যাহাই হুবাল তাহায় আবাল

আল্লার রহমত ছাড়া কারো ঈমানদার হওয়ার ক্ষমতা নেই।
সে মুহাম্মদ হোক অথবা আবু জাহেল অথবা মুরগিব।
কুরানে অসংখ্য আয়াত আছে যেগুলোতে আল্লা নিজেই বলেছে আমার রহমত ছাড়া কারো আমার ঈমানদ্বার হওয়া সম্ভব নয়।
সুরা ফাতেহার এই আয়াতটা দেখলেই আপনার বুঝতে অনেক সুবিধা হবে।
সে সমস্ত লোকের পথ,যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ।তাদের পথ নয়,যাদের প্রতি তোমার গজব নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
সুরা ফাতিহা আয়াত ৭.
কুরানের এই সামান্য আয়াতটা বিশ্লেষণ করলেই অনেক কিছুই আমারা বুঝতে পারবো।

আল্লার রহমত ছাড়া কারো ঈমানদার হওয়ার ক্ষমতা নেই।
সে মুহাম্মদ হোক অথবা আবু জাহেল অথবা মুরগিব।
কুরানে অসংখ্য আয়াত আছে যেগুলোতে আল্লা নিজেই বলেছে আমার রহমত ছাড়া কারো আমার ঈমানদ্বার হওয়া সম্ভব নয়।
সুরা ফাতেহার এই আয়াতটা দেখলেই আপনার বুঝতে অনেক সুবিধা হবে।
সে সমস্ত লোকের পথ,যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ।তাদের পথ নয়,যাদের প্রতি তোমার গজব নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
সুরা ফাতিহা আয়াত ৭.
কুরানের এই সামান্য আয়াতটা বিশ্লেষণ করলেই অনেক কিছুই আমারা বুঝতে পারবো।
এই যেমন মুসলিমদের দাবী কুরান লেখক হুবাল তথা আল্লাহ আরবের আগের ঈশ্বরের নাম হুবাল ছিল।আরব বাসীরা হুবালে বিশ্বাসী ছিল মুহাম্মদ যে ধর্ম প্রবতক করে সেই ধর্মের ঈশ্বরও হুবাল কিন্তু নাম চেন্জ হয়ে আল্লা হয়ে গেছে।
তবে যাহাই হুবাল তাহায় আল্লা।
এই আয়াতে আল্লা কাকে কি বলতেছে?নাকী আয়াত পাঠ কারী আল্লাকে বলতেছে আমাদের উপর রহমত দান করো।
আসল সত্য মুহাম্মদ নিজেই এি কুরাণ লেখক নিজে নিজেই কাল্লনিক হুবালের কাছে নিজে রহমত চাচ্ছে যে হুবালের কোন অস্তিত্বই নেই কোন।
আবার কুরানের কোথায় পড়লে মনে হয় আল্লা নিজেই কিছু সরাসরি কিছু বলতেছে। এই যেমন:
আমি মুসাকে কিতাব দিয়েছি এবং সেটিকে বনী ইসরাঈলের জন্য হেদায়েতে পরিনত করেছি যে,তোমরা আমাকে ছাড়া কাউকে কার্যনির্বাহী স্থির করবে না
সুরা বনী-ইসরাঈল আয়ত ২।
যে কুরানের বিভিন্ন জায়গায় এক আয়াত আরেক আয়াতকে বাতিল ঘোষনা করে নিরবে।
সেই করুনকে বিতর্কিত বললে ভুলটা হবে কোথায়?
তবে এই আয়াতটাতে এটা স্পষ্ট হয়ে উঠে যে কুরান লেখক মুহাম্মদ মাঝে মাঝে নিজেকেই হুবাল দেবতা ভাবতে শুরু করে কখনো কখনো।
আমরা আরও জনি যে মুহাম্মদ কোন লেখাপড়া জানতো না কিন্তু তিনি কি করে এই কুরান লিখতে পারলেন?এই কাজটাও খুব সহজ একটা বিষয়।
মানুষ যখন বিপদে পড়ে সেই সময় কিছু মানুষ বিপদে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে আসে কেউ আসে কোন উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ বা মানবিকতায় কিন্তু মুহাম্মদ এগিয়ে গিয়েছিল কোন উদ্দেশ্য নিয়ে।তিনি লোকদের বিপদ থেকে উদ্ধার করতে লাগলেন সেি সব লোক গুলো মুহাম্মদকে নবী মেনে নিল এবং পথ প্রদশক মনে করলে।
তার সাথে কিছু শিক্ষিত অনেক যুবকও যোগ দেয় এই যুবকরা মুলত মুহাম্মদের মুখের কথাকেই লিপিবন্ধ করতো বিভিন্ন গাছের ডালে ছালে।
মুলত তারা এই কুরনের আয়াত গুলো লিখতো খেজুর গাছের পাতায়।
যেহেতু তারা লিখতো সেহেতু লিখতো ছোট গাছ গুলোতেই।
যে গাছ গুলোর পাতা নিচ থেকেই ছোয়া যায়।
তবে একটা মজার বিষয় হলো কি এই গাছ গুলোর পাতা বিভিন্ন পশু খেয়ে শেষ করে দিত এই কারনেই অনেক আয়াত হারিয়ে যায়। তবে পাখিরা এই আয়াত গুলোতে বিষ্টা ত্যাগ করতে আর এই কারনেই কুবুতর এবং অন্যান্য পাখি কুরানে বিষ্টা ত্যাগ করলে কুরানের পবিত্রতা নষ্ট হয় না।
কি হাস্যকর তাই না?
এই রকম একটা বিতর্কিত গ্রন্থ মানব জাতির সমাধান হতে পারে না।
শুধু এই গ্রন্থ কেন কোন গ্রন্থই হতে পারে না এক যুগের গ্রন্থ আরেক যুগে বাতিল হতেই পারে।

৪ thoughts on “যাহাই হুবাল তাহায় আবাল

  1. এই সেই কিতাব,যাতে কোন সন্দেহ
    এই সেই কিতাব,যাতে কোন সন্দেহ নাই।সরকার আপনে বর্ননা দিয়া যতই সন্দেহ তৈরি করার চেষ্টা করেন,কোন লাভ নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *