কে অপরাধী নাস্তিক নাকি আস্তিক তথা ধার্মিক

একজন মানুষ যখন ধর্ম পালন করে থাকে, তা তার ব্যাক্তি স্বাধীনতা বা ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আবার কেউ যদি ধর্ম না মেনে থাকে, সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস না করে থাকে, তাহলে সে ধর্ম পালন করবেনা, তাও তার একান্তই ব্যাক্তিগত ব্যাপার। সমস্যা ততক্ষন পর্যন্তই উদ্ভব হবেনা, যতক্ষন পর্যন্ত না কেউ কারো ব্যাক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে।
এখন লক্ষ্য করার বিষয় এই দুই গ্রুপের মধ্যে কে কার ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে।
যে গ্রুপটা ধর্ম পালন করে থাকে অথবা ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে তাদের সহজ করে আস্তিক বলে।এদের বিশ্বাসটা গোড়া যুক্তিহীন।
আর দ্বিতীয় গ্রুপটাকে বলা হয় নাস্তিক।

একজন মানুষ যখন ধর্ম পালন করে থাকে, তা তার ব্যাক্তি স্বাধীনতা বা ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আবার কেউ যদি ধর্ম না মেনে থাকে, সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস না করে থাকে, তাহলে সে ধর্ম পালন করবেনা, তাও তার একান্তই ব্যাক্তিগত ব্যাপার। সমস্যা ততক্ষন পর্যন্তই উদ্ভব হবেনা, যতক্ষন পর্যন্ত না কেউ কারো ব্যাক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে।
এখন লক্ষ্য করার বিষয় এই দুই গ্রুপের মধ্যে কে কার ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে।
যে গ্রুপটা ধর্ম পালন করে থাকে অথবা ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে তাদের সহজ করে আস্তিক বলে।এদের বিশ্বাসটা গোড়া যুক্তিহীন।
আর দ্বিতীয় গ্রুপটাকে বলা হয় নাস্তিক।
এরা কোন কাল্পনিক ঈশ্বর কোন ধর্ম মানে না এবং পালনও করে না।
আস্তিক গ্রুপটার মধ্যে ধর্ম বিষয়ে পার্থক্য মতামতে মিল নাও থাকতে পারে কিন্তু ঈশ্বর বিষয়ে সকলেই একমত।এরা সকলেই ঈশ্বরের অস্তিত্বে একমত।
ঈশ্বর বলে কেউ আছে এটা তারা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে নেয়।
সেটা হোক কোন হুবাল অথবা আবাল।
আর নাস্তিকরা এক বাক্য স্বীকার করে তারা কোন হুবাল আবাল ঈশ্বর মেনে তো নেয় না এমন কি কোন বিশ্বাসও করে না।
সহজ করে বলতে গেলে।
কোন ঈশ্বরের অস্তিত্বে এদের বিশ্বাস নেই।
এরা চায় যুক্তিসহ প্রমাণ।
আমার জানা মতে নাস্তিকতার মধ্য কোন গোড়ামি নেই।
এখন কেউ প্রশ্ন করতে পারে কোন নাস্তিক কি প্রমাণ করতে পেরেছে ঈশ্বর বলে আসলে কেউ নেই।
আছে কি নেই এটার প্রমাণ তো ঈশ্বরেরই দেয়া উচিত। এত সকল নাস্তিকেরা ঈশ্বর নেই নেই বলে চিল্লাচ্ছে।
ঈশ্বর কি কানে বোবা মুখে কালা নাস্তিকদের মুখে ছামা দিয়ে বলতে পারে না আমি আছি আমি আছি।
সে যাই হোক,এই ধরনের স্বলক্ষ্য প্রমাণ যেহেতু নেই সেহেতু ঈশ্বরে বিশ্বাস করার কোন মানেই হয় না।
আবার যদি বলে কেন আপনারা কি দেখেন না পবিত্র বই গুলোতে ঈশ্বর আছে বলে লেখা আছে।
যদিও বিষয়টা কালুর গরু খাতায় আছে কিন্তু গোয়ালে নেই এর মতো।
তারপরও যদি বিষয়টা বলতে থাকেন তাহলে আমিও বলি।
আমিও একটা পবিত্র বই পড়েছি সেই বইটাতে লেখা আছে আকাশ থেকে প্রতিদিন অদৃশ্য ধারাই বাল ধরে পড়ে।
এখন কি আপনি বিষয়টা মেনে নেবেন। বিশ্বাস স্থাপন করবেন সেই বইটার উপর নাকি প্রমাণ চাইবেন?
এখন কথা হচ্ছে কে কার ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতেছে।
ধর্ম তথা আস্তিক কুল সব সময় নাস্তিকদের ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে আসছে।
তারা জোর জবরদস্তি দিয়ে ঈশ্বরে বিশ্বাস করার কথা বলে।
এমন কি খুন খারাবীও করতে ছাড়েনি।
আগের যুগে যে কত খুন হয়েছে সেটা বলতে পারি না আপনারা নিজেরাই এখন লক্ষ্য করে দেখুন কত মানুষকে ধর্ম না মানার কারণে সমসাময়িক সময়ে হত্যা করা হয়েছে।
এমন কি আস্তিকদের কিতাব গুলোতে নাস্তিকদের হত্যার বিষয়ে বলা আছে।
এই বিষয়ে ইসলাম ধর্মে কি বলা আছে নিচে কিছু কুরানের আয়াত দিচ্ছি।
অবিশ্বাসীদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই। যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে। তাহলে তাদেরকে হত্যা কর। এই হল কাফেরদের শাস্তি। ২:১৯১-২
তোমাদের সাথে সন্ধি না রাখে এবং স্বীয় হস্তসমূহকে বিরত না রাখে, তবে তোমরা তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। আমি তাদের বিরুদ্ধে তোমাদেরকে প্রকাশ্য যুক্তি-প্রমাণ দান করেছি। ৪:৯১
মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। ৯:৫
শুধু যে ইসলামে নাস্তিকদের বাঁশ দেয়ার কথা বলা তা কিন্তু নয়।
ইহুদী খ্রিষ্টান দের জন্যও পরম বাঁশ আছে….
খ্রীষ্টান এবং ইহুদীরা মান্য করে প্রতিমা ও শয়তানকে এবং বড়াই করে যে এরা মুসলমানদের তুলনায় অধিকতর সরল সঠিক পথে রয়েছে। ৪:৫১
কাফেরদের জন্য দোযখের শিখায়িত আগুনই যথেষ্ট। ৪:৫৫
আমি শুধু ইসলামের কথটাই এখনে বললাম।
অন্যন্য ধর্ম গুলোও কিন্তু নাস্তিকদের বিষয়ে এরকমই অবস্থান নেয়।
যেহেতু আমি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি সেক্ষেত্রে ইসলাম সম্পর্কে বেশি জানি এবং বলি।
কিন্তু নাস্তিকরা কখনো ধার্মিকদের ধর্ম মানতে বাধা দেয়নি।
আশা করি কখনো দেবেও নাহ।
আস্তিক কুলের মত নাস্তিকদের তো কোন পবিত্র বই ও নেই যে তারা সেই বিষয়ের মত চলবে।
এখন কেউ বলতে পারে নাস্তিকেরা লেখা লেখি করে ধর্মের কুটুক্তি করে।
আস্তিকদের অনুভুতিতে আঘাত দেয়।
তাদের বিশ্বাসকে আঘাত করে।এখন কথা হলো কেউ যদি কাউকে কথার মাধ্যমে কষ্ট দেয় আর উপর ব্যক্তি তাকে হত্যা করলো এটাতে কতটা মানবিক কাজ হলো?
কে অপরাধী কুটুক্তি কারী নাকি হত্যা কারী?

৫ thoughts on “কে অপরাধী নাস্তিক নাকি আস্তিক তথা ধার্মিক

  1. হত্যা কোনো সমাধান নয়।
    হত্যা কোনো সমাধান নয়। মানুষহত্যাকারীরা নরপশু।
    আর সমাজে-রাষ্ট্রে আস্তিক-নাস্তিক উভয়কে শান্তি বজায় রাখতে হবে। আর কাউকে আঘাত করে ধর্ম হয় না।
    আপনাকে ধন্যবাদ।

  2. ধর্ম যদি শান্তি বজায় রাখার
    ধর্ম যদি শান্তি বজায় রাখার জন্য সৃষ্টি হত তাহলে পৃথিবীতে এত এত রক্তারক্তি হত না ।
    পৃথিবীতে দুটি জিনিস নিয়ে রক্তারক্তি হয় এক সাম্রাজ্য আর দুই ধর্ম । সাম্রাজ্যবাদীরা তাদের সাম্রাজ্য বৃদ্ধি করতে রক্তারক্তি করে আর ধর্মবাদীরা তাদের নিজ নিজ ধর্মকে শ্রেষ্ঠ করতে রক্তারক্তি করে ।

  3. আরেকটা কথা বলা যেতে পারে
    :লইজ্জালাগে: আরেকটা কথা বলা যেতে পারে ,
    ”নাস্তিকদের লেখা না পড়লেই পারে ধার্মিকেরা ।”

    1. যার ভাল লাগবে সে পড়বে, যার
      যার ভাল লাগবে সে পড়বে, যার ভাল লাগবে না সে পড়বে না। জগতে অনেক ধরনের বই প্রকাশ হয়। সবাই কি সব বই পড়ে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *