হত্যাকারীণী মা নাকি অন্য কিছু ?

সাইকোলজিতে একটা রোগ আছে । একে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন বলে। শিশু জন্মের পরে প্রায় সব মায়েরই এমনটা হয়ে থাকে। অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। শরীরে ম্যাসিভ হরমোনাল চেঞ্জের জন্য এমনটা ঘটে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ লোকই যা জানেনা।
এই সময়ে মায়েরা স্বামীদের খুন করে ফেলতে চায়, অথবা আত্মহত্যা করতে চায়। অথবা এমন কিছু করতে চায় যা সুস্থ মাথার মানুষ কল্পনাও করতে পারেনা। বিদেশে এই রোগের ভাল চিকিৎসা আছে। এরা সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যায়, কাউন্সেলিং করে, ওষুধ খায় – সুস্থ্যও হয়ে যায়।

সাইকোলজিতে একটা রোগ আছে । একে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন বলে। শিশু জন্মের পরে প্রায় সব মায়েরই এমনটা হয়ে থাকে। অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। শরীরে ম্যাসিভ হরমোনাল চেঞ্জের জন্য এমনটা ঘটে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ লোকই যা জানেনা।
এই সময়ে মায়েরা স্বামীদের খুন করে ফেলতে চায়, অথবা আত্মহত্যা করতে চায়। অথবা এমন কিছু করতে চায় যা সুস্থ মাথার মানুষ কল্পনাও করতে পারেনা। বিদেশে এই রোগের ভাল চিকিৎসা আছে। এরা সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যায়, কাউন্সেলিং করে, ওষুধ খায় – সুস্থ্যও হয়ে যায়।
আমাদের দেশে প্রথমেই মেয়েকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শ্বাশুড়ি ননদরা মুখ বাঁকিয়ে বলবেন, “আমরা আর মা হই নাই। সবই ঢং আর ফুটানি!” মেয়ের মা ও বোন বলবেন, “মানিয়ে নে মা…..মানিয়ে নে।” স্বামিতো কিছুই শুনতে চাইবে না, বুঝাতো বহুদূর।

এবার আসি মূল কথায়।

বনশ্রীতে মা তার শিশু দুটিকে মেরে ফেলেছেন। আমরা সবাই হত্যাকারিণী মায়ের বিচারের দাবীতে সোচ্চার।
পুলিশ বিভিন্ন বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে।
এদিকে অভিযুক্ত মা বলেছেন, তিনি শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। তিনি মনে করতেন বাচ্চারা বড় হয়ে কিছুই করতে পারবে না। তাই তিনি এ কাজ করেছেন।

আমেরিকায় প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটেছিলো। মা মনে করতেন তার ছেলে মেয়ে বড় হয়ে কিলার হবে, পতিতা হবে। তাই তিনি বাচ্চাদের হত্যা করে ফেলেন। আদালত কিন্তু মহিলাকে শাস্তি দেননি। বরং চিকিৎসার ব্যাবস্থা করতে আদেশ দেন।

বনশ্রীর অভিযুক্ত মা খুনের যে কারণ বলেছেন তার সাথে আমেরিকার ঐ ঘটনা অদ্ভুৎভাবে মিলে যায়। তাই আমার মনে হয় আমরা ঐ মাকে ভুল বুঝছি নাতো ?

কোনো কিছু করার সামর্থ্য আমাদের নেই।আমাদের চেয়ে আরো বড় মাথাওয়ালারা আইনের রক্ষক। তারা বিষয়টি ভাববেন বলেই আমার বিশ্বাস।

আইনের শাসন ও প্রয়োগ যেভাবে নিশ্চিত করতে হবে সেভাবে নিশ্চিত করতে হবে কোনো রোগী এবং নির্দোষ যেনো শাস্তি না পায়।

২ thoughts on “হত্যাকারীণী মা নাকি অন্য কিছু ?

  1. মানসিকভাবে সুস্থ কোন মায়েই
    মানসিকভাবে সুস্থ কোন মায়েই নিজ সন্তানকে হত্যা করতে পারে না।
    বিচার হবার আগে উনার চিকিৎসা প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *