বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতা ও ধর্মান্ধতা পরস্পরের পরিপুরক?

ছোট বেলায় প্রায়ই দেখতাম প্রত্যেকটা বাড়িতে মাহফিলের আয়জন করা হয়। কেউ মারা গেলে হয় এই মিলাদ, কেউ জন্ম নিলে হয় এই মিলাদ আবার কারো আয় উন্নতি না হলেও মিলাদের আয়জন করা হয়।
কিছুদিন আগে একটা ভিডিও চোখে পড়েছে, সেখানে একজন ইছলামী বক্তা যার নাম – ছিফাত হাছান। যে বক্তা স্পষ্টই বলে ছিলো যে, এসব করলে আদতে কোন ফায়দা নেই। যার যার দোয়া তার তার কম্মেই লাগে।

ছোট বেলায় প্রায়ই দেখতাম প্রত্যেকটা বাড়িতে মাহফিলের আয়জন করা হয়। কেউ মারা গেলে হয় এই মিলাদ, কেউ জন্ম নিলে হয় এই মিলাদ আবার কারো আয় উন্নতি না হলেও মিলাদের আয়জন করা হয়।
কিছুদিন আগে একটা ভিডিও চোখে পড়েছে, সেখানে একজন ইছলামী বক্তা যার নাম – ছিফাত হাছান। যে বক্তা স্পষ্টই বলে ছিলো যে, এসব করলে আদতে কোন ফায়দা নেই। যার যার দোয়া তার তার কম্মেই লাগে।
কারো বাবা-মা’র জন্য দোয়া কোন হুজুর কে দিয়ে করানোর থেকে বেশি কার্যকরি হবে ঐ মা-বাবার পুত্র দোয়া করলে সেটা। কথা হচ্ছে এই বক্তার বক্তব্যে এটা স্পষ্ট যে, ইছলাম মা -বাবা কে অধিকতর মুল্যায়ন করেছে প্রমান করা। এ ধরনের চেষ্টাটা আমরা প্রায়ই দেখতে পাই। অথচো, এদিকে০৮ জানুয়ারী,খবরে প্রকাশঃ প্রকাশ্যে নিজের মাকে হত্যা করলো আইএস সদস্য।
ঐ সদস্য কেন তার মা কে হত্যা করেছে এর কারন হিসেবে জানা যায়, ঐ মুছলিমের মা , তার মুছলিম আই এস সদস্যকে আই এস ছাড়তে বলেছিলেন, তার মা মনে করতেন , এটা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, সেই সঙ্গে আইএস নির্মূল হয়ে যাওয়ার বিষয়েও তার সন্তানকে সতর্ক করেছিলেন।
আর এসব কারনেই তার মা কে হত্যা করেছে ঐ মুছলিম সন্তানটি।
২১ বছরের আলি সাকার তার মা ৪৫ বছরের লিনা আল-কাশেম রাকার পোস্ট অফিসের কাছে কয়েকশ’মানুষের সামনে হত্যা করে।
এখন কথা হচ্ছে কে আসলে ইছলামের আসল সৈনিক ? কে আসলে ইছলাম সঠিকভাবে পালন করছে ? আই এস সদস্য নাকি উক্ত বক্তা ছিফাত হাছান?

অন্যদিকে বিবিসিও জানিয়েছে বিগত ২০১৩ থেকে এই জঙ্গি গোষ্ঠিটি অন্তত দুই হাজার মানুষকে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে, গলা কেটে অথবা পাথর মেরে হত্যা করেছে। (৮ জানুয়ারি পর্যন্ত)।।

কাজেই, হাসিদ কোরানের আলোকে প্রশ্ন তোলা যায়, কে তবে ইছলামের আসল কান্ডারী? আই এস নাকি এসব ছিফাত হাছানেরা?

শুনতাম আল্যার নবী ছোট ছোট বাচ্চাদের কে খুবই আদর ও স্নেহ করতেন।
কিন্তু এটা শুধু শুনেই গেছি আমরা, দেখার সৌভাগ্য হয় নাই। প্রশ্ন আসতে পারে যে নবী মরে গেছে তার স্নেহ পাওয়া এখন কি করে সম্ভব? বলবো অবশ্যই সম্ভব। তার একটা মতবাদ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে সারা বিশ্বে । যে মতবাদের ধারক ও বাহকগন নবিজির সমস্ত কিছুই অক্ষরে অক্ষরে পালন করে থাকেন। দৈনন্দিন কাজ; এমনকি হাগা মুতাও বাদ যায় না এ চর্চার তালিকা থেকে।
কাজেই, তার কর্মকান্ড সমাজে প্রশংসার দাবিদার যদি হয়েই থাকে তাহলে সমাজের সকল কিছুতেই একটা মোহাম্মদি প্রভাব থাকবে ,যা স্বাভাবিক।
এখন একটু দেখতে পারি শিশুদের বেলায় কিভাবে সেসব চিত্র ফুটে উঠেছে বর্তমান কালেই।
নবীজির স্নেহের ব্যাপারে যারা এখনো সন্দেহ করেন তারা হয়তো জানেন না যে শিশু আয়েশার সাথে তিনি নিজে ঊরু সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন যার একটি ভিডিও লিংক নিচে দেয়া হয়েছে। ভিডিও টি তৈরি হয়েছে ইছলামী গ্রন্থের উপরেই বেইজ করে। সেখানেও বুখারি, আলতাবারি সহ আরও হরেক ইছলামী রেফারেন্স দেয়া আছে। আরও দেখা যেতে পারে ঐতিহাসিক বানু কুরাইজা গোত্রের উপরে মোহাম্মদি হামলার ইতিহাস। যেখানে দ্বিনের নবিজি নিজে সকল পুরুষকে হত্যা ও নারী শিশুদের কে মালে -গনিমত করার আদেশ দিয়ে নিজেও ভোগ করেছেন।

বর্তমানে আমরা দেখি, প্রায়শই অন্য ধর্মাবলম্বিদের উপরে ইছলামী সৈনিকদের হামলা। যার কিয়দাংশ অবশ্য এই ছোটলোক‘দের বঙ্গদেশেও বিস্তৃত। যেখানে দেদারছে লুটপাট চালানো হয় “মালাউন” সম্প্রদায়দের উপরে। বসতবাড়ি জ্বালিয়ে , ধর্ষনও করে থাকেন অনেকেই। যাকে আমরা খোলা চোখে সেই বানু কুরাইজার চিত্রই দেখতে পাই পুনরায়। হ্যা একেবারেই খাপের খাপ। এখানে কোন ভিন্নতা নেই। ছহি মুহাম্মদি চর্চা তো এটাই নাকি, বলেন ?

আর এ কারনেই আমরা দেখতে পারি পেশোয়ারে হামলা, যেখানে শিশুদের কে মেরে ফেলা হয়েছে। জঙ্গিযুদ্ধে প্রাপ্ত মেয়েদের কে বিক্রি করা হয়েছে। যারা করেছে তারা প্রকাশ্যই স্বীকার করে নিয়েছে আল্যার আদেশ ও দ্বীন কায়েম করার উদ্দেশ্যেই তাদের এই অপারেশন চালানো ।

অবিশ্বাসী, ধর্ম অস্বিকার কারীদের কে যে ভাবেই হোক হত্যা করতে হবে , এটা আল্যায়ই বলেছেন। ধর্ম নিয়ে অমন ভাবে লেখা উচিৎ হয় নাই অমুক ব্লগারের। এ কথাটা আসলে এখানে টেকে না। এটাকে এভাবেও ব্যাখ্যা করা যায়, এক মুছলিম হত্যা করেছে। সেই হত্যার রক্তের দাগ অন্য মুছলিম মুছে দিয়েছে যাতে অন্য কেউ বুঝতে না পারে।
আপনি নাস্তিক , এই একটা কারনই যথেষ্ট ইছলামী সৈনিকদের হাতে প্রান খোয়াতে।

এর কারন হিসাবে বলা যায় কোরান থেকেই,
“অভিশপ্ত অবস্থায় তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে, তাদেরকে ধরা হবে এবং প্রাণে বধ করা হবে। যারা পূর্বে চলে গিয়েছে, তাদের ব্যাপারে এটাই ছিল আল্লাহর রীতি। আপনি আল্লাহর রীতিতে কখনও পরিবর্তন পাবেন না।” (সূরাহ আহযাব, আয়াত নং ৬১-৬২)

যার ওপর যবরদস্তি করা হয় এবং তার অন্তর বিশ্বাসে অটল থাকে সে ব্যতীত যে কেউ বিশ্বাসী হওয়ার পর আল্লাহতে অবিশ্বাসী হয় এবং কুফরীর জন্য মন উন্মুক্ত করে দেয় তাদের ওপর আপতিত হবে আল্লাহর গজব ও তাদের জন্য রয়েছে শাস্তি”। ১৬:১০৬

এখানে সামান্য দুটা দেখালাম। এমন ভুরি ভুরি প্রমানের উপরে ভর করেই সমস্ত কার্যক্রম চাল্লাছে বর্তমানের ইছলামী সৈনিকরা।
মাঝে মাঝেই খবরে আসেন্ এদেশের সম্মানী হুজুররা। তাদেরকে অভিযুক্ত করা হয় নানা সময়ে নবির তরিকা-আকিদা পালনের দায়ে । শিশুকন্যাকে বিয়ের কারনে গ্রেফতারও করে এদেশের আইন শৃঙ্গখলা বাহিনী। অথচো এই হুজুরেরা ছহি ছুন্নার চর্চা টাই করেন। যা নবিজি তার জীবদ্দশায় করে গিয়েছেন। অনেকে অবশ্য বিয়েতে হয়তো সন্তুষ্ট না , তাই বলাৎকার করে থাকেন।

এখানে একটা প্রশ্ন রাখতে হচ্ছে,

ইছলামী মতে স্নেহ ও কাম দুইই কি এক জিনিস? অভিন্ন হলে সেটা কি রূপে?

তথ্যসুত্রঃ
http://www.ittefaq.com.bd/world-news/2016/01/08/50451.html ।
https://www.youtube.com/watch?v=ypyGifIMYrM।

৪ thoughts on “বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতা ও ধর্মান্ধতা পরস্পরের পরিপুরক?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *