আয়েশা এবং জয়নবের বিয়ে : নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ

প্রাচীনকাল থেকেই ধর্ম মানুষের মনে বাসা বেধে আছে । বর্তমান পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ-ই কোনো না কোনো ধর্মের অনুসারী । তবে বহুকাল আগে থেকেই নাস্তিক অর্থ্যাৎ ধর্মে অবিশ্বাসী কিছু লোকও আছে । বর্তমানে তাদের সংখ্যা নেহায়েত কম না । চিনের বেশিরভাগ মানুষ নাস্তিক বলে মাঝে মাঝে রব উঠে ।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বা আরো একটু বড় পরিসর অর্থ্যাৎ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে নাস্তিকদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য হলো ইসলাম ধর্ম । এর কিছু যুক্তিযুক্ত কারণও আছে ।

ইসলামের কিছু বিতর্কিত আইন আছে । যেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বহু বিবাহ । একজন পুরুষ একইসাথে একাধিক বিয়ে করবে এটা আসলেই অনুচিত ।


প্রাচীনকাল থেকেই ধর্ম মানুষের মনে বাসা বেধে আছে । বর্তমান পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ-ই কোনো না কোনো ধর্মের অনুসারী । তবে বহুকাল আগে থেকেই নাস্তিক অর্থ্যাৎ ধর্মে অবিশ্বাসী কিছু লোকও আছে । বর্তমানে তাদের সংখ্যা নেহায়েত কম না । চিনের বেশিরভাগ মানুষ নাস্তিক বলে মাঝে মাঝে রব উঠে ।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বা আরো একটু বড় পরিসর অর্থ্যাৎ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে নাস্তিকদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য হলো ইসলাম ধর্ম । এর কিছু যুক্তিযুক্ত কারণও আছে ।

ইসলামের কিছু বিতর্কিত আইন আছে । যেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বহু বিবাহ । একজন পুরুষ একইসাথে একাধিক বিয়ে করবে এটা আসলেই অনুচিত ।

নাস্তিকরা ইসলামের শেষ নবী মুহাম্মদের একাধিক বিয়ে নিয়ে তর্ক করে । বিশেষ করে আয়শা এবং জয়নবকে বিয়ে করার কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ নেই । মুসলিম মনিষীরা বার বার ব্যাপারটা এড়িয়ে যান । যারা মাঝে মাঝে উত্তর দেন তারা কিছু আনকোরা যুক্তি দেন । মূল কথা হলো এই দুটি বিয়ে আসলেই বিতর্কিত । যা অস্বিকার করার কোনো কারণই নেই ।

ঠিক একইভাবে যদি বলি, যদিও বিষয়টা বিতর্কিত তবুও এটা নিয়ে কাদা ছড়ানোর কোনো মানে নেই । আমি দেখেছি, এই বিষয়টা উঠলেই নাস্তিকরা মুহাম্মদকে গালিগালাজ করা শুরু করে । যা অনুচিত । ধর্মের গন্ডি ছাড়াও যদি বিবেচনা করেন তবুও মুহাম্মদকে মহামানব বলতেই হবে । এর কারণ মুহাম্মদ একই সাথে ছিলেন একজন ধর্মীয় নেতা এবং রাষ্ট্রনেতাও বটে । তার মানবীয় গুনাবলি অণুকরণীয় ।

মুসলিম মনিষীগণ আয়েশাকে বিয়ের কারণ হিসেবে আবু বকরের সাথে মুহাম্মদের সম্পর্কোন্নয়নকে সামনে আনেন । কিন্তু মুহাম্মদের সাথে আবু বকরের এতো ভালো সম্পর্ক থাকার পরও আবার নতুন করে ভালো করার কি দরকার ছিলো ? এ প্রশ্নে মুসলিম মনিষীরা পিছু হটেন । ঠিক একইভাবে নিজের পালক পুত্রের স্ত্রী জয়নবকে বিয়ের বিষয়েও মুসলিম মনিষীরা দুর্বল যুক্তি দেন তা কিন্তু যুক্তিতে টিকে না ।

তবে শুধু এই দুটি বিষয়কে কেন্দ্র করে মুহাম্মদকে নারীলোভী তকমা দেয়ারও যৌক্তিকতা নেই । কোনো মানুষকে বিচার করতে হলে তাকে তার সবকিছু দিয়ে বিচার করা উচিত । আর এভাবে বিচার করলে মুহাম্মদ লেটার মার্ক পেয়ে পাস করবেন বলে আমার বিশ্বাস ।

সবশেষে কথা কিন্তু একটাই । আপনি মুসলিম তো মুসলিমই থাকুন । আপনি নাস্তিক তো নাস্তিকই থাকুন । প্রতিপক্ষের সমালোচনা করুন এবং প্রতিপক্ষের ছোড়া তীরের যুক্তিযুক্ত উত্তর দিন । কাউকে দোযখের ভয় দেখিয়ে, কারো গলা কেটে, কারো ধর্মীয় নেতাকে নিয়ে চটি লিখে,কারো ধর্মীয় নেতাকে গালিগালাজ করে অশান্তি ছাড়া আার কিছুই পাওয়া যাবে না ।

৪ thoughts on “আয়েশা এবং জয়নবের বিয়ে : নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ

  1. আচ্ছা আপনি সত্যি করে বলুন তো
    আচ্ছা আপনি সত্যি করে বলুন তো আপনি কি হযরত আয়েশা রা জীবনী কখনও পড়েছেন?
    আপনি কি জানেন মা আয়েশার ২০০০ এর অধিক হাদীস বোখারী আর মুসলিম শরীফে বর্ননা করা হয়েছে?
    আপনি কি জানেন আয়েশা রা ইসলামের ইতিহাসের একজন শীর্ষ স্থানীয় কোরানের তাফসীর কারক?
    আপনি কি জানেন বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ আয়েশা রা এর কাছে আসতেন ইসলাম শিক্ষা করার জন্য?
    মুহাম্মদ সা এর মৃত্যুর পর তার স্ত্রীগনের মধ্যে ইসলাম প্রচারে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রেখেছেন আয়েশা রা।
    ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ব্যাক্তি মুহাম্মদ সা এর কবরও কিন্তু মা গৃহেই হয়েছে।
    ——– আমি নিশ্চিত আপনি এসব তথ্য খুব বেশী একটা জানেন না। আয়েশা রা এর বিয়েকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন বিবেচনা করি। এবং বিতর্কের অবকাশ দেখি না।

  2. যয়নব রা ছিলেন মুহাম্মদ সা
    যয়নব রা ছিলেন মুহাম্মদ সা পালিত পুত্রের স্ত্রী। সে যুগে দত্তক ব্যাক্তির স্ত্রীকে বিয়ের অযোগ্য মনে করা হত। আর বিয়ে করা অপরাধ মনে করা হত। যায়েদ রা , যয়নব রা তালাক দিলে; মুহাম্মদ সা যয়নব রা কে বিয়ে করেন এবং আরবের সেই প্রথাকে বাতিল করে দেন।
    কাজেই যয়নব রা বিয়ে করাটাকে আমি বিতর্কিত বলতে পারছি না। দুঃখিত।

  3. আপনি বলেছেন একই সাথে একাধিক
    আপনি বলেছেন একই সাথে একাধিক বিয়ে করা আসলেই উনুচিত। কিন্তু নাস্তিকরা যে বিয়ে না করেই গন্ডায় গন্ডায় নারীর সাথে লিভ টুগেদার করছে সেটা কি উচিত?
    কোন ব্যাক্তি যদি বিয়ে করে একাধিক নারীকে স্ত্রীর মর্যাদা দেয়, সেটা একজন নাস্তিকের দায়- দায়িত্বহীন লিভ টুগেদারের চাইতে অনেক মাত্রায় গ্রহনযোগ্য আর নৈতিক বলে বিবেচিত হবে।

  4. লিভ টুগেদারে দুজনই সঙ্গী বদল
    লিভ টুগেদারে দুজনই সঙ্গী বদল করতে পারে । আর বহু বিবাহে স্ত্রীরা এক জনের আশায় বসে থাকবে আর সাহেব ভ্রমরের মতো ঘুরবেন । আহ কি সিস্টেম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *