ধর্মান্ধতাই ধর্মের অভীষ্ট গন্তব্য

অধুনা সুধী মহলে তথাকথিত ডিগ্রীধারী শিক্ষত জনেরা ধর্ম ও ধর্মান্ধতার মধ্যে পার্থক্য করে বৌদ্ধিক প্রচার প্রস্তাবনা করে থাকেন ।
অথচ আমরা খোলা চোখে দেখি,প্রচলিত কেতাবী বা শাস্ত্রীয় ধর্মের প্রধান উপজীব্যই হচ্ছে-
“তুমি নির্দধায়, বিনা প্রশ্নে,নিরঙ্কুশ আনুগত্য আত্ম সমর্পনের মাধ্যমে তোমার ধর্ম অনুশীলন কর ।যুক্তি ,বুদ্ধি,জ্ঞান,কৌতুহল, শিকেয় তুলে তোমাদের অন্ধ আনুগত্য ,ভক্তি যত প্রসারিত হবে ,তোমার ধর্মবোধ,ধার্মীকতা তত উজ্জ্বল হবে ।”
এমনি বিষয় গুলো যারা যত হৃদয়ে,মননে ধারন করে, সে মতে জীবন যাপন করে তারা তত ধার্মিক ।

অধুনা সুধী মহলে তথাকথিত ডিগ্রীধারী শিক্ষত জনেরা ধর্ম ও ধর্মান্ধতার মধ্যে পার্থক্য করে বৌদ্ধিক প্রচার প্রস্তাবনা করে থাকেন ।
অথচ আমরা খোলা চোখে দেখি,প্রচলিত কেতাবী বা শাস্ত্রীয় ধর্মের প্রধান উপজীব্যই হচ্ছে-
“তুমি নির্দধায়, বিনা প্রশ্নে,নিরঙ্কুশ আনুগত্য আত্ম সমর্পনের মাধ্যমে তোমার ধর্ম অনুশীলন কর ।যুক্তি ,বুদ্ধি,জ্ঞান,কৌতুহল, শিকেয় তুলে তোমাদের অন্ধ আনুগত্য ,ভক্তি যত প্রসারিত হবে ,তোমার ধর্মবোধ,ধার্মীকতা তত উজ্জ্বল হবে ।”
এমনি বিষয় গুলো যারা যত হৃদয়ে,মননে ধারন করে, সে মতে জীবন যাপন করে তারা তত ধার্মিক ।
যারা যুক্তিকে জীবনের পথ প্রদর্শক হিসাবে নিয়েছে, জ্ঞান-বিজ্ঞানকে সামনে রেখে যারা ধর্ম ও তার কথিত স্রষ্টার বিরোদ্ধে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়,কার্যকরন ব্যাখ্যা করে বুদ্ধির ছোরার নিচে ধর্মকে ব্যবচ্ছেদ করে তাদেরকে ধার্মিক বলা হয়না,ধর্মের এবং তার স্রষ্টার দুয়ার তার জন্য রুদ্ধ ।
যুক্তি ,বুদ্ধি দিয়ে কার্যকরন ব্যাখ্যার মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষার দ্বারা ধর্ম পালন হয়না। শর্ত প্রয়োগ করে কেউ যদি ধর্মের খাতায় নাম লিখাতে চায় ,তা কখনও ধর্ম দ্বারা অনুমোদন পাবেনা । ধর্মের ইতিহাস খুজঁলে এমনটাই পাওয়া যায় ।
অতএব সুপ্রীয় সুধীগন, আপনারা কিভাবে ধর্ম ও ধর্মান্ধকে পৃথক করবেন?দুটোকে পৃথক করলে তো ধর্ম ও ধার্মিকেরই কোন অস্তিত্ব থাকবেনা ।
পরিশেষে বলা যায় –
“যে যত ধর্মান্ধ ,সে তত ধার্মিক। আর সে হিসাবেই
বহুকাল ধরে একটি প্রবাদ জনসমাজে প্রচলিত আছে
#বিশ্বাসে মিলায়, কৃষ্ণ তর্কে বহুদুর#
====লেখাটি একজন মুক্ত চিন্তক,আলোকিত মানুষ সব্যসাচী দাদার কলমের ডগায় জন্ম নিয়েছে====”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *