বাংলাদেশ ফিরিয়ে নেক তসলিমাকে

দ্বিখণ্ডিত নিষিদ্ধ করেছি বাধ্য হয়ে , বললেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য আরও জানান , তিনি কোনও সময়েই বই নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন ,কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তখন ওই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন ।

তসলিমা নাসরিন আজ থেকে প্রায় ১২ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৩ সালে ২৮ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়, তসলিমার বই ‘দ্বিখণ্ডিত’ সেই স্মৃতি উস্কে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টখচার্যকে টুইটারে তসলিমা সরাসরি প্রশ্ন ; “পি চিদম্বরম বলেছেন , স্যাটানিক ভার্সেন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল , বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কবে বলবেন আমরা দ্বিখণ্ডিত নিষিদ্ধ করাও ভুল ছিল ।


দ্বিখণ্ডিত নিষিদ্ধ করেছি বাধ্য হয়ে , বললেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য আরও জানান , তিনি কোনও সময়েই বই নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন ,কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তখন ওই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন ।

তসলিমা নাসরিন আজ থেকে প্রায় ১২ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৩ সালে ২৮ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়, তসলিমার বই ‘দ্বিখণ্ডিত’ সেই স্মৃতি উস্কে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টখচার্যকে টুইটারে তসলিমা সরাসরি প্রশ্ন ; “পি চিদম্বরম বলেছেন , স্যাটানিক ভার্সেন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল , বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কবে বলবেন আমরা দ্বিখণ্ডিত নিষিদ্ধ করাও ভুল ছিল ।

তসলিমার টুইট প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বুদ্ধ বলেছেন ,”বিতর্ক খোঁচাতে চাই না তবে আমি মৌলিক ভাবে কখনও কোন বই নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে ব্যক্তিগত ভাবে আমি এ ভাবে ভাবিই না কিন্তু এই বইটার (দ্বিখণ্ডিত) সময় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বাধ্য হয়েছিলেন “।

আমরা যতটা জানি বুদ্ধবাবু নিজেও বইটা পড়েছিলেন । শুধু যাদের মতামতের গুরুত্ব আছে তারা পড়ে এই সিদ্ধান্ত নেন । গণতন্ত্র দেশে কোনও বই নিষিদ্ধ করা লেখক-শিল্পীর স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা ।

সাংবাদিকরা জিঞ্জেস করেছিলেন , বুদ্ধদেব নিরুত্তর ছিলেন ।বড় দুঃখ হয় যার কাকা সুকান্ত ভট্টাচার্য । সাহিত্য সম্পদে যার জীবনের শুরু তিনি নাকি এতবড় ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারলেন । ভুল তো চিরকাল ভুলই । বুদ্ধদেব আজ যা বুঝতে পেরেছেন অতীতেও বুঝেছিলেন ।

তাই আজ অসহিষ্ণুর জবাব দিতে গিয়ে ভুল স্বীকারের হিড়িক পরে গেছে ।
বর্তমান মুখ্যমুন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই একই ভুল করলেন । এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তসলিমার ছিলেন যখন তিনি বিরোধী দলে ছিলেন । কিন্তু আজ কেন তসলিমা নাসরিনের ‘দুঃসহবাস ‘ টিভি সিরিয়াল নিষিদ্ধ করলেন । কলকাতা বইমেলায় তসলিমার বই ‘নির্বাসন ‘ -ও প্রকাশ করা ২০১২ সালে বাতিল ঘোষণা করলেন ।

বইটির প্রকাশক শিবানী মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন , সরকারি ভাবে তাঁদের বলা হয় , অনুষ্ঠানস্থলে প্রস্ত্তত করা যায়নি ,তাই বই প্রকাশ করা যাচ্ছেনা । কি অদ্ভূদ রাজনীতি সিদ্ধান্ত । গোলাম আলী গান করার আমন্ত্রণ পেলেও , দিদির কাছে এখন তসলিমা নাসরিন অচ্ছুৎ । তবে শেষমেষ ‘নির্বাসন’ বইটি প্রকাশ করেন ,নবারুণ ভট্টাচার্য স্টলে ।
আমরা অপেক্ষায় আছি । বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কবে ভুল স্বীকার করবেন ।তেনার অবশ্য শেখা উচিৎ ছিল চিদম্বরমের কাছ থেকে ,বুদ্ধবাবুর কাছ থেকে । কিন্তু দুঃখের ব্যপার তা এখনও হয়নি ।

দ্বিখণ্ডিত নিষিদ্ধ করেছি বাধ্য হয়ে , বললেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য আরও জানান , তিনি কোনও সময়েই বই নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন ,কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তখন ওই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন ।

তসলিমা নাসরিন আজ থেকে প্রায় ১২ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৩ সালে ২৮ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়, তসলিমার বই ‘দ্বিখণ্ডিত’ সেই স্মৃতি উস্কে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টখচার্যকে টুইটারে তসলিমা সরাসরি প্রশ্ন ; “পি চিদম্বরম বলেছেন , স্যাটানিক ভার্সেন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল , বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কবে বলবেন আমরা দ্বিখণ্ডিত নিষিদ্ধ করাও ভুল ছিল ।

তসলিমার টুইট প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বুদ্ধ বলেছেন ,”বিতর্ক খোঁচাতে চাই না তবে আমি মৌলিক ভাবে কখনও কোন বই নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে ব্যক্তিগত ভাবে আমি এ ভাবে ভাবিই না কিন্তু এই বইটার (দ্বিখণ্ডিত) সময় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বাধ্য হয়েছিলেন “।

আমরা যতটা জানি বুদ্ধবাবু নিজেও বইটা পড়েছিলেন । শুধু যাদের মতামতের গুরুত্ব আছে তারা পড়ে এই সিদ্ধান্ত নেন । গণতন্ত্র দেশে কোনও বই নিষিদ্ধ করা লেখক-শিল্পীর স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা ।

সাংবাদিকরা জিঞ্জেস করেছিলেন , বুদ্ধদেব নিরুত্তর ছিলেন ।বড় দুঃখ হয় যার কাকা সুকান্ত ভট্টাচার্য । সাহিত্য সম্পদে যার জীবনের শুরু তিনি নাকি এতবড় ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারলেন । ভুল তো চিরকাল ভুলই । বুদ্ধদেব আজ যা বুঝতে পেরেছেন অতীতেও বুঝেছিলেন ।

তাই আজ অসহিষ্ণুর জবাব দিতে গিয়ে ভুল স্বীকারের হিড়িক পরে গেছে ।
বর্তমান মুখ্যমুন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই একই ভুল করলেন । এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তসলিমার ছিলেন যখন তিনি বিরোধী দলে ছিলেন । কিন্তু আজ কেন তসলিমা নাসরিনের ‘দুঃসহবাস ‘ টিভি সিরিয়াল নিষিদ্ধ করলেন । কলকাতা বইমেলায় তসলিমার বই ‘নির্বাসন ‘ -ও প্রকাশ করা ২০১২ সালে বাতিল ঘোষণা করলেন ।

বইটির প্রকাশক শিবানী মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন , সরকারি ভাবে তাঁদের বলা হয় , অনুষ্ঠানস্থলে প্রস্ত্তত করা যায়নি ,তাই বই প্রকাশ করা যাচ্ছেনা । কি অদ্ভূদ রাজনীতি সিদ্ধান্ত । গোলাম আলী গান করার আমন্ত্রণ পেলেও , দিদির কাছে এখন তসলিমা নাসরিন অচ্ছুৎ । তবে শেষমেষ ‘নির্বাসন’ বইটি প্রকাশ করেন ,নবারুণ ভট্টাচার্য স্টলে ।
আমরা অপেক্ষায় আছি । তসলিমা নাসরিন ফিরে যাক তাঁর মাতৃভূমিতে ৷

১ thought on “বাংলাদেশ ফিরিয়ে নেক তসলিমাকে

  1. কিন্তু তসলিমাকে বাংলাদেশ নিতে
    কিন্তু তসলিমাকে বাংলাদেশ নিতে চায় না। একমাত্র ইউরোপই তার জন্য নিরাপদ।
    ধন্যবাদ আপনাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *