ্যাদ্বার মৃত্তিকা অবশ্য প্রয়োজনীয়।”
এ তথ্যের উৎস হল : সানন্দা ১৮ এপ্রিল ১৯৯১ দেহোপজীবিনী সংখ্যা, শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা “গণিকাবৃত্তি : সমাজ, সংস্কার এবং সমীক্ষা” প্রচ্ছদ প্রতিবেদন , পৃস্ঠা: ১৯, হাতের ডান দিকের কলাম ।
অর্থাৎ বেশ্যার অনুপস্থিতিতে দুর্গাপুজা সম্ভব নয়। অবশ্য প্রত্যক্ষদর্শীরা মাত্রই জানে, ওই দিন মন্ডপে মন্ডপে মদ্যপান এবং অশ্লীল গানবাজনা কি পরিমাণে হয়ে থাকে। কারণ দুর্গাপুজা হল ব্রিটিশআমলের সংস্কৃতি। এ পূজা আগে হতো বসন্তকালে। কিন্তু সিরাজউদ্দৌলাকে হটানোর হিন্দু ষড়যন্ত্র যখন সফল হয়, হিন্দুরা তাদের প্রভু ব্রিটিশদের সাথে তাদের বিজয় উদযাপনের জন্য পুজাকে শরৎকালে এগিয়ে নিয়ে আসে।
আর ব্রিটিশরা জাত জলদস্যু। পতিতা ছাড়া তাদের উৎসব অচল। ফলে পতিতাগমন আজও দুর্গাপুজার একটি আবশ্যিক বিষয়।
বিশ্বামিত্র তথা হিন্দুধর্মের সবচেয়ে বড় ঋষি থেকে শুরু করে রাজা বিক্রমাদিত্য পর্যন্ত পতিতাগমন করেছিল বলে কালীদাসের কবিতায় রয়েছে। সুতরাং পতিতাবৃত্তির জননী হিসেবে হিন্দুধর্মকে অস্বীকারের উপায় নেই।
এক হিন্দুর মুখে শুনেছিলাম, তারা তাদের কাজিনদের বিয়ে করতে পারে না, আর যা খুশি তাই করতে পারে।

হিন্দুসমাজ একজন নারীকে সমাজচ্যুত করার, বাজে কাগজের মতো ছুড়েঁ ফেলে দেয়ার এতসব উপায় উদ্ভব করেছে যা বিস্তারিত লিখতে গেলে লেখার পরিসর বেড়েই চলবে। তবু আরেকটি অজানা কিন্তু ভয়ানক নিয়ম সম্পর্কে আমাদের জানা জরুরী। অনেকে শুনেছেন এ প্রবাদ, মেয়েদের জীবনে লগন একবারই আসে। লগন হলো হিন্দুধর্মের পরিভাষা অনুযায়ী, বিবাহের নির্দিষ্ট সময় বা লগ্ন, ঠাকুর ডেকে গণনা করে বের করা হয় বিবাহের লগ্ন। এ পার হয়ে গেলে একজন মেয়ের জীবনে আর লগ্ন আসবে না, অর্থাৎ তাকে অবিবাহিতই থাকতে হবে। অর্থাৎ কোন কারণে যদি বর লগনের সময় না পৌছতে পারে, তখন শুরু হয়ে যেত হুড়োহুড়ি। হিন্দু লেখক সাহিত্যিকদের লেখাতেই এর যথেষ্ট প্রমাণ আছে , বিশেষ করে রম্যলেখকদের মধ্যে।
বেদ, রামায়ন সহ হিন্দুদের মূল ধর্মীয় বইয়ে দূর্গাপূজার অস্তিত্ত্ব পাওয়া যায়না। কিছু ধনাঢ্য হিন্দু ব্যক্তির প্রতিপত্তি প্রদর্শনের ফলস্বরুপ দূর্গাপূজা ভুমিষ্ট হয়।
নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
দুর্গাপূজা বেদসম্মত নয়। বৈদিক পূজার ছাপ দেয়ার জন্য বেদের দেবী সূক্তটির ব্যবহার করা হয় কিন্তু বেদের দেবীসূক্তে যে হৈমবতী উমার উল্লেখ আছে তার সঙ্গে দুর্গার কোনো সম্পর্ক নেই।
বাল্মীকির রামায়ন যে সময়কার রচনা মার্কণ্ডেয় পুরাণ সে সময় জন্মায়নি, কথিত দেবী দুর্গার আখ্যায়িকাও তখনও আসেনি।
মার্কণ্ডেয় পুরাণ যুগের ভিত্তিতে ‘শ্রীশ্রীচণ্ডী’ লিখিত হয়েছে। পৌরাণিক শাক্তাচারের শক্তির আদিমতম অবস্থাকে সংস্কৃতিতে বলা হয় আদ্যাশক্তি। এই আদ্যাশক্তির চণ্ডরূপই চণ্ড শক্তি বা চণ্ডী। তেরশ বছর আগের মার্কণ্ডেয় পুরাণ যার সংক্ষিপ্ত নাম চণ্ডী যাতে দুর্গার কথা রয়েছে, সুরথ রাজার গল্প রয়েছে, তাতেও রামের কথা লেখা নেই, আর রাম যে দুর্গার পূজা করেছিলো সে গল্পও নেই।
মোঘল যুগের কবি তুলসী দাসের ‘রামচিতমানস্থ। সেখানেও রাম কর্তৃক দুর্গাপূজার কোন উল্লেখ নেই। তাহলে দুর্গাপূজার প্রচলন হলো কিভাবে?
পাঠান যুগের গোড়ার দিকে বরেন্দ্রভূমিতে- মানে, উত্তর বাংলার রাজশাহী জেলার তাহেরপুরে কংস নারায়ণ রায় নামে একজন রাজা ছিলো। গৌড় রাজ্যের শাসকদের জায়গীরদার তাহের খাঁর নামানুসারে ‘তাহেরপুর’ নামকরণ হয়েছিলো। এর পূর্ব নাম ছিলো সাপরুল। তাহের খাঁকে পরাজিত করে কংস নারায়ণ তাহেরপুর দখল করে এবং লুটপাট চালিয়ে অকল্পনীয় ধন-সম্পদ হস্তগত করে। অতঃপর নিজের শক্তি ও মহিমা সর্বজনে প্রকাশ করতে অশ্বমেধ যজ্ঞ করার সংকল্প করে। সে তার সময়ের পণ্ডিতদের ডেকে বললো, ‘আমি রাজসূয় কিংবা অশ্বমেধ যজ্ঞ করতে চাই। মানুষে জানুক আমার ধন ঐশ্বর্য কি রকম আছে, আর দু’হাতে ফেলে ছড়িয়ে দান করবো।’ শুনে পণ্ডিতেরা বলেছিলো, ‘এই কলিযুগে রাজসূয় বা অশ্বমেধ যজ্ঞ হয় না, তাই মার্কণ্ডেয় পুরাণে যে দুর্গাপূজা বা দুর্গোৎসবের কথা আছে, তাতেও খুব খরচ করা যায়, জাঁকজমক দেখানো যায়, নিজের ঐশ্বর্য দেখানো যায়। আপনি মার্কণ্ডেয় পুরাণ মতে এই দুর্গোৎসব করুন।’ তখন রাজা কংস নারায়ণ রায় তৎকালীন সাতলক্ষ স্বর্ণমুদ্রা (বর্তমান বাজার মূল্যে ছয়শ’ কোটি টাকা প্রায়) ব্যয় করে প্রথম দুর্গাপূজা করে। তার দেখাদেখি একটাকিয়ার (একটাকিয়া সম্ভবত রংপুর জেলায়) রাজা জগৎবল্লভ সাড়ে আটলক্ষ স্বর্ণমুদ্রা ব্যয় করে আরো জাঁকজমক করে দুর্গাপূজা করলো। তাদের দেখাদখি অন্যান্য জমিদাররা ভাবলো, ‘আমরাইবা কম কিসে, আমরাও টাকার খেলা দেখাতে পারি।’ তারাও জাঁকজমক করে দুর্গাপূজা শুরু করলো। প্রতি হিন্দু জমিদার বাড়িতে শুরু হয়ে গেলো দুর্গাপূজা।
সেই সময়ের হুগলী জেলার বলাগড় থানার গুপ্তিপাড়ার (জায়গাটার আসল নাম গুপ্তবৃন্দাবন) বারোজন বন্ধু ভাবলো যে আমরা এককভাবে পারবো না, কিন্তু বারোজন মিলে তো পূজার আয়োজন করতে পারি। উর্দুভাষায় বন্ধুকে ইয়ার বলে, তাই বারোজন ইয়ারে মিলে যে দুর্গাপূজা করলো সেটা হলো বারো ইয়ারী পূজা বা বারোয়ারী পূজা। আর এই বারোয়ারী পূজায় যেহেতু অন্ত্যজ লোকদের অঞ্জলি দেবার অধিকার থাকে না, তাই সবার অধিকার যাতে থাকে সেজন্য আধুনিককালে বারোয়ারী পূজা বিবর্তিত হয়ে তাদের ভাষায় হলো সার্বজনীন পূজা।
ঊনিশ শতক থেকে আস্তে আস্তে কলকাতার পূজার রেশ ছড়িয়ে পড়েছিলো বাংলাদেশে এবং কলকাতায় অবস্থানরত অনুপস্থিত ভূস্বামী ও ধনাঢ্যরা কলকাতায় আমোদ ফুর্তি তামাসার একটি অংশ আবার শুরু করতে চাইলো বাংলাদেশের নিজ নিজ অঞ্চলে। এ ছাড়া মধ্যবিত্ত, ধনাঢ্য পেশাজীবীরা যারা প্রধানত থাকতো কলকাতা বা ঢাকায় তারাও আসতো পূজার ছুটিতে গ্রামে। মূল উদ্দেশ্য সবার ছিলো একই, ঐশ্বর্য (আধিপত্য) ও প্রজাদের প্রতি ক্ষমতা প্রদর্শন।
বর্ণহিন্দু ছাড়া তথাকথিত নিম্নবর্ণের হিন্দুদের মধ্যে যারা ছিলো বিত্তশালী তারাও দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিজেদের ‘সম্মান’ বাড়ানোর চেষ্টা করতো। তারা অবিকল অনুকরণের চেষ্টা করতো বর্ণ হিন্দুদের, যা বর্ণহিন্দু বিশেষ করে ব্রাহ্মণেরা মোটেই পছন্দ করতো না। এমনকি নিম্নবর্ণের বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত প্রতিমা প্রণামও ছিলো নিষিদ্ধ।
বাঙালি হিন্দুর দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে ষোড়শ শতাব্দী থেকে। এ ঐতিহ্য একান্তভাবেই বাঙালি হিন্দুর। উপমহাদেশের অন্য অঞ্চলের হিন্দুদের মধ্যে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রচলন নেই।
এরপর ঊনবিংশ শতাব্দীতে কলকাতা শহরকে কেন্দ্র করে যে নব্যধনীদের উদ্ভব ঘটে, তারা দুর্গাপূজার নামে অশ্লীলতাকে আরো বিস্তার করে। অশ্লীল কদর্য নৃত্যগীত, মদ্যপান ও বেশ্যাগমনকে তাদের দুর্গাপূজার অপরিহার্য অনুষঙ্গ তারা করে নেয়।
দুর্গাপূজা প্রবল উৎসবে পরিণত হয়েছিলো প্রথমে কলকাতায়। শুধু নিছক উৎসবের জন্য নয়, প্রভু ইংরেজদের মনোরঞ্জন ও যোগাযোগের জন্যও উচ্চবর্গ ও মধ্যবিত্ত ব্যবহার করতো দুর্গাপূজা। এর প্রচুর বিবরণ ছড়িয়ে আছে সমসাময়িক বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়, নকশা, উপন্যাসে। এখানে একটি পুস্তিকার সামান্য উদ্ধৃতি দেয়া হলো, ‘…মহামায়ার শুভ আগমনে যে কেবল হিন্দুরা আহ্লাদে ফুটিফাটা হলো তা নয়, ইংরেজ ফিরিঙ্গিরাও এ সময়ে আমোদ করতে ছাড়েন না। সম্বতসরের মধ্যে বঙ্গদেশে এই একটি বিশেষ সময়।…
দুর্গাপূজা নিয়ে বর্তমানে যে মচ্ছব হচ্ছে তা অতীতে যখন কম ছিলো তখন থেকেই খোদ হিন্দুদের মধ্যেই অনেকে সমালোচনা করে আসছে। উদাহরণত, ‘…পূর্বের দুর্গোৎসবে আর এখনকার দুর্গোৎসবে অনেক প্রভেদ হইয়া দাঁড়াইয়াছে। পূর্বের পূজা মানসিক ছিলো, আর এখনকার পূজা তামসিক হইয়া দাঁড়াইয়াছে। নাচ, তামাসা লইয়া এখন লোকের পূজা …।’
ষোড়শ শতক থেকে ঊনিশ শতক পর্যন্ত ধনিকরা দুর্গাপূজাকে তাদের মতো করে দুর্গোৎসবে রূপান্তরিত করতে চেয়েছে। তাতে তাদের উৎসবের ক্রমাগত অশ্লীলতার বিস্তার ঘটেছে। পূজার সময় ‘ধনীর দুয়ারে কাঙালিনী মেয়েরা চোখের পানি ফেলেছে, আর মুষ্টিমেয় ধনীর দুলাল-দুলালীরা নানা ধরনের পৈশাচিক আনন্দে মেতেছে।
ধনিকদের পারিবারিক দুর্গাপূজা অনুষ্ঠান উপলক্ষে ঊনিশ শতকের কলকাতায় যেমনটি ঘটতো, এখন তার চেয়ে হাজারগুণ বেশি দুর্গাপূজার নামে অশ্লীল ও বিকৃত দুর্গোৎসবে পরিণত হতে দেখে অনেক হিন্দু ধর্মবিশ্বাসী মানুষও বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে উঠে।
অতীতে ইংরেজদের আকৃষ্ট করতে হিন্দু জমিদাররা যেমন দুর্গাপূজায় অবাধ অশ্লীলতার ব্যবস্থা করতো বর্তমানে মুসলমানদেরকে দুর্গাপূজায় আকৃষ্ট করতে অতীতের চেয়ে বহুগুণ বেশি অশ্লীলতার অবাধ সুযোগ করে দিচ্ছে।

এখন সময় এসেছে পৈশাচিক ধর্ম ছেড়ে সত্য দ্বীন গ্রহন করার,
সময় এসেছে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ পাক উনার একমাত্র সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত
পছন্দনীয় দ্বীন ইসলামে দাখিল হয়ে ইহকালীন পরকালীন সীমাহীন কল্যান
অর্জন করার। সবাইকে ধণ্যবাদ।

৪ thoughts on “একটি হিন্দু ছেলের ইসলাম গ্রহণের মর্মান্তিক কাহিনী !!!

  1. প্রথমত হুজুররা এসব কাহিনী
    প্রথমত হুজুররা এসব কাহিনী নিজে বানিয়ে বলে বেড়ায় সাধারণত। হিন্দুরা অন্যভাবে চিন্তা করে। হিন্দুদের অনেকে আবার কবর দেয়। লাশ না পুড়ানোই ভাল, এতে পরিবেশের ক্ষতি হয়। তবে হিন্দু ধর্মের এ রিচুয়ালের কারণে উনি হিন্দু ধর্মে অবিশ্বাস করতে পারেন কিন্তু ইসলাম গ্রহণ করলেন ক্যা? ইসলামে আরো কত কিছু আছে তা উনাকে কে দেখাবে?

    মরা লাশ মেডিকেলে দান করাই শ্রেয়। দেহাংশ কাজে লাগল আবার ডাক্তাররা এর উপর অনুশীলন করতে পারলেন। একটি লাশ নিয়ে এত কিছু ভাবার কী প্রয়োজন?

  2. প্রতিদিন বাংলাদেশে ধরুণ ২০ জন
    প্রতিদিন বাংলাদেশে ধরুণ ২০ জন লোক মারা যায়! এর মধ্যে ১০ টি লাশ দান করে েয়া হলে বছর শেষে সাড়ে তিন হাজার লাশ জমা হবে! যেখানে মেডিকেল স্টুডেন্টের সিট সংখ্যাই ৮০০০ এর মত! আর লাশ রক্ষনাবেক্ষনের ক্ষরচ অনেক! ওই টাকা দিয়ে একটা লোকের থাকা খাওয়া হয়ে যাবে! তো লাশ দান করা কিভাবে শ্রেয়?

  3. উপরের ওয়াজকারী ধর্ম ব্যবসায়ী
    উপরের ওয়াজকারী ধর্ম ব্যবসায়ী ও নিচের নেংটু ধর্মব্যবসায়ীর মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে? পার্থক্য হচ্ছে-একদল কাপড় পরে ভন্ডামী করছে, অন্যদল কাপড় না পরে ভন্ডামী করছে। এই হুজুরের গল্পটা যে সত্য তার কোন গ্যারান্টি আছে? ধর্মের জন্য এসব মিথ্যাকাহিনী পাতানো এখন প্রমাণিত মিথ্যা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *