মুহাম্মদ ও শিশু আয়েশার বিয়ে

ইসলামবিরোধীরা নবী মুহাম্মদের কিছু বিতর্কিত কার্যকলাপকে ইসলাম আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে । যদি সকল প্রকার আবেগের উর্দ্ধে উঠে বিচার করতে যাই তবে কিছু কিছু কাজকে সত্যি সত্যিই অনুচিত মনে হবে । এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নবী মুহাম্মদ কতৃক শিশু আয়েশাকে বিয়ে করা ।

মোহাম্মদ ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের আয়েশাকে বিয়ে করেছিলেন । এটা সত্যি অবাক হবার বিষয় যে কেউ ৫১ বছর বয়সে তার নাতনীর বয়সের একটা দুধের বাচ্চাকে বিয়ে করতে পারে !

ইসলামবিরোধীরা নবী মুহাম্মদের কিছু বিতর্কিত কার্যকলাপকে ইসলাম আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে । যদি সকল প্রকার আবেগের উর্দ্ধে উঠে বিচার করতে যাই তবে কিছু কিছু কাজকে সত্যি সত্যিই অনুচিত মনে হবে । এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নবী মুহাম্মদ কতৃক শিশু আয়েশাকে বিয়ে করা ।

মোহাম্মদ ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের আয়েশাকে বিয়ে করেছিলেন । এটা সত্যি অবাক হবার বিষয় যে কেউ ৫১ বছর বয়সে তার নাতনীর বয়সের একটা দুধের বাচ্চাকে বিয়ে করতে পারে !
ছয় বছর বয়সে অবশ্যই একটা মেয়ে স্বামীর ঘর করার মত উপযুক্ত নয় বিবেচনায় আয়শাকে তিন বছর পর্যন্ত পিতামাতার ঘরে রাখা হয়। নয় বছর বয়সে তিনি স্বামীর ঘর করতে যান। কিন্তু নয় বছর বয়সও কি স্বামীর ঘর করার মত উপযুক্ত বয়স নাকি ? খালি ঘর করা তো নয় আরও বিশেষ বিষয়ও তো আছে যা বলা বাহুল্য দৈহিক মিলন। নয় বছর বয়সে কি একটা মেয়ে দৈহিক মিলনের জন্য উপযুক্ত হয় নাকি ?

শিশু আয়শাকে বিয়ে করার পিছনে ইসলামপন্থীরা কিছু যুক্তির অবতারনা করেছেন। তাদের যুক্তি- মহানবী তাকে বিয়ে করেছিলেন হাদিস সংকলনের উদ্দেশ্যে। মানুষ যখন উন্মাদ , অন্ধ বিশ্বাসী ও বধির হয় তখন কু যুক্তিকেও তারা যুক্তি হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা চালায়, তা মানুষ গ্রহন করুক বা না করুক। ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায়, আবু বকর তার মেয়েকে লেখা পড়া শেখানোর জন্য শিক্ষক নিয়োগ করেছিলেন্। কিন্ত মাত্র ছয় বছর বয়েসে কি তিনি মহাপন্তিত মহিলা হয়ে গিয়েছিলেন নাকি ? আয়েশা কিছু হাদিস সংকলন পরবর্তীতে করেছেন ঠিকই , কিন্তু তা অন্যান্য সাহাবাদের তুলনায় নিতান্তই অপ্রতুল। যদি আয়েশা কোন হাদিস সংকলন না ও করতেন তাহলে কি ইসলামের প্রচারে কোন হের ফের হতো ? হতো না ।

আরো কিছু যুক্তি পাওয়া যায় । যেমন, আবু বকরের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন ছিলো ঐ বিয়ের উদ্দেশ্য । যারা এটা বলে তারা পাগল ছাড়া কিছুই না । মুহাম্মদ এবং আবু বকরের এতো ভালো সম্পর্ক ছিলো যে তা নিয়ে অনেক সাহাবীও অবাক ও আহ্লাদী হয়ে গর্ব করতেন । সেখানে আরো সম্পর্কোন্নোয়নের কোনো প্রয়োজনই ছিলো না ।

সব জিনিসেরই ভালো মন্দ আছে । ইসলামেরও আছে । সেটাকে মেনে নেয়াই ভালো । এটা নিয়ে জিহাদে নেমে যাওয়ার কোনো কারণ দেখি না ।

সমালোচনা যারা সহ্য করতে পারে না, বুঝতে হবে সত্যিই তাদের মধ্যে কোনো সমস্যা আছে যা তারা লুকোতে চায় ।

৪ thoughts on “মুহাম্মদ ও শিশু আয়েশার বিয়ে

  1. মুহাম্মদকে সর্বকালের জন্য
    মুহাম্মদকে সর্বকালের জন্য আদর্শ বলে দাবি করা না হলে মুহাম্মদের কুকর্মের সমালোচনার প্রয়োজন হত না। বুখারির হাদিসে মুহাম্মদের ৬ বছর বয়সের আয়েশাকে বিয়ের কথা উল্লেখ আছে।

    এটা মুহাম্মদের বুজরুকির প্রমাণ।

  2. একান্ন বছরের ভণ্ড ধর্ম
    একান্ন বছরের ভণ্ড ধর্ম ব্যবসায়ীর কচি মেয়ের প্রতি কি লোভ থাকতে পারে না। মুহাম্মদ ছিল নারী লোলুপ এক ভণ্ড। তার হাত থেকে ৬ বছরের শিশু রক্ষা কেন পাবে। শুধুমাত্র ৬ বছরের আয়েশাকে তার ভোগের বস্তু করার কারনে মুহাম্মদদের দর্শনকে লাত্থি মেরে ছুড়ে ফেলে দেওয়া যৌক্তিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *